NIRYAS.IN

শিক্ষাদান বাগানের মালির মতো

NIRYAS.IN

শিক্ষাদান বাগানের মালির মতো

প্রবন্ধ নির্যাস

Krakatoa’s Children Are Spewing Fire

Krakatoa’s Children Are Spewing

প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত ইন্দোনেশিয়ায় তিন টেকটোনিক পাতের সংঘর্ষে আবারও জেগে উঠেছে ১৮৮৩ সালের ধ্বংসস্তূপ থেকে জন্ম নেওয়া আগ্নেয়গিরি আনাক ক্রাকাতোয়াKrakatoa’s children are spewing! আকাশে ১৫ কিলোমিটার উঁচু ছাইয়ের স্তম্ভ, লাল লাভার নদী এবং আটটি বিমানবন্দর অচল করে দেওয়া এই ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাত প্রকৃতির চরম ক্ষমতারই এক রূপ। পাতের অধোগমন (Subduction), অগ্ন্যুৎপাতের টেকটোনিক কারণ এবং পরিবেশ ও জনজীবনে এর বহুমুখী প্রভাবের সহজ ভৌগোলিক বিশ্লেষণ নিয়ে সাজানো হয়েছে এই প্রতিবেদনটি


➣ Join : Our Telegram Channel

➣ Join : Our Whats App Group


Krakatoa’s Children Are Spewing

আগুন উদ্গীরণ করছে ক্রাকাতোয়ার সন্তান

Krakatoa's Children Are Spewing
Krakatoa’s Children Are Spewing

⟽পূর্ববর্তী প্রবন্ধ:মুহ্যমান আতঙ্কে নেপাল : ধ্বংসলীলার হড়পা বান

প্রাক কথন : বারুদের স্তূপের ওপর বসে থাকা পৃথিবীর এক শান্ত দেশ ইন্দোনেশিয়া। প্রশান্ত মহাসাগরের আগ্নেয় মেখলা (‘Ring of Fire)‘-এর একেবারে কেন্দ্রে অবস্থিত এই দেশে ঘুমিয়ে আছে 130টিরও বেশি জীবন্ত আগ্নেয়গিরি! ভাবতে পারো? সারা পৃথিবীর মোট জীবন্ত আগ্নেয়গিরির প্রায় 13%-ই রয়েছে এই একটি দেশে। কারণ, পৃথিবীর তিন দৈত্য — ইউরেশীয়, ইন্দো-অস্ট্রেলীয় আর প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত — প্রতিনিয়ত এখানে একে অপরের সাথে ধাক্কা খাচ্ছে, একে অপরকে গিলে খাচ্ছে।
আর এই ধাক্কাধাক্কির ফলেই ইতিহাস বারবার কেঁপে উঠেছে। যেমন কেঁপে উঠল গত 5-7 সেপ্টেম্বর, 2026।
জাভা আর সুমাত্রার মাঝে, শান্ত সুন্দা প্রণালীর বুক চিরে হঠাৎ গর্জে উঠল সে। ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর আগ্নেয়গিরিগুলোর একটি — ক্রাকাতোয়ার সন্তান, আনাক ক্রাকাতোয়া!

1883 সালে যে বিস্ফোরণের শব্দ 3,000 কিলোমিটার দূর থেকে শোনা গিয়েছিল, যে ছাইয়ে গোটা পৃথিবীর আকাশ কয়েক মাস অন্ধকার হয়ে ছিল, সেই দানব ক্রাকাতোয়া ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর তারই ছাই-ভস্ম থেকে 1927 সালে জন্ম নিয়েছিল এই সন্তান। আর এবার সেই সন্তানই চোখ রাঙালো পৃথিবীকে।

এবারের অগ্ন্যুৎপাতে প্রায় 50,000 ফুট বা 15 কিলোমিটার উঁচু পর্যন্ত কালো ছাইয়ের কুণ্ডলী আকাশে উঠে গেল। দিন হয়ে গেল রাত। আকাশ জুড়ে বিদ্যুতের ঝলকানি, সমুদ্রে গড়িয়ে পড়ল টকটকে লাল লাভার নদী। ধোঁয়ায় ঢেকে গেল চারদিক, বন্ধ হয়ে গেল ইন্দোনেশিয়ার ৮টি বিমানবন্দর, বাতিল শত শত ফ্লাইট।
এটা শুধু একটা অগ্ন্যুৎপাত নয়, এটা প্রকৃতির এক ভয়ঙ্কর হুঙ্কার — মনে করিয়ে দেওয়া যে, আমরা যতই উন্নত হই না কেন, পৃথিবীর গভীরে ঘুমিয়ে থাকা আগুনের কাছে আমরা আজও কতটা অসহায়!

Krakatoa’s Children Are Spewing

অবস্থান ও টেকটোনিক প্রেক্ষাপট: মানচিত্রে তাকালেই বুঝবে, ইন্দোনেশিয়া এমন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে আছে যাকে ভূগোলবিদরা বলেন “রিং অফ ফায়ার” বা আগুনের মেখলা। প্রশান্ত মহাসাগরকে ঘিরে থাকা এই আংটি পৃথিবীর সবচেয়ে অশান্ত, সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি প্রবণ এলাকা।

আনাক ক্রাকাতোয়ার অবস্থান

কেন এখানেই এত আগ্নেয়গিরি?

এর পেছনে রয়েছে পৃথিবীর ভেতরের তিন দৈত্যের লড়াই। ইন্দোনেশিয়ার ঠিক নিচেই তিনটি বিশাল টেকটোনিক পাত এসে মিলিত হয়েছে — ইন্দো-অস্ট্রেলীয় পাত, ইউরেশীয় পাত এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত ।
এদের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াইটা চলছে ইন্দো-অস্ট্রেলীয় পাত আর ইউরেশীয় পাতের মধ্যে।

কী ঘটছে ভেতরে?
ইন্দো-অস্ট্রেলীয় পাতটি প্রতি বছর 5-6 সেমি করে খুব ধীরে, কিন্তু প্রচণ্ড শক্তিতে ইউরেশীয় পাতের তলা দিয়ে ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। ভূগোলের ভাষায় একে বলে অধোগমন (Subduction)।

এই অধোগমনের ফলে কী হয়?
পাতটি যত ভেতরে ঢোকে, ততই ভূ-গর্ভের প্রচণ্ড চাপ ও তাপে পাথর গলে গিয়ে তৈরি হয় উত্তপ্ত ম্যাগমা। এই ম্যাগমা তখন ওপরের পাতের দুর্বল ফাটল খুঁজে প্রচণ্ড বেগে বাইরে বেরিয়ে আসতে চায় — আর বাইরে বেরিয়ে এসেই জন্ম দেয় একেকটা আগ্নেয়গিরির।

Krakatoa’s Children Are Spewing

আনাক ক্রাকাতোয়া এই ভয়ঙ্কর প্রক্রিয়ারই সরাসরি ফসল। জাভা ও সুমাত্রার মাঝে সুন্দা প্রণালীতে, যেখানে এই অধোগমন সবচেয়ে সক্রিয়, ঠিক সেখানেই 1883 সালের মহাপ্রলয়ের ক্যালডেরার ভেতর থেকে মাথা তুলেছে ক্রাকাতোয়ার এই সন্তান।

আনাক ক্রাকাতোয়া, ধ্বংসের ছাই থেকেই জন্ম নেওয়া নতুন দানব : “আনাক ক্রাকাতোয়া” — নামটার মানেই লুকিয়ে আছে এক রোমহর্ষক ইতিহাস। ইন্দোনেশীয় ভাষায় “আনাক” মানে “সন্তান। অর্থাৎ, “ক্রাকাতোয়ার সন্তান”
কিন্তু এই সন্তানের জন্ম কি সাধারণভাবে হয়েছিল? মোটেই না। এর জন্ম হয়েছিল এক মহাপ্রলয়ের বুক থেকে।

Krakatoa’s Children Are Spewing

1883 সালের সেই অভিশপ্ত দিন; ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটেছিল 1883 সালের 27শে আগস্ট। মূল ক্রাকাতোয়া দ্বীপটি এমন ভয়ঙ্কর শব্দে ফেটে উড়ে গিয়েছিল যে তার আওয়াজ 3,000 কিলোমিটার দূরের অস্ট্রেলিয়া থেকেও শোনা গিয়েছিল। বিজ্ঞানীরা বলেন, সেই বিস্ফোরণ ছিল হিরোশিমার পারমাণবিক বোমার চেয়েও 13,000 গুণ বেশি শক্তিশালী! বিস্ফোরণে সৃষ্টি হয়েছিল 40 মিটার উঁচু সুনামি, আকাশ কয়েক মাসের জন্য অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল, আর প্রাণ হারিয়েছিল প্রায় 36,000 মানুষ। মূল দ্বীপটি পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে সমুদ্রের নিচে তলিয়ে গিয়ে তৈরি করেছিল এক বিশাল ক্যালডেরা বা আগ্নেয়গহ্বর।

মনে হয়েছিল, সব শেষ। ক্রাকাতোয়া চিরতরে ঘুমিয়ে গেছে।

কিন্তু প্রকৃতি হার মানে না…

সেই ধ্বংসস্তূপের ঠিক মাঝখান থেকেই, সমুদ্রের নিচ থেকে 1927 সালে মাথা তুলতে শুরু করল এক নতুন ভূমি। জেলেরা প্রথমে দেখল সমুদ্রের জল ফুটছে, ধোঁয়া উঠছে। ধীরে ধীরে জলের ওপর জেগে উঠল এক কালো পাথুরে দ্বীপ। স্থানীয়রা নাম দিল — আনাক ক্রাকাতোয়া, ক্রাকাতোয়ার সন্তান

এটি একটি স্ট্র্যাটো-ভলকানো বা মিশ্র আগ্নেয়গিরি। এর ভেতরে একের পর এক জমেছে ছাই, লাভা আর পাথরের স্তর। তাই এর অগ্ন্যুৎপাত হয় অত্যন্ত বিস্ফোরক ও ভয়াবহ। বাবার মতোই সেও বারবার প্রমাণ করছে, ধ্বংসের ছাই থেকেই জন্ম নেয় আরও ভয়ঙ্কর দানব।

Krakatoa’s Children Are Spewing

সাম্প্রতিক অগ্ন্যুৎপাতের প্রকৃতি : এবারের অগ্ন্যুৎপাত মোটেও সাধারণ লাভা গড়িয়ে পড়া নয়। বিজ্ঞানীরা একে বলছেন Vulcanian ও Plinian — অর্থাৎ সবচেয়ে বিস্ফোরক ও ভয়ঙ্কর প্রকৃতির অগ্ন্যুৎপাত
চলো, ভেতরে কী ঘটেছিল একটু সহজ করে বুঝি:
i. বিস্ফোরক উদগীরণ যেন প্রেসার কুকার ফেটে পড়া! : আনাক ক্রাকাতোয়ার লাভা সাধারণ লাভার মতো পাতলা নয়, এটি অ্যান্ডেসাইট নামে এক ধরনের খুব আঠালো ও ঘন লাভা। এই আঠালো লাভা ওপরে উঠে এসে আগ্নেয়গিরির মুখ বা জ্বালামুখটাকে একেবারে সিমেন্টের মতো আটকে দেয়।
ভেতরে তখন কী হয়? ভেতরে গ্যাস আর ম্যাগমা আটকে পড়ে প্রচণ্ড চাপ তৈরি করে — ঠিক যেমন প্রেসার কুকারের মুখ বন্ধ করে দিলে ভেতরে চাপ বাড়ে। চাপ যখন আর সহ্য করতে পারে না, তখন কান ফাটানো শব্দে পুরো মুখটাই উড়িয়ে দিয়ে বিস্ফোরণ ঘটে!
ii. ছাই স্তম্ভ — আকাশ ছোঁয়া মৃত্যু-স্তম্ভ! : এই বিস্ফোরণের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দৃশ্য ছিল এর ছাই স্তম্ভ (Eruption Column)। এবার ছাই মাত্র 1-2 কিমি নয়, সরাসরি স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে উঠে গেছে — জাভার দিকে 6 কিমি আর সুমাত্রার দিকে প্রায় 15 কিমি বা 50,000 ফুট উঁচু পর্যন্ত! এই কালো ছাইয়ের স্তম্ভ এতটাই ঘন ছিল যে দিনের আলোতেও চারদিক রাতের মতো অন্ধকার হয়ে গিয়েছিল, আর এই ছাইয়ের কারণেই 8টি বিমানবন্দর বন্ধ করে দিতে হয়েছে।
iii. পাইরোক্লাস্টিক প্রবাহ — আগুনের তুষারধস! : এটাই সবচেয়ে আতঙ্কের বিষয়। বিজ্ঞানীদের সবচেয়ে ভয় ছিল পাইরোক্লাস্টিক প্রবাহ নিয়ে।
এটা কী? বিস্ফোরণের পর 700-1000 ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম ছাই, বিষাক্ত গ্যাস আর জ্বলন্ত পাথরের মিশ্রণ ঘণ্টায় 200-300 কিমি বেগে পাহাড়ের ঢাল বেয়ে নিচে নেমে আসে। একে বলে আগুনের তুষারধস। এর সামনে যা পড়ে, সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়, শ্বাস নেওয়াও অসম্ভব হয়ে পড়ে। সৌভাগ্যবশত এবার এর বড় আকারের প্রবাহ সমুদ্রেই মিশে গেছে, না হলে ক্ষয়ক্ষতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।

Krakatoa’s Children Are Spewing

ভৌগোলিক প্রভাব: আকাশ থেকে মাটি, সবখানেই তার ছাপ! : এই অগ্ন্যুৎপাত শুধু একটা পাহাড়ের ফেটে পড়া নয়, এর প্রভাব পড়েছে আকাশ থেকে শুরু করে মানুষের জীবন পর্যন্ত সর্বত্র।
i. বায়ুমণ্ডলীয় প্রভাব — আগ্নেয়গিরি থেকে বেরোনো ছাই সাধারণ ছাই নয়। একে বলে Volcanic Ash — কাঁচের মতো ধারালো, সূক্ষ্ম সিলিকার কণায় ভরা। এই ছাই বাতাসে ভেসে গিয়ে ঢেকে দিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা, বানতেন ও লাম্পুং প্রদেশের আকাশ। এই ছাই এতটাই বিপজ্জনক যে এটি বিমানের ইঞ্জিনে ঢুকে ইঞ্জিনকে গলিয়ে বিকল করে দিতে পারে! তাই প্রাণহানির আশঙ্কায় প্রশাসন একসাথে 8টি বিমানবন্দর বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়, বাতিল হয় শত শত ফ্লাইট।
ii. জলবায়ুগত প্রভাব — আগ্নেয়গিরি থেকে বেরিয়েছে প্রচুর সালফার ডাই-অক্সাইড (SO₂) গ্যাস। এই গ্যাস ওপরে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে গিয়ে জলীয় বাষ্পের সাথে মিশে তৈরি করেছে সালফেট এরোসল-এর এক পাতলা চাদর।
এই চাদর কী করে? এটি আয়নার মতো সূর্যের আলোকে মহাকাশে ফিরিয়ে দেয়। ফলে পৃথিবীতে সূর্যের আলো কম আসে এবং সাময়িকভাবে তাপমাত্রা 0.2 থেকে 0.5 ডিগ্রি কমে যেতে পারে। 1883 সালে মূল ক্রাকাতোয়া বিস্ফোরণের পর তো সারা পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রায় 1 বছরের জন্য কমে গিয়েছিল!
iii. মানব ভূগোলের উপর প্রভাব — এটাই ভূগোলের সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য। ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপে মাত্র 1 লক্ষ বর্গকিমি জায়গায় বাস করে 14 কোটি মানুষ — পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দ্বীপ! তারা এখানেই থাকে কেন? কারণ, আগ্নেয়গিরির ছাইয়ে তৈরি মাটি পৃথিবীর সবচেয়ে উর্বর মাটিগুলোর একটি। এই মাটিতেই ফলে সোনার ফসল। কিন্তু এই আশীর্বাদই আবার অভিশাপ। অতি ঘনবসতির কারণে ঝুঁকিও সবচেয়ে বেশি। এবারের অগ্ন্যুৎপাতেই প্রায় 3.4 লক্ষ বিমানযাত্রী আটকে পড়েছে, হাজার হাজার স্কুল বন্ধ, আর সুন্দা প্রণালীর হাজার হাজার মৎস্যজীবীর জীবিকা এক রাতেই শেষ হয়ে গেছে ছাইয়ের চাদরে।

Krakatoa’s Children Are Spewing

উপসংহার: আগুনের সাথেই বাঁচতে শেখা — আনাক ক্রাকাতোয়ার এই জেগে ওঠা আমাদের আবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল — ইন্দোনেশিয়ার মানচিত্র আজও তৈরি হচ্ছে, আজও অসম্পূর্ণ। পাত সঞ্চালন তত্ত্ব (Plate Tectonic Theory) অনুযায়ী, যতদিন ইন্দো-অস্ট্রেলীয় পাত ইউরেশীয় পাতের নিচে ঢুকতে থাকবে, ততদিন এই আগুনের আংটি নিভবে না। আগ্নেয়গিরি ফুঁসবেই, ভূমিকম্প হবেই।
তাই এই দানবকে আটকানো আমাদের কাজ নয়। আমাদের কাজ হলো — উন্নত স্যাটেলাইট মনিটরিং, দ্রুত পূর্বাভাস, এবং শক্তিশালী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই প্রকৃতির সাথেই সহাবস্থান করতে শেখা। কারণ, ইন্দোনেশিয়ার মানুষের কাছে আগ্নেয়গিরি একই সাথে ধ্বংসের দেবতা আর সৃষ্টির দেবতা — দুটোই।


Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page

Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading