Pedagogy

Environmental Science in Education System P-2

Environmental Science in Education System

প্যাডাগোজি (Pedagogy) হল এমন একটি বিষয়বস্তু যেটি শিক্ষকতার যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষারর ক্ষেত্রে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় । প্রাথমিক টেট, উচ্চ প্রাথমিক টেট, সেন্ট্রাল টেট এমনকি স্কুল সর্ভিস টেট এর ক্ষেত্রে প্যাডাগোজি বিষয়টি থেকে বিষয় ভিত্তিক প্যাডাগোজি (Subject Pedagogy) এর উপর প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক ব্যাপার । প্রতিযোগী শিক্ষার্থীদের বিষয়টি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদানের জন্য এবং প্রতিটি বিষয়ের বিষয় ভিত্তিক প্যাডাগোজি তুলে ধরতে আমরা আরম্ভ করেছি Pedagogy বিভাগটি । এই বিভাগের একটি উপ-বিভাগ হলঃ পরিবেশ বিজ্ঞান প্যাডাগোজি । পরিবেশ বিজ্ঞান প্যাডাগোজিতে এখন আমরা আলোচনা করবো “শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবেশ বিজ্ঞান” [Environmental Science in Education System] নামক টপিকটি ।


➣ Join : Our Telegram Channel

 শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবেশ বিজ্ঞান

Environmental Science in Education System [Part-2]

⟽ Previous Part

26. পরিবেশ বিজ্ঞান শিক্ষার ক্রিয়ামূলক লক্ষ্যগুলি কিকি ?
উত্তর : পরিবেশ বিজ্ঞান শিক্ষার ক্রিয়ামূলক লক্ষ্যগুলি হলঃ i) পরিবেশের উদ্ভিদ প্রজাতি ও প্রাণী প্রজাতি সম্পর্কে ধারণা গঠন, ii) জীবজগৎকে প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসাবে চিহ্নিত করতে পারা, iii) পরিবেশ সংরক্ষণ, বিশুদ্ধ ও নির্মল পরিবেশের বিকাশে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা অর্জন করা, iv) বিভিন্ন জাতি, উপজাতি ধর্ম, সংস্কৃতি, রীতিনীতি ইত্যাদি বিষয়ে মানবীয় কার্যাবলীর বৈশিষ্ট্য চিহ্নিত করার দক্ষতা অর্জন, v) সম্পদের ব্যবহার, সংরক্ষণ এবং অপব্যবহার সমন্ধে সুস্পষ্ট বিজ্ঞানসম্মত ধারণার বিকাশ ইত্যাদি ।

27. পরিবেশ বিজ্ঞান শিক্ষার মনঃসঞ্চালনমূলক লক্ষ্যগুলি কিকি ?
উত্তর : পরিবেশ বিজ্ঞান শিক্ষার মনঃসঞ্চালনমূলক লক্ষ্যগুলি হলঃ i) নিজের ও পার্শবর্তী পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার উপকারিতা সমন্ধে জ্ঞান অর্জন ও সক্রিয় অংশগ্রহন করার মানসিকতা তৈরি, ii) বন সৃজনে অংশগ্রহনে শিক্ষার্থীর সাথে সাথে প্রতিবেশীদের উদ্বুদ্ধ করা, iii) বিভিন্ন পদ্ধতির সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ রোধে সক্রিয় অংশগ্রহন করা ও জন সচেতনতা তৈরি করা, iv) খাদ্যে ভেজালের প্রভাব সম্পর্কে সুষ্ঠ ধারণার বিকাশ সাধন এবং জন সচেতনতা প্রসারে অংশগ্রহন সুনিশ্চিতকরণ ইত্যাদি ।

28. পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়টি কয়টি প্রধান শাখায় বিভক্ত ?
উত্তর : পরিবেশ বিজ্ঞান বিষয়টি প্রধান দুটি শাখায় বিভক্ত, যথাঃ i) পরিবেশ বিদ্যা (Environmental Studies) এবং ii) পরিবেশগত প্রকৌশলবিদ্যা (Environmental Engineering) ।

29. পরিবেশ বিদ্যার মুখ্য আলোচ্য বিষয় কি ?
উত্তর : পরিবেশের সাথে মানুষের মিথস্ক্রিয়া বোঝার জন্য সামাজিক বিজ্ঞানের অধ্যয়ন হল পরিবেশ বিদ্যার মুখ্য আলোচ্য বিষয় ।

30. পরিবেশগত প্রকৌশলবিদ্যার মুখ্য আলোচ্য বিষয় কি ?
উত্তর : পরিবেশগত প্রকৌশলবিদ্যার মুখ্য আলোচ্য বিষয় হ’ল পরিবেশ সম্পর্কিত সমস্যাগুলি এবং পরিবেশের উপর মনুষ্যনির্মিত কর্মসূচির প্রভাবের উপর বিশ্লেষণ করা; বায়ু, জল ও জমিতে দূষণের সমাধানের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষা ও সংরক্ষণের জন্য সমাধান সন্ধানের দৃষ্টি নিবদ্ধ করা।

31. পরিবেশ বিজ্ঞানের প্রধান উপাদানগুলি কিকি ?
উত্তর : পরিবেশ বিজ্ঞানের প্রধান উপাদানগুলি হলঃ i) Ecology, ii) Geoscience, iii) Atmospheric Science, iv) Environmental Chemistry ইত্যাদি ।

32. পরিবেশ বিজ্ঞানের উপাদান হিসাবে Ecology এর আলোচ্য বিষয়গুলি কিকি ?
উত্তর : বাস্তুসংস্থান হ’ল জীবসম্প্রদায় ও পরিবেশের মধ্যে আন্তঃপ্রতিক্রিয়ার অধ্যয়ন । পরিবেশের অবস্থা এবং সেই পরিবেশের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির জনসংখ্যার মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হয় Ecology তে ।

33. পরিবেশ বিজ্ঞানের উপাদান হিসাবে Geoscience এর আলোচ্য বিষয়গুলি কিকি ?
উত্তর : ভূ-বিজ্ঞান বিষয়টি ভূ-তত্ত্ব, মাটি বিজ্ঞান, আগ্নেয়গিরি এবং পরিবেশের সাথে সম্পর্কিত পৃথিবীর ভূত্বকের আনুষঙ্গিক বিষয় সম্পর্কে আলোচনা করে । এরুপ আলোচনার বিভিন্ন অংশে Soil scientists, Physicists, Biologists ও Geomorphologists প্রভৃতি অংশগ্রহণ করে থাকেন ।

34. পরিবেশ বিজ্ঞানের উপাদান হিসাবে Atmospheric Science এর আলোচ্য বিষয়গুলি কিকি ?
উত্তর : বায়ুমণ্ডলীয় বিজ্ঞান হল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের অধ্যয়ন সংক্রান্ত বিজ্ঞান । পরিবেশ বিজ্ঞানের এই শাখায় অন্যান্য সিস্টেমের বায়ুমণ্ডলের সাথে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে । এটি Space, Astrology সহ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল সম্পর্কিত বিবিধ বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নকে আবদ্ধ করে যার মধ্যে আবহাওয়া, দূষণ, গ্যাস নিঃসরণ এবং বায়ুবাহিত দূষকগুলি অন্যতম ।

35. পরিবেশ বিজ্ঞানের উপাদান হিসাবে Environmental Chemistry এর আলোচ্য বিষয়গুলি কিকি ?
উত্তর : পরিবেশে পরিবর্তিত রাসায়নিকগুলির প্রভাবে মাটির দূষণ, জলের দূষণ, রাসায়নিকের অবক্ষয় এবং পরিবেশের উদ্ভিদ এবং প্রাণীর উপর রাসায়নিক পরিবহণের তাৎক্ষণিক প্রভাব বিষয়ের সমীক্ষা পরিবেশগত রসায়ন বিষয়ের আলোচ্য বিষয়বস্তু ।

36. পরিবেশ বিজ্ঞানের প্রধান প্রয়োগ ক্ষেত্রগুলি কিকি ?
উত্তর : পরিবেশ বিজ্ঞানের প্রধান তিনটি প্রয়োগ ক্ষেত্র হলঃ i) প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, ii) বাস্তুতন্ত্র এবং জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং iii) দূষণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি । এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, ওজোন স্তর হ্রাস, জ্বালানি সংকট, মরুভূমি, নগরায়ণ, জনসংখ্যা বিস্ফোরণ সহ বিভিন্ন ধরণের জটিল পরিবেশগত সমস্যা সমাধানে পরিবেশ বিজ্ঞান মুখ্য ভূমিকা পালন করে ।

পড়ুন ➣ পরিবেশ বিদ্যা প্রশ্নোত্তর

37. প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় পরিবেশ বিজ্ঞানের ভূমিকা কি ?
উত্তর : প্রাকৃতিক সম্পদ সভ্যতার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান । প্রাকৃতিক সম্পদের গুণগত মানের উন্নয়ন ঘটিয়ে মানুষ নিজের প্রয়োজনের স্বাপেক্ষে সম্পদ সৃষ্টি ও ব্যবহার করে চলেছে । এই সম্পদ সৃষ্টি ও ব্যবহারের উপযোগী নিত্যনতুন প্রযুক্তির আবিষ্কার, সম্পদের ব্যবহারিক গুণমান উন্নয়ন, সম্পদ সংরক্ষণ ইত্যাদি বহুবিধ বিষয়ে পরিবেশ বিজ্ঞানে গবেষণা করা হয় ।

38. বাস্তুতন্ত্র এবং জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণে পরিবেশ বিজ্ঞানের ভূমিকা কি ?
উত্তর : বাস্তুতন্ত্র জীবের চারণক্ষেত্র এবং জীব বৈচিত্র্য জীবের বিকাশের উর্বরক । এই দুটি বিষয়ই মানুষের কার্যাবলীর প্রভাবে নিরন্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলেছে । দূষণ ও অপরিকল্পিতভাবে প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার বাস্তুতন্ত্র এবং জীব বৈচিত্র্যকে ধ্বংসের মুখে পৌঁছে দিয়েছে । পরিবেশ বিজ্ঞান এবং পরিবেশ বিজ্ঞানী এই সমস্ত বিষয়গুলি নিয়ে নিরন্তর আলোচনা করে থাকে এবং মানুষকে সচেতন করে চলেছে ।

39. দূষণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণে পরিবেশ বিজ্ঞানের ভূমিকা কি ?
উত্তর : সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথেই দূষণ তীব্র মাত্রা ধারণ করছে যা পরিবেশ বিজ্ঞানীদের মাথা ব্যথার কারণ । জল, স্থল, বায়ু, মাটি বিশ্বের কোন অংশেরই দূষণ থেকে মুক্ত নয় । পরিবেশ বিজ্ঞানে দূষণ, দূষণের মাত্রা, দূষণের কারণ, দূষণের প্রভাব ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয় এবং দূষণ রোধ ও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি আবিষ্কার করে ।

40. পরিবেশ বিজ্ঞানের গুরুত্বগুলি কিকি ?
উত্তর : পরিবেশ বিজ্ঞান যেসমস্ত ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলি হলঃ i) বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত সমস্যাগুলি উপলব্ধি করতে, ii) পরিবেশের উপর সভ্যতার বিকাশের প্রভাবগুলি বোঝার জন্য, iii) বেঁচে থাকার স্থিতিশীল উপায় আবিষ্কারের জন্য, iv) প্রাকৃতিক সম্পদকে দক্ষতার সাথে ব্যবহার করার উপায় সন্ধানে, v) জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য সমকালীন ধারণাগুলির উপর আলোকপাত করতে, vi) স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে, ইত্যাদি ।

41. বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত সমস্যাগুলি উপলব্ধিতে পরিবেশ বিজ্ঞানের গুরুত্ব কিরূপ ?
উত্তর : পরিবেশগত বিজ্ঞান বিশ্বব্যাপী পরিবেশগত সমস্যা যেমন – জলবায়ু পরিবর্তন, বিশ্ব উষ্ণায়ন, ওজোন স্তর হ্রাস, অ্যাসিড বৃষ্টিপাত, জীব বৈচিত্র্য হ্রাস এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের বিঘ্নতা ইত্যাদি বহুবিধ বিষয় নিয়ে গবেষণা করে । পরিবেশগত এই সমস্ত সমস্যার কারণ এবং সভ্যতার উপর প্রভাব সমন্ধে আলোচনা পরিবেশ বিজ্ঞানীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে । এই সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য সারা বিশ্ব জুড়ে প্রচারও করে থাকেন পরিবেশ বিজ্ঞানী ।

42. পরিবেশের উপর সভ্যতার বিকাশের প্রভাবগুলি বোঝার জন্য পরিবেশ বিজ্ঞানের গুরুত্ব কিরূপ ?
উত্তর : সভ্যতার বিকাশের চালিকাশক্তি হিসাবে শিল্পায়ন, নগরায়ন, টেলিযোগাযোগ, পরিবহন ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, হাই-টেক কৃষি, হাউজিং সম্প্রসারণ ইত্যাদি নানাবিধ কার্যাবলী অন্তর্গত । এই সমস্ত বিষয়ের অগ্রগতির সাথে সাথেই পরিবেশ ধীরেধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে চলেছে । ফলে সভ্যতা যত বিকশিত হচ্ছে পরিবেশগত সমস্যা ততোই মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে । কিভাবে পরিবেশকে বাঁচিয়ে সভ্যতার প্রয়োজন মেটানো যায় এবং প্রযুক্তির ঋণাত্মক প্রভাব মুক্ত করে সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় তা পরিবেশ বিজ্ঞানে আলোচনা করা হয় এবং সারা বিশ্বজুড়ে পরিবেশ বিজ্ঞানীগন এই বিষয়ে গবেষণা করে চলেছেন ।

43. বেঁচে থাকার স্থিতিশীল উপায় আবিষ্কারের ক্ষেত্রে পরিবেশ বিজ্ঞানের গুরুত্ব কিরূপ ?
উত্তর : পরিবেশগত বিজ্ঞান অধিক স্থিতিশীলভাবে বাস করার উপায় আবিষ্কারের জন্য সর্বদা সচেষ্ট । এর অর্থ হল বর্তমান প্রজন্মের চাহিদা মিটিয়ে ভবিষৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদের সংরক্ষণ নিশ্চিত করা । জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথেই পাল্লা দিয়ে কমছে প্রাকৃতিক সম্পদ ফলে খাদ্য, বাসস্থান ইত্যাদির অভাব পরিলক্ষিত হয়ে চলেছে । এই সমস্ত অভাব পূরণের জন্য নিত্যনতুন কৃষি পদ্ধতি, বাসস্থান প্যাটার্ন উদ্ভব, সম্পদ সংরক্ষণ কৌশল ইত্যাদি বিষয়ের উপর আলোকপাত করে পরিবেশ বিজ্ঞান।

44. প্রাকৃতিক সম্পদকে দক্ষতার সাথে ব্যবহার করার উপায় সন্ধানে পরিবেশ বিজ্ঞানের গুরুত্ব কিরূপ ?
উত্তর : প্রাকৃতিক সম্পদ কোন দেশের অগ্রগতির দিক নির্দেশক । এই সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে না পারলে সম্পদ সৃষ্টির ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে । উপযুক্ত প্রশিক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনা দক্ষতার অভাবের কারণে অনেক সময় প্রাকৃতিক সম্পদ কার্যকরীভাবে ব্যবহার করা যায় না, ফলে অপচয় হয় । অপচয় রোধের জন্য এবং সঠিক পথে সম্পদের ব্যবহারের নিত্যনতুন কৌশল, প্রযুক্তি, উপায় সন্ধানে পরিবেশ বিজ্ঞানী গবেষণা করে এবং তার প্রয়োগ ঘটানোর ক্ষেত্র প্রস্তুত করে ।

