Ancient Indian Geography & Vedas Part-2
Ancient Indian Geography & Vedas
NEP 2020 অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পরিবর্তন করা হয়েছে সিলেবাস। যোগ করা হয়েছে নতুন বিষয়বস্তু। ভূগোল বিষয়েও বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষণীয়। ভৌগোলিক চিন্তার বিকাশ (Geographical Thought) বিষয়ের সিলেবাসও হালনাগাদ করা হয়েছে, ফলে এতে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। সিলেবাস অনুযায়ী, ভৌগোলিক চিন্তার বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় বই প্রায় অপর্যাপ্ত। এই সংকট কাটিয়ে ওঠার প্রয়াসে, ভৌগোলিক চিন্তার বিকাশে আমাদের ক্ষুদ্রতম প্রচেষ্টা হলো Ancient Indian Geography & Vedas নামক পোস্টটি ।
Ancient Indian Geography & Vedas [II]
বেদ ও ভারতীয় ভূগোল : বেদ শুধুমাত্র ধর্মগ্রন্থ নয়, ইহা সুপ্রাচীন ভারতীয় জ্ঞানের বহিঃপ্রকাশের মাধ্যম । বেদে উল্লিখিত ভৌগোলিক ধারণা অধ্যয়নের জন্য প্রয়োজন আধ্যাত্মিক মনন । ভূগোল যেহেতু পরিবর্তনশীল সেহেতু আজ থেকে হাজার হাজার বছরের প্রাচীন ধারণা যে অপরিবর্তিত থাকবে তা কল্পনা করাও ভ্রান্ত । তবে বেদে উল্লিখিত ধারণা বা তথ্য বর্তমান বৈজ্ঞানিক ধারণার আলোকে বিচার করে তা গ্রহণ বা বর্জনের সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে যুক্তিসংগত কাজ এবং তা বেদের মহিমাকে অক্ষুন্ন রেখে তাঁকে স্বীকৃতি প্রদানেরই নামান্তর হবে । বেদে উল্লিখিত বিভিন্ন ভৌগোলিক তথ্য আমি আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে অনুসন্ধানের প্রচেষ্টা করবো এবং তা থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু ভৌগোলিক ধারণা, যেগুলি ভারতীয় প্রাচীন ভূগোলের উত্তরণে সহায়ক তা আলোচনার অন্তর্ভুক্ত করবো । বেদ থেকে প্রাপ্ত ভৌগোলিক ধারণাগুলি নিম্নরূপঃ
i. মহাবিশ্ব সৃষ্টির ধারণা : বেদ, মূলতঃ ঋগ্বেদ, মহাবিশ্বের উৎপত্তি সম্পর্কে গভীর, দার্শনিক এবং অধিভৌতিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রদান করে। বেদে মহাবিশ্বের সৃষ্টিকে শূন্য থেকে যান্ত্রিক সৃষ্টির পরিবর্তে ঐশ্বরিক সত্তার প্রক্ষেপণের একটি প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। বেদ মহাবিশ্বকে একটি চক্রাকার প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করে, যেখানে সৃষ্টি (প্রক্ষেপণ) এবং বিলয় (পরম সত্তায় বিলীন হওয়া)-এর পর্যায়গুলো পর্যায়ক্রমে পুনরাবৃত্ত হয় । ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের 129 তম মন্ত্রের (নাসাদিয়া সুক্তম) 129.1-129.6 এ মহাবিশ্ব সৃষ্টির ধারণা বিবৃত হয়েছে । এই মন্ত্র অনুযায়ী পরম শূন্য (কোনকিছু না থাকা) থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয় । ঋগ্বেদের দশম মণ্ডলের 121 তম মন্ত্রের (হিরণ্যগর্ভ সুক্তম) 121.1 শ্লোকে উল্লেখ করা হয়েছে যে মহাবিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তেই প্রজাপতি ব্রহ্মার সৃষ্টি হয় এবং 121.5 অনুযায়ী ভগবান ব্রহ্মা স্বর্গ, সূর্য, পৃথিবী, আকাশ ও জল সহ অন্যান্য সমস্তকিছু সৃষ্টি করেন । পুরুষ সূক্ত (ঋগ্বেদ 10.90) তে মহাজাগতিক সত্তা সৃষ্টির বর্ণনা রয়েছে, যেখানে মহাবিশ্বকে ‘পুরুষ’ (Purusa) নামক এক মহাজাগতিক সত্তা বা দিব্য চেতনা থেকে উদ্ভূত বলে বর্ণনা করা হয়েছে, যিনি একাধারে অন্তর্গত ও অতীন্দ্রিয়। এই পুরুষের মন থেকে চন্দ্রের উৎপত্তি হলো, এবং তাঁর চোখ থেকে সূর্যের জন্ম হলো; তাঁর মুখ থেকে ইন্দ্র ও অগ্নির এবং তাঁর শ্বাস থেকে বায়ুর জন্ম হলো (ঋগ্বেদ 10.90.13) । তাঁর নাভি থেকে শূন্যে আকাশ গঠিত হলো, তাঁর মাথা থেকে পৃথিবী এবং তাঁর রথ থেকে রাজ্যসমূহ। এইভাবে তাঁরা জগৎসমূহ গঠন করলেন (ঋগ্বেদ 10.90.14) । অর্থাৎ ঋগ্বেদের এই কয়েকটি সুক্ত থেকে আমরা আধ্যাত্মিকভাবে মহাবিশ্ব সৃষ্টি এবং মহাজাগতিক বিভিন্ন উপাদানের সৃষ্টির বর্ণনা পেয়ে থাকি । মহাবিশ্ব সৃষ্টির সর্বাধুনিক মতবাদ “মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব” (Big-Bang Theory) অনুযায়ী মহাবিশ্ব সৃষ্টির প্রাক্কালে কল্পনাতীত ঘনত্বে বিন্দুবৎ অবস্থায় (Singularity) মহাবিশ্ব অবস্থান করত এবং কোনো এক পরম মুহূর্তে (Plank Period) তাতে বিস্ফোরণ ঘটে এবং মহাবিশ্ব সৃষ্টি হয় । বেদে উল্লিখিত “পরম শূন্য” ও “পুরুষ” বিষয়টি “Singularity” এবং “ব্রহ্ম মুহূর্ত” সময়টি “Plank Period” এর উত্তরসূরী ধারণা বলে মনে করা যেতে পারে।
ii. বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড ও মহাবিশ্বের আয়ুষ্কাল : বেদ অনুযায়ী বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড (All Universe) এর একটি নির্দিষ্ট জীবন চক্র (Life Cycle) রয়েছে, যা আরম্ভ হয় মহাকল্প সূচনার সময়কালে এবং শেষ হয় মহাপ্রলয়ের অন্তিম লগ্নে । বেদ অনুযায়ী মহাকল্প এর সূচনা হয় 155.52 ট্রিলিয়ন বছর পূর্বে এবং মহাপ্রলয়ের অন্তিম লগ্ন 155.52 ট্রিলিয়ন বছর এর শেষ মুহূর্ত । অর্থাৎ বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সার্বিক আয়ুষ্কাল প্রায় 311.4 ট্রিলিয়ন বছর বা ভগবান ব্রহ্মার মোট (100 বছর) আয়ুষ্কাল । এই সময়কালের মধ্যে একটি বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি হয়ে ধ্বংস হবে এবং পরবর্তীতে আবার নতুন বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি হবে । আধুনিক বিজ্ঞান অনুযায়ী বর্তমান মহাবিশ্বের (Universe) বয়স 13.8 বিলিয়ন বছর এবং আইনস্টাইনের “Oscillating Universe Theory” (1931) অনুযায়ী এর আয়ু সর্বমোট 33.3 বিলিয়ন (0.0333 ট্রিলিয়ন) বছর । অর্থাৎ 19.5 বিলিয়ন বছর পর এই মহাবিশ্ব মহা সংকোচন (Big Crunch) এর মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে যাবে । আইনস্টাইনের এই তত্ত্ব অনুযায়ী সত্যি যদি মহা সংকোচনের মাধ্যমে মহাবিশ্ব মহা বিস্ফোরণের আগের পর্যায়ে উপনীত হয় তাহলে মহাবিশ্বের একটি জীবন চক্র সম্পূর্ণরুপে সম্ভব হবে । এবার আধুনিক বিজ্ঞানের Big Bang থেকে Big Crunch এর সময়কালকে প্রমাণ হিসাবে ধরে বেদে উল্লিখিত বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের জীবনকালকে বিচার করলে দেখা যায় বর্তমান সময় পর্যন্ত 9351.36 বার আধুনিক ধারণায় প্রাপ্ত মহাবিশ্বের (Universe) মোট আয়ুষ্কাল অতিক্রান্ত হয়েছে, অর্থাৎ বর্তমান মহাবিশ্বের পূর্বে প্রায় 9351টি মহাবিশ্ব সৃষ্টি ও ধ্বংস হয়েছে । যদি আধুনিক বিজ্ঞানের মহাবিশ্ব সংক্রান্ত Cyclic Model সম্পর্কে বিন্দুমাত্র সন্দেহ না থাকে এবং 33.3 বিলিয়ন বছরের ব্যবধানে একটি মহাবিশ্ব সৃষ্টি বা ধ্বংস হয়ে থাকে তাহলে বৈদিক উল্লেখকে যাথার্থ্য হিসাবে বিবেচনা করা যায় ।
iii. পৃথিবীর বয়স : বৈদিক সময়পর্যায় অধ্যয়ন করলে দেখা যায়, ব্রহ্মার জীবনকালকে 100 বছর ব্রহ্মকাল হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আমাদের অর্থাৎ মানবীয় সময় অনুযায়ী 311.4 ট্রিলিয়ন বছর (3,11,040 কোটি সৌর বৎসর) । এই 100 বছরকে আবার 50 বছর দিন বা মহাকল্প (155.52 ট্রিলিয়ন বছর) ও 50 বছর রাত্রি বা মহাপ্রলয় (155.52 ট্রিলিয়ন বছর) -এবিভক্ত করা হয়েছে । মহাকল্প সৃষ্টির সময় এবং মহাপ্রলয় ধ্বংসের সূচক । মহাকল্প আবার দুটি অংশে বিভক্ত যথাঃ কল্প ও প্রলয় । এক কল্প এর অর্থ 432,0000,000 মানব বর্ষ । এক একটি কল্প আবার চারটি যুগে বিভক্ত, যথাঃ সত্য (Saty/Krta), ত্রেতা (Treta), দ্বাপর (Dvapara) ও কলি (Kali) । “কল্প” (Kalpa) শব্দটি সংস্কৃত শব্দ “कॢप्” থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার আক্ষরিক অর্থ “Create”, “Prepare” অর্থাৎ “নির্মাণ” । অর্থাৎ “কল্প” সৃষ্টির সূচক । হিন্দু সময় সারণী অনুযায়ী, বর্তমানে আমরা কলি যুগের মধ্যে রয়েছি, এবং পৃথিবীর পর্যায়কাল সূচিত হয় সত্য যুগে । পৃথিবী সৃষ্টির সূচনা লগ্ন সত্য যুগে বা কল্প প্রারম্ভিক কালে হয়ে থাকলে সেই হিসাব অনুযায়ী প্রায় 432 কোটি (4.32 বিলিয়ন) বছর পূর্বে আমাদের পৃথিবী সৃষ্টি হয় । আধুনিক বিজ্ঞান অনুযায়ী পৃথিবীর বয়স আনুমানিক প্রায় 454 কোটি (4.54 বিলিয়ন) বছর । পৃথিবীর বয়সের ক্ষেত্রে আধুনিক বিজ্ঞান এবং বেদে উল্লিখিত সময় প্রায় একই, বিচ্যুতি মাত্র 22 কোটি বছর ।
iv. মহাজাগতিক সময় সারণী (Cosmological Time Scale) : বৈদিক মহাজাগতিক সময় সারণী অনুযায়ী সৃষ্টি ও ধ্বংসের চক্রকে যথাক্রমে মহাকল্প ও মহাপ্রলয় এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে । যার সর্বমোট সময়কাল 311.4 ট্রিলিয়ন বছর । মহাকল্পকে আবার সৃষ্টি ও ধ্বংসের চক্র অনুযায়ী কল্প ও প্রলয় এই দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে । মহাকল্প মূলতঃ 36,000 কল্প ও প্রলয়ের সমাহার । ভগবান ব্রহ্মা কল্প কালে অর্থাৎ প্রথম 12 ঘণ্টায় সৃষ্টির সূচনা করেন । কল্পকে আবার চারটি যুগে বিভক্ত করা হয়েছে, যথাঃ সত্য, ত্রেতা, দ্বাপর ও কলি । এই চার যুগকে একত্রে চতুর্যুগ বা মহাযুগ বলা হয় । এই চার যুগের সময়কাল আবার 4:3:2:1 অনুপাতে বিভক্ত । অর্থাৎ মোট কল্প কাল যেখানে 432,0000,000 মানব বর্ষ সেখানে সত্য যুগের সময়কাল 17,28,000 বর্ষ, ত্রেতা যুগের সময়কাল 12,96,000 বর্ষ, দ্বাপর যুগের সময়কাল 8,64,000 বর্ষ এবং কলি যুগের সময়কাল 4,32,000 বর্ষ । সময়ের এই বিশাল সংখ্যক ধারণা অন্য কোনো সভ্যতার পৌরাণিক কাহিনীতে দেখা যায় না । এপ্রসঙ্গে আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী স্যাগ্যান (Carl Edward Sagan) দ্বারা পর্যবেক্ষণটি গুরুত্বপূর্ণ । স্যাগ্যান 1980 সালের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আয়োজিত “Cosmos: A Personal Voyage” নামক তার জনপ্রিয় টেলিভিশন প্রোগ্রামের “The Edge of Forever” নামক 10ম এপিসোডে (30 নভেম্বর, 1980) মন্তব্য করেন যে “It is the only religion in which the time scales correspond, no doubt, by accident, to those of modern scientific cosmology. Its cycles run from our ordinary day and night to a day and night of Brahma 8.64 billion years long. Longer than the age of the earth or the sun and about half of the time since the big bang. And there are much longer time scales still.” আধুনিক বিজ্ঞানে Big Bang মুহূর্ত থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত অতিক্রান্ত সময়কালকে এরকম বেশ কয়েকটি স্তরে বিভক্ত করা হয় । আবার আধুনিক Geological Time Scale (1911) এ পৃথিবীর বয়স ও ভূতাত্ত্বিক ঘটনাবলী বর্ণনার জন্য এরুপ সারণী তৈরি করা হয়েছে ।
➣ Principle of GNSS (RS & GIS)
v. ভূ-প্রাকৃতিক বর্ণনা : বেদে ভূ-প্রাকৃতিক বর্ণনার অংশ হিসাবে সমুদ্র, পর্বত, মরুভূমি, নদী ইত্যাদির বর্ণনা পাওয়া যায় । ঋগ্বেদের নবম মণ্ডলের 33.6 শ্লোকে এবং দশম মণ্ডলের 47.2 শ্লোকে চারটি সমুদ্রের (Seas) কথা উল্লেখ করা হয়েছে । আবার দশম মণ্ডলের 136.5 শ্লোকে এদের মধ্যে দুটি সমুদ্রের আবার স্পষ্ট উল্লেখ পাওয়া যায় । এই দুটি সমুদ্র হলঃ অর্বাবৎ (Arvavat) ও পরাবৎ (Paraavat) । প্রথমটি হলঃ পূর্ব দিকের সমুদ্র এবং দ্বিতীয়টি হলঃ পশ্চিম দিকের সমুদ্র । ঋগ্বেদ অনুযায়ী অর্বাবৎ বা পূর্ব দিকের সমুদ্র হলঃ সূর্যের জন্মস্থান এবং পরাবৎ বা পশ্চিম দিকের সমুদ্র হলঃ সূর্যের বিশ্রাম স্থল । বর্তমানে এই দুই সমুদ্র স্পষ্টত দৃশ্যমান এবং এদের আমরা বঙ্গোপসাগর ও আরবসাগর নামে চিনি । ঋগ্বেদে উল্লিখিত অপর দুই সমুদ্র বর্তমানে জ্ঞাত নয়, এই সমুদ্র দুটি হলঃ সরস্বত (Sarasvat) সমুদ্র এবং শর্যনাবৎ (Sharyanavat) সমুদ্র । প্রসঙ্গতঃ ঋগ্বেদে এই তিনটি সমুদ্রের নাম সরাসরি উল্লেখ থাকলেও চতুর্থ সমুদ্রের নাম উল্লেখ নেই । বেদে উল্লিখিত বিভিন্ন সঙ্কেতের ভিত্তিতে ভারতীয় সংস্কৃত পণ্ডিত ভার্গভ (Purushottam Lal Bhargava)-ও তৃতীয় সমুদ্রের নামটি “সরস্বত” হিসাবে সমর্থন করেন । ভারতীয় সাহিত্যিক ইতিহাসবিদ উপাধ্যায় (Pt. Baldev Upadhyaya) চতুর্থ সমুদ্রের নামকরণ হিসাবে “শর্যনাবৎ” নাম প্রদান করেন । তৃতীয় সমুদ্রের বর্তমান অবস্থান হিসাবে ভারতীয় ঐতিহাসিক দাস (Abinas Chandra Das) 1921 সালে প্রকাশিত তার “Rig-Vedic India” নামক গ্রন্থে আধুনিক তুর্কিস্তানের উচ্চভূমির নিচ থেকে সাইবেরিয়া পর্যন্ত এবং মঙ্গোলিয়ার সীমানা থেকে কৃষ্ণ সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত বিশাল এলাকাকে চিহ্নিত করেন । ভারতীয় ভূতত্ত্বের পথিকৃৎ ওয়াদিয়া (Darashaw Nosherwan Wadia) 1919 সালে প্রকাশিত তার “Geology of India” নামক গ্রন্থে চতুর্থ সমুদ্রের বর্তমান অবস্থান হিসাবে প্রাচীন ভূতাত্ত্বিক কালে হিমালয় পর্বতমালার পাদদেশে অবস্থিত গভীর খাদ (সমুদ্র)-কে ইঙ্গিত করেন ।
Discover more from NIRYAS.IN
Subscribe to get the latest posts sent to your email.