Competitive Miscellaneous Info.

Static GK Universe P-2

Static GK Universe

সর্বভারতীয় বা রাজ্য স্তরের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষাগুলিতে সাধারণ জ্ঞান থেকে প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক ।আবার সাধারণ জ্ঞানের পরিসরও ব্যপক । বিভিন্ন টপিক থেকে Static GK এর উপর আসা প্রশ্নগুলি অধ্যয়ন করে বেশকিছু সুনির্দিষ্ট টপিকের বিশদ আলোচনা করা হবে । এক্ষেত্রে এখন আলোচ্য টপিক রয়েছে Static GK Universe.


➣ Join : Our Telegram Channel

Static GK Universe [Part-2]

⟽ পূর্ববর্তী অংশ

16. বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে প্রথম নীহারিকা আবিষ্কার কে করেন ?
উঃ ফরাসি মহাকাশবিদ Nicolas-Claude Fabri de Pieresc 1610 সালে ‘Orion Nebula’ নামক প্রথম নীহারিকা আবিষ্কার করেন যা 1618 সালে Johann Baptist Cysat পুনরায় পর্যবেক্ষণ করেন ।

17. নীহারিকা সমন্ধে প্রথম বিশদ ধারণা কে দেন ?
উঃ ডাচ মহাকাশবিজ্ঞানী Christiaan Huygens 1659 তার কার্যাবলী “De vi centrifuga” তে নীহারিকা সমন্ধে প্রথম বিশদ ধারণা প্রদান করেন যা “Concerning the centrifugal force” নামে তাঁর মৃত্যুর পর 1703 সালে প্রকাশিত হয় ।

18. মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছে নীহারিকা অন্য কী নামে জনপ্রিয় ?
উঃ নীহারিকা মহাকাশ বিজ্ঞানীদের কাছে “Nursery for New Stars” নামে জনপ্রিয় ।

19. নীহারিকার প্রধান গ্যাসীয় উপাদানগুলি কীকী ?
উঃ নীহারিকার প্রধান গ্যাসীয় উপাদানগুলি হলঃ Hydrogen 90% এবং Helium 10% যা একটি নক্ষত্রেরও প্রধান উপাদান হিসাবে বিবেচিত হয় ।

20. নীহারিকাকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ?
উঃ নীহারিকাকে প্রাথমিক ভাবে দুটি গোত্রে ভাগ করা যায়, যথাঃ A) Galactic Nebula এবং B) Extragalactic Nebula ।

21. Extragalactic Nebula কী ?
উঃ অসংখ্য নক্ষত্র যুক্ত বৃহৎ আকৃতির নক্ষত্র বিন্যাস গঠন হল Extragalactic Nebula এটি ‘Galaxy’ এর পূর্বতন নাম । এ সমন্ধে বিশদ তথ্য পাওয়া যায় নি ।

22. Extragalactic Nebula কয় প্রকার ?
উঃ এডউইন হাভেল Extragalactic Nebula বা Non-galactic Nebula কে চার ভাগে বিভক্ত করেছেন, যথাঃ Spiral, Elongated, Globular এবং Irregular ইত্যাদি ।

23. Extragalactic Nebula এর সংখ্যা কত ?
উঃ E. P. Hubble এর খোঁজ অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত প্রায় 400 টি Extragalactic Nebula এর অস্তিত্ব পাওয়া গেছে ।

24. Galactic Nebula কাকে বলে ?
উঃ নির্দিষ্ট ছায়াপথ এর অন্তর্গত নীহারিকা হল এই ধরনের নীহারিকা ।

25. Galactic Nebula কয় প্রকার ?
উঃ Galactic Nebula কে মুখ্যভাবে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়, যথাঃ i) Diffuse Nebula এবং ii) Planetary Nebula

26. Diffuse Nebula কী ?
উঃ আন্তনক্ষত্র ধূলিকণা ও গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত গ্যাস বা অলোক নিঃসরণকারী নীহারিকা হল এই ধরনের নীহারিকা ।

27. Diffuse Nebula কয় প্রকার ?
উঃ Diffuse Nebula আবার দুই ভাগে বিভক্ত যথাঃ a) Dark Nebula এবং b) Luminous Nebula

28. Dark Nebula কী ?
উঃ যখন কোন নীহারিকা তার কেন্দ্রে অবস্থিত কোন অলোক উৎসারী কে গ্যাসীয় আবরণে আড়াল করে থাকে তখন তাকে Dark Nebula বলা হয় । Orion এর The Horsehead Nebula এই ধরনের নীহারিকার উদাহরণ ।

29. Luminous Nebula কী ?
উঃ যখন কোন নীহারিকা তার পার্শ্ববর্তী কোন নক্ষত্র বা নক্ষত্র পুঞ্জর আলোকে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে তখন সেই ধরনের নীহারিকাকে বলা হয় Luminous Nebula । Nestled Galaxy এর NGC 604 নীহারিকা এই ধরনের নীহারিকার উদাহরণ ।