45. পরিবেশ বিজ্ঞান দক্ষভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ের উপর আলোকপাত করে ?
উত্তর : পরিবেশ বিজ্ঞান দক্ষভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহারের ক্ষেত্রে – i) যথাযথভাবে পরিবেশগত পরিবেশ পদ্ধতি অনুসরণ, ii) সম্পদ সৃষ্টি করার জন্য সঠিক ও আধুনিক সরঞ্জামের ব্যবহার, iii) সম্পদের মানোন্নয়ন ঘটানো, iv) সম্পদ উৎপাদনে ব্যবহার যন্ত্র যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা, v) পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মানব সম্পদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা, vii) অপচয় কমানোর সঠিক কৌশল ব্যবহার করা, viii) প্রাকৃতিক অবস্থার অধীনে প্রাণীর আচরণ সমন্ধে সাম্যক জ্ঞান অর্জন করা ইত্যাদি বিষয়ের উপর আলোকপাত করে ।

46. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য সমকালীন ধারণাগুলির উপর আলোকপাত করতে পরিবেশ বিজ্ঞানের গুরুত্ব কিরূপ ?
উত্তর : জীববৈচিত্র্য পৃথিবীর জীবন প্রণালীকে সচল রাখতে সহায়তা করে । কিন্তু মানুষের ক্রমবর্ধমান বিলাসিতার প্রভাবে জীববৈচিত্র্যের হার ক্রমশ ধ্বংস হয়ে চলেছে । বিষয়টি নিয়ে পরিবেশ বিজ্ঞানীরা যথেষ্ট চিন্তিত এবং বিভিন্ন পরিবেশ সম্মেলনে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের জন্য প্রয়াস করে চলে ।

47. জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে পরিবেশ বিজ্ঞানে কোন কোন বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলা হয় ?
উত্তর : জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে পরিবেশ বিজ্ঞানে – i) টেকসই কাঠ পণ্যের ব্যবহার, ii) জৈব খাদ্য ব্যবহার, iii) 3R’s – reduce, reuse এবং recycle এর গুরুত্ব বৃদ্ধি, iv) স্থানীয় পর্যায়ে সংরক্ষণের প্রচারাভিযান, vi) শক্তি সংরক্ষণ, vii) পরিবেশ বান্ধব নির্মল পণ্যের ব্যবহার ইত্যাদি বিকল্প ব্যবস্থার কথা বলা হয় ।

48. স্থানীয়, জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করতে পরিবেশ বিজ্ঞানের গুরুত্ব কিরূপ ?
উত্তর : স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশগত সমস্যাগুলি বেশিরভাগই সচেতনতার অভাবের কারণে ঘটে। পরিবেশগত বিজ্ঞান পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য এবং সমাজের প্রতিটি সম্প্রদায়ের কাছে সেই বার্তা পৌঁছানর জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশগত দক্ষতার বিকাশে শিক্ষার্থীদেরকে শিক্ষিত করতে সহায়তা করে । বিভিন্ন পরিবেশ কর্মসূচী, পরিবেশ সম্পর্কিত আলোচনা, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সমাবেশ থেকে উঠে আসা তত্ব, প্রকল্প এবং কার্যপদ্ধতির সার্থক রূপায়নেও পরিবেশ বিজ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

49. পরিবেশ বিজ্ঞানী হার্ট পরিবেশ বিজ্ঞান শিক্ষার কয়টি বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করেন ?
উত্তর : পরিবেশ বিজ্ঞানী হার্ট পরিবেশ বিজ্ঞান শিক্ষার 25টি বৈশিষ্ট্যের উল্লেখ করেন ।

50. “Basics of Environmental Science” গ্রন্থের রচয়িতা কে ?
উত্তর : ব্রিটিশ পরিবেশ বিজ্ঞানী John Michael Allaby “Basics of Environmental Science” গ্রন্থটি রচনা করেন গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় 1996 সালে।


➣ Read in English


Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page

Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading