Madhyamik Life sci Model Answers-3/2
Madhyamik Life Sci Model Answers-3
মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছ? জীবনবিজ্ঞান বিষয়ে 90-এ 90 পাওয়ার স্বপ্ন দেখছ? তাহলে তোমার এই প্রস্তুতিকে এক ধাপ এগিয়ে নিতে আমরা নিয়ে এসেছি মাধ্যমিক (জীবন বিজ্ঞান) (Madhyamik Life Sci Model Answers-3) (উত্তরসহ)। নতুন ও আপডেটেড সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি এই মডেল প্রশ্নপত্রটিতে রয়েছে 15টি MCQ (ব্যাখ্যা সহ), 21টি অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, 24 নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং 30 নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন সহ প্রতিটি বিভাগের নির্ভুল ও সম্পূর্ণ সমাধান। প্রতিটি উত্তরের সাথে উৎস উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা সহজেই মূল পাঠ্যবইয়ের সাথে মিলিয়ে নিতে পারে।
Madhyamik Life Sci Model Answers-3

Life Science(জীবন বিজ্ঞান)
(Part-2)
বিভাগ – ঘ: রচনাধর্মী – পূর্ণাঙ্গ উত্তর
4.1 নিউরনের গঠন চিত্র সহ বর্ণনা
উত্তর : নিউরন হল স্নায়ুতন্ত্রের গঠনগত ও কার্যগত একক। মানবদেহে প্রায় 100 বিলিয়ন নিউরন থাকে।
গঠন:
i) কোষদেহ বা সোমা: এর মধ্যে একটি বড় নিউক্লিয়াস এবং চারপাশে সাইটোপ্লাজম থাকে। সাইটোপ্লাজমে নিসল দানা বা টাইগ্রয়েড বডি থাকে যা রুক্ষ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম। এটি প্রোটিন সংশ্লেষ করে। কোষদেহে সেন্ট্রিওল থাকে না, তাই নিউরন বিভাজিত হয় না।
ii) ডেনড্রাইট বা ডেনড্রন: কোষদেহ থেকে বের হওয়া ছোট, শাখা-প্রশাখাযুক্ত প্রবর্ধক। এটি অন্য নিউরন বা গ্রাহক থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে কোষদেহে নিয়ে আসে। একটি নিউরনে অনেকগুলি ডেনড্রাইট থাকতে পারে।
iii) অ্যাক্সন: কোষদেহ থেকে বের হওয়া একটি দীর্ঘ, মোটা প্রবর্ধক। এটি উদ্দীপনা কোষদেহ থেকে দূরে বহন করে নিয়ে যায়। অ্যাক্সনের উপর সোয়ান কোষ দ্বারা গঠিত মায়েলিন সিদ থাকে যা অন্তরক হিসাবে কাজ করে এবং উদ্দীপনা দ্রুত পরিবহনে সাহায্য করে। মায়েলিনের ফাঁকে ফাঁকে র্যানভিয়ারের পর্ব থাকে যেখানে লবণাক্ত পরিবহন বা Saltatory conduction ঘটে।
iv) সাইন্যাপটিক নব: অ্যাক্সনের শেষ প্রান্ত ফুলে যে বোতামের মতো অংশ গঠন করে। এর মধ্যে সাইন্যাপটিক ভেসিকল থাকে যাতে অ্যাসিটাইলকোলিন, ডোপামিনের মতো নিউরোট্রান্সমিটার থাকে। এটি পরবর্তী নিউরনের ডেনড্রাইটের সাথে সাইন্যাপস গঠন করে।
কাজ: i) উদ্দীপনা গ্রহণ ও পরিবহন করা। ii) পরিবেশের তথ্য মস্তিষ্কে পাঠানো ও মস্তিষ্কের আদেশ কার্যকর অঙ্গে পাঠানো। iii) স্মৃতি, চিন্তা, বুদ্ধি ধারণ করা। প্রকার: সংজ্ঞাবহ নিউরন (গ্রাহক থেকে CNS), আজ্ঞাবহ (CNS থেকে পেশি), সহযোগী (CNS-এর ভিতরে সংযোগ)।
4.2 উদ্ভিদ হরমোন কাকে বলে? 5টি হরমোনের কাজ
উদ্ভিদ হরমোন: উদ্ভিদের বৃদ্ধি, বিকাশ, চলন ও বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী বিশেষ জৈব-রাসায়নিক পদার্থ যা উদ্ভিদের কোনো নির্দিষ্ট স্থানে অত্যন্ত অল্প পরিমাণে তৈরি হয়ে অন্য স্থানে গিয়ে কাজ করে, তাকে ফাইটোহরমোন বলে। এটি স্টার্লিং এর ধারণা অনুযায়ী কাজ করে।
i) অক্সিন (IAA – ইন্ডোল অ্যাসিটিক অ্যাসিড): প্রধান বৃদ্ধি হরমোন। কাজ: কাণ্ডের অগ্রস্থ বৃদ্ধি, ফটোট্রপিজম ও জিওট্রপিজম নিয়ন্ত্রণ, পার্শ্বীয় মুকুলের বৃদ্ধি রোধ (অগ্রস্থ প্রকটতা), ফল ঝরা রোধ, পার্থেনোকার্পিক ফল তৈরি, আগাছা নাশক হিসাবে ব্যবহার। বেশি ঘনত্বে বৃদ্ধি রোধক।
ii) জিব্বেরেলিন (GA3): কাজ: বীজের সুপ্তাবস্থা ভঙ্গ করে অঙ্কুরোদগম ঘটায়, পর্বমধ্যের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি (ধানে বাকানি রোগ), বীজহীন আঙুর তৈরি, ফুল ফোটাতে সাহায্য।
iii) সাইটোকাইনিন (কাইনেটিন, জিয়াটিন): কাজ: কোষ বিভাজন বা সাইটোকাইনেসিস ঘটায়, ক্লোরোফিল বিনাশ রোধ করে বার্ধক্য রোধ করে, অগ্রস্থ প্রকটতা নষ্ট করে পার্শ্বীয় শাখা বৃদ্ধি করে।
iv) ইথিলিন (C2H4): একমাত্র গ্যাসীয় হরমোন। কাজ: ফল পাকাতে সাহায্য করে (আম, কলা), ফুল ফোটানো, পাতা ও ফল ঝরানো, লিঙ্গ নির্ধারণে সাহায্য।
v) ABA (অ্যাবসিসিক অ্যাসিড): বৃদ্ধি রোধক হরমোন বা স্ট্রেস হরমোন। কাজ: পাতা, ফুল, ফল ঝরানো, কুঁড়ি ও বীজের সুপ্তাবস্থা বজায় রাখা, খরার সময় পত্ররন্ধ্র বন্ধ করে বাষ্পমোচন রোধ।
Madhyamik Life Sci Model Answers-3
4.3 মিয়োসিস কোষ বিভাজনের গুরুত্ব ও দশা
গুরুত্ব:
i) ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা: মিয়োসিসে 2n থেকে n হয়, তাই নিষেকের পর দুটি n গ্যামেট মিলে আবার 2n হয়, প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা একই থাকে।
ii) প্রকরণ সৃষ্টি: প্রোফেজ-I এর প্যাকাইটিন উপদশায় ক্রসিং ওভার ও কায়াজমা গঠনের ফলে নতুন জিন বিন্যাসের গ্যামেট তৈরি হয়, প্রকরণ সৃষ্টি হয় যা বিবর্তনের কাঁচামাল।
iii) যৌন জননের ভিত্তি: মিয়োসিস ছাড়া যৌন জনন সম্ভব নয়।
দশা: মিয়োসিস পরপর দুবার ঘটে – মিয়োসিস-I হ্রাস বিভাজন এবং মিয়োসিস-II সম বিভাজন।
মিয়োসিস-I:
i) প্রোফেজ-I (সবচেয়ে দীর্ঘ): 5টি উপদশা – লেপ্টোটিনে ক্রোমোজোম দৃশ্যমান, জাইগোটিনে সমসংস্থ ক্রোমোজোম জোড়া বাঁধে (সাইন্যাপসিস, বাইভ্যালেন্ট), প্যাকাইটিনে ক্রসিং ওভার হয়, ডিপ্লোটিনে কায়াজমা দেখা যায়, ডায়াকাইনেসিসে নিউক্লিয় পর্দা লোপ পায়।
ii) মেটাফেজ-I: বাইভ্যালেন্ট ক্রোমোজোম বিষুব অঞ্চলে সজ্জিত হয়।
iii) অ্যানাফেজ-I: সমসংস্থ ক্রোমোজোম আলাদা হয়ে দুই মেরুতে যায়, সেন্ট্রোমিয়ার ভাগ হয় না।
iv) টেলোফেজ-I: দুটি n ক্রোমোজোমযুক্ত কোষ তৈরি হয়।
মিয়োসিস-II: মাইটোসিসের মতোই – প্রোফেজ-II, মেটাফেজ-II, অ্যানাফেজ-II তে সেন্ট্রোমিয়ার ভাগ হয়, টেলোফেজ-II তে 4টি হ্যাপ্লয়েড (n) কোষ তৈরি হয়।
4.4 উদ্ভিদের অযৌন জনন – খন্ডীভবন, কোরকোদগম, পুনরুৎপাদন
i) খন্ডীভবন (Fragmentation): বহুকোষী শৈবাল ও কিছু প্রাণীর দেহ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কয়েকটি খণ্ডে ভেঙে যায় এবং প্রতিটি খণ্ড থেকে একটি নতুন জীব সৃষ্টি হয়। যেমন – স্পাইরোগাইরা শৈবাল জলের স্রোতে ভেঙে প্রতিটি খণ্ড থেকে নতুন ফিলামেন্ট তৈরি করে। স্পঞ্জেও হয়। এটি স্বাভাবিক জনন।
ii) কোরকোদগম (Budding): জনন দেহের উপর একটি ছোট ফোলা অংশ বা কুঁড়ি বা কোরক সৃষ্টি হয়। কোরকটি বৃদ্ধি পেয়ে মাতৃদেহে আটকে থেকেই ছোট জীব গঠন করে এবং পরে আলাদা হয়ে স্বাধীন জীব হিসাবে বাঁচে। যেমন – হাইড্রা নামক নিডারিয়ান প্রাণীতে গ্রীষ্মকালে, ইস্টে। কোরকটি মাইটোসিস বিভাজনে তৈরি হয়।
iii) পুনরুৎপাদন (Regeneration): কোনো প্রাণীর দেহ আঘাতে কেটে গেলে বা খণ্ডিত হলে সেই খণ্ডিত অংশ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ নতুন প্রাণী তৈরি হওয়াকে পুনরুৎপাদন বলে। যেমন – প্ল্যানেরিয়াকে 3 টুকরো করলে 3টি প্ল্যানেরিয়া হয়, তারামাছের একটি বাহু কেটে গেলে সেই বাহু থেকে নতুন তারামাছ হয়। উন্নত প্রাণীতে পূর্ণ পুনরুৎপাদন হয় না, শুধু ক্ষত নিরাময় হয়, যেমন মানুষের চামড়া কেটে গেলে জোড়া লাগে।
এছাড়া রেণু উৎপাদন, বাল্ব (পেঁয়াজ), রানার (ঘাস), কন্দ (আলু) দ্বারাও অযৌন জনন হয়।
4.5 মানুষের লিঙ্গ নির্ধারণ ও বর্ণান্ধতার বংশগতি
লিঙ্গ নির্ধারণ: মানুষে 23 জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে 22 জোড়া অটোজোম ও 1 জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম। স্ত্রীতে XX, পুরুষে XY। মায়ের সব ডিম্বাণুতে 22+X ক্রোমোজোম থাকে। বাবার 50% শুক্রাণুতে 22+X এবং 50% শুক্রাণুতে 22+Y থাকে। যদি X শুক্রাণু ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে তবে কন্যা (XX) এবং Y শুক্রাণু নিষিক্ত করলে পুত্র (XY) সন্তান হয়। তাই লিঙ্গ নির্ধারণে বাবা দায়ী, মা নয়। এটি 50:50 সম্ভাবনা।
বর্ণান্ধতা কীভাবে বংশগত হয়: বর্ণান্ধতা হল X-ক্রোমোজোম সংযোজিত প্রচ্ছন্ন রোগ। এর জিন X ক্রোমোজোমে থাকে। লাল-সবুজ রঙ চেনা যায় না।
ধরা যাক, বাহক মা $X^C X$ x স্বাভাবিক বাবা XY
গ্যামেট: মায়ের $X^C$ ও X, বাবার X ও Y
সন্তান: $X^C X$ = বাহক কন্যা 25%, XX = স্বাভাবিক কন্যা 25%, $X^C Y$ = আক্রান্ত পুত্র 50% এর মধ্যে 25%, XY = স্বাভাবিক পুত্র 25%।
অর্থাৎ ছেলেদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এটি ক্রিস-ক্রস বংশগতি দেখায় – বাবার বৈশিষ্ট্য নাতনির মধ্যে দিয়ে পুত্রে যায়। যদি বাবা আক্রান্ত $X^C Y$ এবং মা বাহক $X^C X$ হয় তবে 50% কন্যাও আক্রান্ত হতে পারে।
4.6 ডারউইনবাদের ত্রুটি ও নব্য ডারউইনবাদ
ডারউইনবাদের ত্রুটি:
i) প্রকরণের উৎস ও কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেননি – মিউটেশন, ক্রসিং ওভার সম্পর্কে জানতেন না।
ii) অর্জিত বৈশিষ্ট্য ও সহজাত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পার্থক্য করেননি।
iii) নিরপেক্ষ ও ক্ষতিকর প্রকরণ কীভাবে নির্বাচিত হয় ব্যাখ্যা নেই।
iv) যোগ্যতমের উদবর্তন বংশগত হয় কিভাবে, তার জিনতাত্ত্বিক ভিত্তি দেননি।
v) সংযোগ রক্ষাকারী প্রাণী, অঙ্গের ব্যবহার ও অব্যবহারের ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
নব্য ডারউইনবাদ বা আধুনিক সংশ্লেষণ মতবাদ: ডারউইন + মেন্ডেল + মিউটেশন + জনসংখ্যা জিনতত্ত্ব মিলে এই মতবাদ। প্রবক্তা ফিশার, হ্যালডেন, ডবঝানস্কি, মায়ার। মতে বিবর্তনের কারণ:
i) জিন মিউটেশন ও ক্রোমোজোম মিউটেশন এবং ক্রসিং ওভারে নতুন প্রকরণ সৃষ্টি।
ii) প্রাকৃতিক নির্বাচন যোগ্য প্রকরণকে টিকিয়ে রাখে।
iii) জিন প্রবাহ, জেনেটিক ড্রিফট, প্রজননগত বিচ্ছিন্নতা দ্বারা নতুন প্রজাতি সৃষ্টি হয়। এটিই বর্তমানে গ্রহণযোগ্য বিবর্তনবাদ।
➣[ডাউনলোড করুন]: মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান মডেল উত্তরপত্র (PDF)
Madhyamik Life Sci Model Answers-3
4.7 ক্যাকটাসের মরু অভিযোজন চিত্র সহ ও পায়রার বায়ুথলি
ক্যাকটাসের মরু অভিযোজন:
i) পাতা কাঁটায় পরিণত: পাতা কাঁটায় পরিণত হয়ে বাষ্পমোচন প্রায় বন্ধ করে দেয় এবং তৃণভোজী প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা করে।
ii) কাণ্ড রসালো ফাইলোক্ল্যাড: কাণ্ড মোটা, সবুজ, রসালো হয়ে জল সঞ্চয় করে এবং চ্যাপ্টা হয়ে সালোকসংশ্লেষ করে।
iii) কিউটিকল পুরু ও মোমযুক্ত: কাণ্ডের উপর পুরু মোমের আস্তরণ জল বের হতে দেয় না।
iv) পত্ররন্ধ্র কম ও রাতে খোলে: পত্ররন্ধ্র সংখ্যায় কম এবং দিনে বন্ধ থাকে, রাতে খুলে CAM সালোকসংশ্লেষণে CO2 নেয়।
v) মূল গভীর ও বিস্তৃত: মূল মাটির গভীরে যায় এবং পাশেও ছড়িয়ে বৃষ্টির জল দ্রুত শোষণ করে।
পায়রার বায়ুথলির কাজ: পায়রার 9টি বায়ুথলি থাকে। কাজ: i) দেহ হালকা করে উড্ডয়নে সাহায্য। ii) উড়ন্ত অবস্থায় অতিরিক্ত $O_2$ সঞ্চয় করে। iii) দেহের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ও জল সাম্য রক্ষা। iv) দেহের ভারসাম্য রক্ষা ও প্লবতা বজায়। v) অন্ত্রের উপর চাপ কমায় ও শব্দ উৎপাদনে সাহায্য।
4.8 নাইট্রোজেন চক্রে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়ার ভূমিকা
i) নাইট্রোজেন স্থিতিকরণ: বায়ুর $N_2$ কে $NH_3$ তে পরিণত করা।
– মিথোজীবী – রাইজোবিয়াম (মটর, ছোলা, বাদামের মূলে)।
– মুক্তজীবী – অ্যাজোটোব্যাকটর (বায়ুজীবী), ক্লস্ট্রিডিয়াম (অবায়ুজীবী)।
– সায়ানোব্যাকটেরিয়া – নস্টক, অ্যানাবেনা।
এদের নাইট্রোজিনেজ উৎসেচক কাজ করে, লেগহিমোগ্লোবিন $O_2$ নিয়ন্ত্রণ করে।
ii) অ্যামোনিফিকেশন: Bacillus mycoides, Bacillus ramosus মৃত জীব ও বর্জ্য থেকে $NH_3$ তৈরি করে।
iii) নাইট্রিফিকেশন:
– নাইট্রোসোমোনাস – $2NH_3 + 3O_2 \rightarrow 2NO_2^- + 2H^+ + 2H_2O$
– নাইট্রোব্যাকটর – $2NO_2^- + O_2 \rightarrow 2NO_3^-$। এই $NO_3^-$ উদ্ভিদ গ্রহণ করে।
iv) ডিনাইট্রিফিকেশন: সিউডোমোনাস ডিনাইট্রিফিক্যান্স, থায়োব্যাসিলাস ডিনাইট্রিফিক্যান্স $NO_3^-$ কে $N_2$ তে পরিণত করে বায়ুমণ্ডলে ফিরিয়ে দেয়।
4.9 দূষণ কী? বায়ু দূষণের কারণ ও প্রতিকার
দূষণ: পরিবেশে প্রাকৃতিক বা মনুষ্য সৃষ্ট ক্ষতিকর পদার্থের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতির ফলে পরিবেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে জীবের ক্ষতি হওয়াকে দূষণ বলে। দূষক হল $CO, SO_2, NO_2, SPM, CFC, DDT$ ইত্যাদি।
বায়ু দূষণের কারণ:
i) কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া – কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাইঅক্সাইড, সালফার ডাইঅক্সাইড, নাইট্রোজেন ডাইঅক্সাইড, ভাসমান কণা (SPM)।
ii) জীবাশ্ম জ্বালানি দহন, দাবানল, আবর্জনা পোড়ানো।
iii) কীটনাশক স্প্রে, CFC, ধোঁয়াশা, PAN।
প্রতিকার:
i) বেশি গাছ লাগানো, বন সংরক্ষণ, JFM।
ii) ইলেকট্রিক গাড়ি, CNG, বাইসাইকেল, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ব্যবহার।
iii) কলকারখানার চিমনিতে ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর, স্ক্রাবার, ফিল্টার লাগানো।
iv) নবীকরণযোগ্য শক্তি – সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি ব্যবহার।
v) কঠোর আইন প্রয়োগ, জনসচেতনতা, মাস্ক ব্যবহার, ধূমপান বর্জন।
Discover more from NIRYAS.IN
Subscribe to get the latest posts sent to your email.