30. Luminous Nebula কয় প্রকার ?
উঃ Luminous Nebula দুই ভাগে বিভক্ত যথাঃ Reflection Nebula এবং Emission Nebula

31. Reflection Nebula কাকে বলে ?
উঃ যখন কোন নীহারিকা নিজের আলো নিঃসরণ না করে নিকটবর্তী কোন নক্ষত্র বা নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে আসা আলোকে নিজের গ্যাসীয় মেঘ দ্বারা বিচ্ছুরিত করে তখন সেই নীহারিকা কে বলা হয় Reflection Nebula । এই ধরনের নীহারিকা থেকে মূলতঃ নীল আলো নিঃসৃত হয় ।

32. Emission Nebula কাকে বলে ?
উঃ নক্ষত্র গঠনের সময় উচ্চ তাপমাত্রার গ্যাসীয় মেঘ যুক্ত নীহারিকা থেকে যখন আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি নির্গত হয় তখন সেই নীহারিকাকে Emission Nebula বলা হয় । এই ধরনের নীহারিকায় হাইড্রোজেনের আধিক্য থাকায় মূলতঃ লাল রশ্মি নির্গত হয় । তবে নীল এবং সবুজ রশ্মিও দেখা যায় ।

33. Emission Nebula কয় প্রকার ?
উঃ Emission Nebula এর দুটি গাঠনিক রুপ রয়েছে, যথাঃ H II Region এবং Supernova Remnants

34. H II Region কী ?
যখন কোন তরুণ নীহারিকা তার নিকটবর্তী বা পার্শ্ববর্তী কোন মহাজাগতিক আন্তনক্ষত্র মেঘপুঞ্জকে আয়নিত করে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন (10,000 Kelvin) আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মির বিচ্ছুরণ ঘটায় তখন সেই অবস্থাকে বলা হয় H II Region.
(Astronomers use the term “HII” to refer to Ionised Hydrogen, HI for Neutral Hydrogen) ।

35. Supernova Remnants কী ?
উঃ কোন নক্ষত্র প্রচণ্ড বিস্ফোরণের মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে নক্ষত্রজাত কণিকা ও গ্যাস ছড়িয়ে দিয়ে যে অবস্থার উদ্ভব ঘটে তখন তাকে Supernova Remnants বলা হয় । Taurus এর Crab Nebula এই ধরনের অবস্থার উদাহরণ ।

36. Planetary Nebula কী ?
উঃ যখন কোন নক্ষত্র তার শেষ অবস্থায় পৌঁছে গিয়ে গ্যাসের নিঃসরণ ঘটায় এবং গ্যাসীয় অবরনের সৃষ্টি করে তখন সেই অবস্থাকে বলা হয় Planetary Nebula । এই ধরনের নীহারিকার কেন্দ্রে সাদা বামন নক্ষত্রের উপস্থিতি লক্ষ্যনীয় । The Ring Nebula of Lyra এই ধরনের নীহারিকার প্রকৃষ্ট উদাহরন ।

37. কৃষ্ণগহ্বর (Black Holes) কী ?
উঃ কৃষ্ণগহ্বর হল মহাজাগতিক এক বিশেষ অবস্থা, যে অবস্থায় কোন ধ্বংশপ্রাপ্ত নক্ষত্রের কেন্দ্রে সংঘঠিত মহাকর্ষ শক্তি পার্শ্ববর্তী সকল দ্রুতগামী উপাদানকে এমনকি আলো কেও নিজের দিকে টেনে নিয়ে তাদের পুঞ্জিভূত করতে সক্ষম ।

38. কৃষ্ণগহ্বর এর অস্তিত্ব সম্পর্কে প্রথম কে ধারণা দেন ?
উঃ 1916 সালে Albert Einstein কৃষ্ণগহ্বর এর অস্তিত্ব সম্পর্কে প্রথম ধারণা প্রদান করেন তাঁর “General Theory of Relativity” নামক গ্রন্থে ।

39. Black Hole শব্দটি প্রথম কে প্রয়োগ করেন ?
উঃ আমেরিকান জ্যোতির্বিদ John Archibald Wheeler 1967 সালে NASA Goddard Institute of Space Studies (GISS) এ একটি বক্তৃতায় “Black Hole” শব্দটি প্রয়োগ করেন ।

40. প্রথম Black Hole কখন আবিষ্কার হয় ?
উঃ NASA এর Uhuru X-ray Explorer Satellite এর মাধ্যমে 1971 সালে Cygnus X-1 নামক Black Hole টি প্রথম আবিষ্কার হয় । এই আবিষ্কারের পিছনে Leiden Observatory এর গবেষক Luc Braes ও George K. Miley এবং National Radio Astronomy Observatory এর গবেষক Robert M. Hjellming ও Campbell Wade এর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে ।

➣ Competitive Exam. Geography MCQ

41. প্রথম কখন কোন কৃষ্ণগহ্বরের ছবি তোলা সম্ভব হয় ? 
উঃ 2019 সালের 10 ই এপ্রিল Harvard University and the Harvard-Smithsonian Center for Astrophysics এর বিজ্ঞানী Sheperd Doeleman, Washington, D.C তে আয়োজিত National Press Club এর একটি কনফারেন্স এ ঘোষণা করেন যে Galaxy Messier 87 এর Black hole এর ছবি তোলা সক্ষম হয়েছে । এই ছবি The Event Horizon Telescope এর মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয় ।

42. কৃষ্ণগহ্বরের কয়টি স্তর লক্ষ্য করা যায় ?
উঃ কৃষ্ণগহ্বরের তিনটি স্তর রয়েছে এগুলি হলঃ i) বহিঃ দিগন্ত (Outer Event Horizon), ii) আন্তঃ দিগন্ত (Inner Event Horizon) এবং iii) পরম বিন্দু (Singularity)

43. মহাবিশ্বে স্বীকৃত নক্ষত্রমণ্ডলের (Constellation) সংখ্যা কয়টি ?
উঃ The International Astronomical Union স্বীকৃত নক্ষত্রমণ্ডলের (Constellation) সংখ্যা 88 টি । এদের মধ্যে Aries, Taurus, Gemini, Cancer, Leo, Virgo, Libra, Scorpius, Sagittarius, Capricornus, Aquarius এবং Pisces অন্যতম । Hydra হল বৃহত্তম Constellation ।

44. আমাদের ছায়াপথে অবস্থিত নক্ষত্রমণ্ডলগুলি কীকী ?
উঃ আমাদের ছায়াপথে অবস্থিত নক্ষত্রমণ্ডলগুলি হলঃ Orion, Sagittarius,, Scorpius, Carina এবং Ara ।

45. নক্ষত্র (Star) কী ?
উঃ অভ্যন্তরীণ শক্তির উৎস থেকে প্রাপ্ত বিকিরণের দ্বারা প্রজ্বলিত অর্থাৎ স্ব-আলোকিত এবং নিজস্ব মহাকর্ষ যুক্ত গ্যাসীয় কোনও বৃহৎ মহাজাগতিক উপাদান হল নক্ষত্র । যেমনঃ সূর্য ।

46. গ্রহ (Planet) কী ?
উঃ নিজস্ব অভিকর্ষ বল যুক্ত যে সমস্ত মহাজাগতিক বস্তু নির্দিষ্ট কোন নক্ষত্রের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে তাদের বলা হয় গ্রহ । যেমনঃ পৃথিবী ।

47. গ্রহাণুপুঞ্জ (Asteroids) কী ?
উঃ সৌরজগতের অন্তর্গত ক্ষুদ্র ও পাথুরে যেসমস্ত মহাজাগতিক উপাদান ঝাঁকে ঝাঁকে সূর্যকে কেন্দ্র করে তার চারদিকে আবর্তন করে সেগুলিকে বলা হয় গ্রহাণুপুঞ্জ । মূলতঃ মঙ্গল ও বৃহস্পতির মধ্যবর্তী অংশে এই ধরনের মহাজাগতিক উপাদানের ঝাঁক দেখা যায় ।

48. উপগ্রহ (Satellite) কী ?
উঃ যে সমস্ত মহাজাগতিক উপাদান কোনো গ্রহের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ও নির্দিষ্ট সময়ে আবর্তন তাদের উপগ্রহ বলে । যেমনঃ পৃথিবীর উপগ্রহ চাঁদ ।

49. ধূমকেতু (Comet) কী ?
উঃ উজ্জ্বল মাথা এবং বাষ্পময় সুদীর্ঘ পূচ্ছ বা লেজ যুক্ত যেসমস্ত মহাজাগতিক উপাদান সূর্যকে পরিক্রমন করতে থাকে তাদের বলা হয় ধূমকেতু ।

50. প্রথম কে ধূমকেতু আবিষ্কার করেন ?
উঃ জার্মান মহাকাশবিজ্ঞানী Gottfried Kirch 1680 সালে প্রথম ধূমকেতু আবিষ্কার করেন, যা C/1680 V1 বা Great Comet of 1680 বা Kirch’s Comet বা Newton’s Comet ইত্যাদি নামে পরিচিত ।

51. উল্কা (Meteors) কী ?
উঃ মহাকাশে পরিভ্রমণরত পাথর বা ধাতু দ্বারা গঠিত ছোট মহাজাগতিক বস্তু বা নক্ষত্রের অংশ বিশেষ পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে প্রবেশ করে বায়ুর সংঘর্ষে জ্বলে উঠে পৃথিবী পৃষ্ঠের দিকে ধেয়ে আসে তাদের উল্কা বলা হয় ।

52. পৃথিবীর বুকে প্রাপ্ত বৃহৎ উল্কাটির নাম কী ?
উঃ 1920 সালে Namibia তে পাওয়া যায় বর্তমান পর্যন্ত সর্ববৃহৎ উল্কাটি, যা Hoba Meteorite নামে পরিচিত ।


 


Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page

Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading