Madhyamik Life sci Model Answers-9/2
Madhyamik Life Sci Model Answers-9
মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছ? জীবনবিজ্ঞান বিষয়ে 90-এ 90 পাওয়ার স্বপ্ন দেখছ? তাহলে তোমার এই প্রস্তুতিকে এক ধাপ এগিয়ে নিতে আমরা নিয়ে এসেছি মাধ্যমিক (জীবন বিজ্ঞান) (Madhyamik Life Sci Model Answers-9) (উত্তরসহ)। নতুন ও আপডেটেড সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি এই মডেল প্রশ্নপত্রটিতে রয়েছে 15টি MCQ (ব্যাখ্যা সহ), 21টি অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, 24 নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং 30 নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন সহ প্রতিটি বিভাগের নির্ভুল ও সম্পূর্ণ সমাধান। প্রতিটি উত্তরের সাথে উৎস উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা সহজেই মূল পাঠ্যবইয়ের সাথে মিলিয়ে নিতে পারে।
Madhyamik Life Sci Model Answers-9

Life Science(জীবন বিজ্ঞান)
(Part-2)
বিভাগ – ঘ: রচনাধর্মী
4.1 স্নায়ুতন্ত্র কী? কেন্দ্রীয় ও প্রান্তীয় কাজ
স্নায়ুতন্ত্র: যে তন্ত্র নিউরন দিয়ে গঠিত, উদ্দীপনা গ্রহণ, বহন ও সাড়া দিয়ে দেহের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে স্নায়ুতন্ত্র বলে।
কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র – CNS (মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড):
i) মস্তিষ্ক – চিন্তা, স্মৃতি, বুদ্ধি, ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। গুরুমস্তিষ্কে ঐচ্ছিক কাজ, লঘুমস্তিষ্কে ভারসাম্য, সুষুম্নাশীর্ষকে শ্বাস, হৃদস্পন্দন।
ii) সুষুম্নাকাণ্ড – প্রতিবর্ত ক্রিয়ার কেন্দ্র, মস্তিষ্ক ও দেহের মধ্যে যোগাযোগ।
প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র – PNS (12 জোড়া করোটিক + 31 জোড়া সুষুম্না স্নায়ু):
i) সংজ্ঞাবহ স্নায়ু – গ্রাহক থেকে CNS এ বার্তা আনে।
ii) আজ্ঞাবহ স্নায়ু – CNS থেকে কারকে আদেশ নিয়ে যায়।
iii) স্বয়ংক্রিয় স্নায়ুতন্ত্র – সিমপ্যাথেটিক (জরুরি – হৃদস্পন্দন বাড়ায়) ও প্যারাসিমপ্যাথেটিক (বিশ্রাম – হৃদস্পন্দন কমায়) – অনৈচ্ছিক অঙ্গ নিয়ন্ত্রণ করে।
Madhyamik Life Sci Model Answers-9
4.2 উদ্ভিদের চলন কত প্রকার? ট্রপিক ও ন্যাস্টিক পার্থক্য
চলন 3 প্রকার: i) ট্যাকটিক – সমগ্র উদ্ভিদ চলন (ক্ল্যামাইডোমোনাস আলোর দিকে)। ii) ট্রপিক – অঙ্গের বক্র চলন, গতিপথ নির্ভর। iii) ন্যাস্টিক – অঙ্গের চলন, তীব্রতা নির্ভর।
ট্রপিক চলন ন্যাস্টিক চলন
উদ্দীপকের গতিপথ অনুযায়ী বাঁকে গতিপথ নিরপেক্ষ, তীব্রতায় ঘটে
বৃদ্ধি নির্ভর, অক্সিন দ্বারা, স্থায়ী টারগর চাপে, অক্সিন নয়, সাময়িক
ধীর (ঘণ্টা-দিন) দ্রুত (সেকেন্ড-মিনিট)
উদা: ফটোট্রপিজম কাণ্ড আলোর দিকে উদা: লজ্জাবতী স্পর্শে নুয়ে পড়ে
4.3 কোষ বিভাজন কী? প্রকারভেদ, মাইটোসিসের গুরুত্ব
কোষ বিভাজন: মাতৃকোষ থেকে অপত্য কোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়া।
প্রকারভেদ: i) অ্যামাইটোসিস – সরাসরি, ব্যাকটেরিয়ায়। ii) মাইটোসিস – সমবিভাজন, 2n→2n, দেহকোষে। iii) মিয়োসিস – হ্রাস বিভাজন, 2n→n, জনন কোষে।
মাইটোসিসের গুরুত্ব: আগের উত্তরে দিয়েছি – বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ, অযৌন জনন, জিনগত স্থিতিশীলতা, ক্রোমোজোম সংখ্যা রক্ষা।
4.4 স্ত্রী জননতন্ত্র চিত্র সহ
i) ডিম্বাশয়: দুটি, বাদাম আকার, ডিম্বাণু তৈরি ও ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন ক্ষরণ, প্রতি মাসে 1টি ডিম্বাণু নিঃসরণ (ডিম্বস্ফোটন)।
ii) ফ্যালোপিয়ান নালি বা ডিম্বনালি: দুটি, ডিম্বাশয় থেকে ডিম্বাণু জরায়ুতে নিয়ে যায়, নিষেক এখানেই হয় (অ্যাম্পুলায়)।
iii) জরায়ু: নাসপাতি আকার, পুরু পেশিময় প্রাচীর, ভ্রূণ এখানে 9 মাস বৃদ্ধি পায়, এন্ডোমেট্রিয়াম ঋতুচক্রে ভাঙে।
iv) সারভিক্স: জরায়ুর নিচের সরু অংশ।
v) যোনি: পেশিময় নালি, জনন পথ ও প্রসব পথ, শুক্রাণু প্রবেশ করে।
➣[ডাউনলোড করুন]: মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান মডেল উত্তরপত্র (PDF)
4.5 মেন্ডেলের একসংকর জনন পরীক্ষা চেকার বোর্ড সহ
পরীক্ষা: বিশুদ্ধ লম্বা TT x বিশুদ্ধ বেঁটে tt → গ্যামেট T x t → F1 সব Tt লম্বা (প্রকট)। F1 x F1 (Tt x Tt) → গ্যামেট T,t x T,t →
চেকার বোর্ড 4 ঘর:
TT – লম্বা, Tt – লম্বা, Tt – লম্বা, tt – বেঁটে
ফিনোটাইপ 3:1 (3 লম্বা : 1 বেঁটে), জিনোটাইপ 1:2:1 (1 TT : 2 Tt : 1 tt)।
সূত্র: পৃথকীকরণ সূত্র – গ্যামেট গঠনের সময় অ্যালিল জোড়া পৃথক হয়ে যায়।
Madhyamik Life Sci Model Answers-9
4.6 ডারউইনের মতবাদ ও ত্রুটি
ডারউইনবাদ (1859 – Origin of Species):
i) অত্যধিক বংশবৃদ্ধি – জীব সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বাড়ে।
ii) সীমিত খাদ্য ও বাসস্থান – সংগ্রাম সৃষ্টি।
iii) অস্তিত্বের সংগ্রাম – অন্তঃপ্রজাতি, আন্তঃপ্রজাতি, পরিবেশের সাথে।
iv) প্রকরণ – জীবের মধ্যে পার্থক্য থাকে।
v) যোগ্যতমের উদবর্তন ও প্রাকৃতিক নির্বাচন – উপযুক্ত প্রকরণ টিকে থাকে, বাকিরা লুপ্ত।
vi) নতুন প্রজাতি সৃষ্টি – প্রকরণ জমে নতুন প্রজাতি।
ত্রুটি: i) প্রকরণের উৎস ও বংশগতি ব্যাখ্যা করতে পারেনি (জিন সম্পর্কে জানা ছিল না)। ii) অর্জিত বৈশিষ্ট্য নিয়ে ভুল। iii) যোগ্যতম মানে শুধু শক্তিশালী ভেবেছিলেন, নিরপেক্ষ প্রকরণ ব্যাখ্যা করেনি। iv) সংযোগী প্রাণীর ব্যাখ্যা নেই। v) মিউটেশনের ভূমিকা বলেননি।
4.7 অভিযোজন কী? ক্যাকটাস ও সুন্দরী গাছের অভিযোজন
অভিযোজন: পরিবেশে টিকে থাকার জন্য জীবের স্থায়ী গঠনগত ও শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন।
ক্যাকটাস – মরু উদ্ভিদ: i) পাতা কাঁটায় পরিণত, বাষ্পমোচন কম। ii) কাণ্ড রসালো, ফাইলোক্ল্যাড, জল সঞ্চয় ও সালোকসংশ্লেষ করে। iii) পুরু কিউটিকল, পত্ররন্ধ্র রাতে খোলে (CAM উদ্ভিদ)। iv) মূল অগভীর, বিস্তৃত, দ্রুত জল শোষণ।
সুন্দরী – লবণাম্বু/ম্যানগ্রোভ: i) শ্বাসমূল বা নিউমাটোফোর – লবণাক্ত কর্দমাক্ত মাটিতে $O_2$ এর জন্য খাড়া শ্বাসমূল। ii) জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম – বীজ গাছে থাকতেই অঙ্কুরিত হয়, পড়ে কাদায় আটকায়। iii) লবণ গ্রন্থি – অতিরিক্ত লবণ বের করে। iv) পুরু কিউটিকল, পাতায় মোম, লবণ সহ্য।
Madhyamik Life Sci Model Answers-9
4.8 হটস্পট কী? ভারতের হটস্পট
হটস্পট: যে অঞ্চলে 1500টির বেশি এন্ডেমিক সংবহনকারী উদ্ভিদ প্রজাতি আছে এবং 70% এর বেশি প্রাকৃতিক বাসস্থান ধ্বংস হয়ে গেছে, তাকে হটস্পট বলে। প্রথম বলেন নরম্যান মায়ার্স। পৃথিবীতে 36টি।
ভারতের 4টি হটস্পট:
i) পশ্চিমঘাট ও শ্রীলঙ্কা: চিরহরিৎ বন, সিংহলেজ বানর, নীলগিরি তাহর, বহু অর্কিড, ভারতের 27% উদ্ভিদ।
ii) পূর্ব হিমালয়: রডোডেনড্রন, রেড পান্ডা, সোনালি বানর, বহু ঔষধি উদ্ভিদ।
iii) ইন্দো-বার্মা: উত্তর-পূর্ব ভারত, আন্দামান, মায়ানমার – হুলক গিবন, গন্ডার।
iv) সুন্দাল্যান্ড: নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, ম্যানগ্রোভ ও প্রবাল প্রাচীর, নিকোবর মেগাপোড।
4.9 দূষণ কী? বায়ু দূষণের উৎস, ক্ষতি, প্রতিকার
দূষণ: প্রাকৃতিক বা মনুষ্যসৃষ্ট কারণে পরিবেশের ভৌত, রাসায়নিক, জৈব উপাদানের পরিবর্তনে জীবের ক্ষতিকে দূষণ বলে।
বায়ু দূষণের উৎস: i) কলকারখানা থেকে SO2, NO2, CO। ii) যানবাহন থেকে ধোঁয়া, সীসা। iii) জীবাশ্ম জ্বালানি দহন। iv) দাবানল, আগ্নেয়গিরি।
ক্ষতি: মানুষ – ব্রঙ্কাইটিস, হাঁপানি, ক্যান্সার, চোখ জ্বালা। পরিবেশ – অ্যাসিড বৃষ্টি (SO2 + H2O → H2SO4), বিশ্ব উষ্ণায়ন ( CO2), ওজোন স্তর ক্ষয় (CFC)।
প্রতিকার: i) বেশি গাছ লাগানো। ii) কলকারখানায় ফিল্টার, ইলেকট্রোস্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর। iii) CNG, ব্যাটারি গাড়ি, নবীকরণযোগ্য শক্তি (সৌর, বায়ু)। iv) আইন – বায়ু দূষণ প্রতিরোধ আইন 1981, ভারত স্টেজ VI মানা।
Discover more from NIRYAS.IN
Subscribe to get the latest posts sent to your email.