Third President – Dr. Zakir Husain
Third President – Dr. Zakir Husain
1947 সালের 15ই আগস্ট স্বাধীন ভারতের আত্মপ্রকাশ। সেই সময়কাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বিভিন্ন রাষ্ট্রপতি ও তাঁদের কার্যকাল ভারতের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার জন্য তাদের কার্যাবলী সম্পাদন করেন। ভারতীয় রাষ্ট্রপতি এবং তাঁদের কার্যকালে সংঘটিত ঘটনাবলী থেকে WBCS, SSC, UPSC, Railway এর মতো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিতে বিভিন্ন প্রশ্ন এসে থাকে। ঘটনাপরম্পরা সমন্ধে সম্যক ধারণা থাকলে এই প্রশ্নগুলির উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব। বিষয়টি মাথায় রেখে গল্পের ছলে ভারতের বিভিন্ন রাষ্ট্রপতির কার্যকাল ও তাঁদের সময়কালীন ঘটনাবলী উপস্থাপন করা হল President’s Story তে। Third President – Dr. Zakir Husain পোস্টে থাকছে ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতির ব্যক্তিগত জীবন ও তাঁর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের অজানা কাহিনী সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলি।
তৃতীয় রাষ্ট্রপতি ডঃ জাকির হোসেন

➣পূর্ববর্তী অংশ : ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন – ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি
1967 সালের মধ্যে ভারতের রাজনীতি পুরোপুরি বদলে গেছে। নেহরু নেই, শাস্ত্রীজি নেই। লোকসভা ভোটে কংগ্রেস প্রথমবারের মতো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর মুখে, 9টি রাজ্যে SVD নামে অ-কংগ্রেস জোট সরকার। কেন্দ্রে ইন্দিরা গান্ধী তখন অত্যন্ত দুর্বল প্রধানমন্ত্রী, তাঁকে দলের ভিতরেই “গুঙ্গি গুড়িয়া” বলা হচ্ছে। এই দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই স্বাধীন ভারতে প্রথমবার বিরোধীরা একজোট হয়ে রাষ্ট্রপতি ভবন দখলের পরিকল্পনা করে। তাদের টার্গেট – কংগ্রেসের প্রার্থীকে হারিয়ে প্রমাণ করা যে ইন্দিরা সরকার সংখ্যালঘু। এর ফলেই 1967 সালের 4র্থ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন ভারতের ইতিহাসে প্রথমবার সত্যিকারের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হয়ে ওঠে। যেখানে এর আগে রাধাকৃষ্ণণ, প্রসাদরা 90%+ ভোটে জিততেন, সেখানে এবার জয়ের ব্যবধান নেমে আসে মাত্র 56%-এ।
এই নির্বাচনে বিরোধীরা এমন একজনকে খুঁজছিল যার নামে কোনো রাজনৈতিক দাগ নেই, যিনি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ। তারা পেয়ে যায় সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি কে. সুব্বা রাও-কে। সততা ও সংবিধান রক্ষার জন্য তিনি তখন দেশের সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি। রাও এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেন। 11ই এপ্রিল, 1967 – তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন। ভারতের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে লড়ার জন্য ইস্তফা দিলেন। তাঁকে সমর্থন করে জনসংঘ, স্বতন্ত্র পার্টি, এসএসপি, বামপন্থীরা সহ সমস্ত বিরোধী দল।
অন্যদিকে ইন্দিরা গান্ধী বুঝতে পারেন, এটা শুধু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নয়, তাঁর নিজের নেতৃত্বের পরীক্ষা। তিনি காங்கிரஸ் সিন্ডিকেটের পছন্দকে পাত্তা না দিয়ে বেছে নেন ডঃ জাকির হোসেন-কে।
Third President – Dr. Zakir Husain
জাকির হোসেন ছিলেন জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার প্রতিষ্ঠাতা – একজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষাবিদ। তিনি ছিলেন বিহারের রাজ্যপাল এবং তৎকালীন উপরাষ্ট্রপতি। আবার তিনি মুসলিম – ফলে ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতীক হিসেবে বিরোধীদের পক্ষে বিরোধিতা করা কঠিন হবে। সবচেয়ে বড় কথা, তিনি সিন্ডিকেটের লোক ছিলেন না, ছিলেন ইন্দিরার নিজের লোক। ইন্দিরা নিজে সমস্ত কংগ্রেস মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করে করে ভোট চান। এটা ছিল প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর প্রথম রাজনৈতিক লড়াই।
শেষ পর্যন্ত ডঃ জাকির হোসেন 56% ভোট পেয়ে জেতেন। কিন্তু ফলাফল বিশ্লেষণ করে ইন্দিরার মাথায় হাত। কংগ্রেসের প্রায় 15% ভোট ক্রস ভোটিং হয়ে সুব্বা রাওয়ের দিকে চলে গেছে। এই নির্বাচনই ইন্দিরাকে প্রথম বুঝিয়ে দেয় – তাঁর আসল শত্রু বিরোধী দলে নয়, কংগ্রেসের ভিতরেই বসে আছে। এখান থেকেই 1969 সালে কংগ্রেস ভাঙন এবং ভি.ভি. গিরির ঐতিহাসিক নির্বাচনের বীজ বোনা হয়।
Third President – Dr. Zakir Husain
➲ ডঃ জাকির হোসেন (Dr. Zakir Husain) : স্বাধীন ভারতের তৃতীয় নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হলেন ডঃ জাকির হোসেন। তিনি ইতিপূর্বে বিহারের রাজ্যপাল (1957-1962) এবং 13ই মে 1962 থেকে 12ই মে 1967 পর্যন্ত 5 বছর উপরাষ্ট্রপতি পদে কার্য নির্বাহ করেন। 1967 সালের 13ই মে তিনি রাষ্ট্রপতি হিসাবে কার্যভার গ্রহণ করেন এবং 1969 সালের 3রা মে পর্যন্ত, অর্থাৎ মাত্র 1 বছর 11 মাস 20 দিন কার্যকাল নির্বাহ করেন। ভারতের ইতিহাসে তিনিই ছিলেন প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রপতি; প্রথম রাষ্ট্রপতি যিনি পদে থাকাকালীন প্রয়াত হন এবং জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার প্রথম ছাত্র থেকে রাষ্ট্রপতি তথা নিজের হাতে গড়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দেশের সর্বোচ্চ পদে যাওয়ার বিরল দৃষ্টান্ত। তাঁর এই সময়কালের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলীগুলি হলঃ
Third President – Dr. Zakir Husain
1967 :
i. 13ই মে তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন এবং শপথ গ্রহণের পর তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনেই ঈদের নমাজ আদায় করেন। রাষ্ট্রপতি ভবনের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাষ্ট্রপতি প্রকাশ্যে ধর্মীয় প্রার্থনা করেন।
ii. জুন – চতুর্থ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় স্বাক্ষর করেন। এই পরিকল্পনাতেই প্রথমবার শিল্পের বদলে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। শাস্ত্রীজির ‘জয় জওয়ান জয় কিষান’ নীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সাংবিধানিক সিলমোহর দেন তিনি।
iii. নভেম্বর – পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার অ-কংগ্রেস যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন নিয়ে রাজ্যপাল ধরমবীরের রিপোর্টে সই করেন। এই সিদ্ধান্তই বাংলার রাজনীতিতে বামপন্থীদের উত্থানের পথ খুলে দেয়।
1968 :
iv. 14ই ফেব্রুয়ারি – তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রথমবার দেশের প্রত্যন্ত গ্রামের প্রাথমিক শিক্ষকদের ডেকে সংবর্ধনা দেন। তিনি বলেছিলেন, “রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রপতি নয়, শিক্ষকরাই আসল অতিথি।”
v. অক্টোবর – ব্যাংক জাতীয়করণের প্রাথমিক ফাইলে তিনি নিজের হাতে লেখেন – “গরিবের টাকা গরিবের কাছে যাক”। ইন্দিরা গান্ধীর 1969 সালের ঐতিহাসিক ব্যাংক জাতীয়করণের বীজ এই নোটেই ছিল।
vi. তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনের ব্যক্তিগত খরচ থেকে 20% কেটে সেই টাকা জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার গরিব ছাত্রদের জন্য অনুদান হিসেবে দান করেন।
1969 :
vii. 3রা মে – সকাল 7:30 মিনিটে রাষ্ট্রপতি ভবনের মুঘল গার্ডেনে প্রাতঃভ্রমণ করছিলেন। হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা। সকাল 8টার মধ্যেই রাষ্ট্রপতি ভবনের ডিসপেনসারিতে তাঁর মৃত্যু হয়। ভারতের ইতিহাসে প্রথমবার পদে থাকাকালীন কোনো রাষ্ট্রপতির মৃত্যু হল। সারা দেশে 13 দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা হয়।
viii. তাঁকে তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী জামিয়া মিলিয়ার ক্যাম্পাসেই কবর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিজে হাতে তাঁর কবরে মাটি দেন। আজও তাঁর সমাধি জামিয়ার ছাত্রদের কাছে অনুপ্রেরণা।
তিনি মাত্র 2 বছরের কার্যকালে 12টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে যান – যা আজও একটি রেকর্ড। শিক্ষাবিদ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শিক্ষাকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
Third President – Dr. Zakir Husain
➲ ডঃ জাকির হোসেন 1897 সালের 8ই ফেব্রুয়ারি হায়দ্রাবাদে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ফিদা হোসেন খান ছিলেন আফ্রিদি পাঠান পরিবারের সন্তান এবং মাতা নাজনিন বেগম। পিতার বদলির চাকরির কারণে ছোটবেলায় পরিবার কায়মগঞ্জ, ইউ.পি-তে চলে আসে। সেখানেই তাঁর শৈশব কাটে। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন অত্যন্ত শান্ত, মেধাবী ও বইপ্রেমী। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা হায়দ্রাবাদে এবং হাইস্কুল ইসলামিয়া হাই স্কুল, ইটাওয়া থেকে। এরপর তিনি আলিগড়ের মহামেডান অ্যাংলো-ওরিয়েন্টাল কলেজ (বর্তমান AMU) থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক হন এবং সেখানে ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত হন। এম.এ. শেষ করে 1920 সালে গান্ধীজির অসহযোগ আন্দোলনের ডাকে সাড়া দিয়ে তিনি কলেজ ছেড়ে দেন। 1922 সালে তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানি যান এবং 1926 সালে বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে ডক্টরেট করেন। তাঁর থিসিস “summa cum laude” – সর্বোচ্চ সম্মানের সাথে পাশ হয়। তাঁর গাইড ছিলেন বিখ্যাত অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ওয়ার্নার সোমবার্ট। জার্মানিতে থাকাকালীন বন্ধু আবিদ হোসেন ও মহম্মদ মুজিবের সাথে মিলে তিনি মির্জা গালিবের কবিতার জার্মান সংকলন প্রকাশ করেন।
1920 সালে যখন মাত্র 23 বছর বয়স, তখন কয়েকজন ছাত্র ও শিক্ষককে নিয়ে তিনি আলিগড়ে জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া প্রতিষ্ঠা করেন – ব্রিটিশ শিক্ষার বিরুদ্ধে একটি জাতীয় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে। 1925 সালে জামিয়া আলিগড় থেকে দিল্লির করোলবাগে উঠে আসে। চরম অর্থকষ্টের সময় 1926 সালে তিনি জার্মানি থেকে ফিরে জামিয়ার উপাচার্যের দায়িত্ব নেন এবং 1948 সাল পর্যন্ত টানা 22 বছর সেই পদে থাকেন। তিনি “Life Members of Jamia” তৈরি করেন – যারা 20 বছরের জন্য বিনা বেতনে জামিয়ার সেবা করার শপথ নিয়েছিলেন। গান্ধীজি বলতেন, জামিয়া হল ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতার পরীক্ষাগার।
1937 সালে গান্ধীজি তাঁকে Basic National Education Committee – নঈ তালিম-এর সভাপতি করেন। তাঁর দেওয়া ফর্মুলা – মাতৃভাষায় অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা, হাতে-কলমে কাজের মাধ্যমে শিক্ষা – আজও ভারতের প্রাথমিক শিক্ষা নীতির ভিত্তি। 1948 সালে তিনি তাঁর পুরনো কলেজ আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হন এবং 1956 সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় তিনি AMU কে আধুনিক ও ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করেন।
তিনি পৃথক নির্বাচকমণ্ডলীর বিরোধী ছিলেন। তাই 1946 সালে কংগ্রেস তাঁকে অন্তর্বর্তী সরকারে নিতে চাইলেও মুসলিম লীগের জিন্নাহ ভেটো দেন – বলেন, জাকির হোসেন কংগ্রেসের মুসলমান। স্বাধীনতার পর 1957 থেকে 1962 সাল পর্যন্ত তিনি বিহারের রাজ্যপাল হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। বিহারে তিনি রাজভবনকে রাজনীতির বাইরে রেখে শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র করেন।
1962 থেকে 1967 সাল পর্যন্ত তিনি ভারতের উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। রাজ্যসভায় তাঁর ব্যবহার ও পাণ্ডিত্য সবাইকে মুগ্ধ করত। 1967 সালের 13ই মে তিনি ভারতের তৃতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন এবং 1969 সালের 3রা মে পর্যন্ত এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনিই ভারতের প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রপতি এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি যিনি পদে থাকাকালীন মারা যান।
Third President – Dr. Zakir Husain
1963 সালে তিনি ডঃ রাধাকৃষ্ণনের সাথে একই বছর ভারতরত্ন সম্মান লাভ করেন। 1956 সালে জার্মানির সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান এবং পদ্মভূষণও পান। তাঁর জন্মদিন 8ই ফেব্রুয়ারি জামিয়া মিলিয়াতে প্রতিষ্ঠা দিবস হিসাবে পালিত হয়। তাঁকে “শিক্ষক রাষ্ট্রপতি” বলা হত। তিনি রাষ্ট্রপতি ভবনের খরচ 20% কমিয়ে সেই টাকা জামিয়ার গরিব ছাত্রদের জন্য দান করেছিলেন। তিনি বলতেন – “শিক্ষা হল সেই হাতিয়ার, যা দিয়ে একটি জাতিকে নতুন করে গড়া যায়।” তাঁর ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁকে জামিয়া মিলিয়া ক্যাম্পাসেই সমাধিস্থ করা হয়। তাঁর সমাধিতে লেখা আছে – এখানে একজন শিক্ষক শুয়ে আছেন।
তাঁর লেখা বিখ্যাত বইগুলি হলঃ
- “Die Agrarverfassung Indiens” (1926), যেটি ছিল বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর পিএইচডি থিসিস। ভারতের কৃষি-ব্যবস্থার ওপর জার্মান ভাষায় লেখা এই বইটি “summa cum laude” পেয়েছিল।
- “Capitalism – An Essay in Understanding” (1946); পুঁজিবাদ কীভাবে সাধারণ মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে, তার সহজ ব্যাখ্যা রয়েছে এই বইতে ।
- “Educational Reconstruction in India (1958) এই বইটি মূলতঃ স্বাধীন ভারতে শিক্ষা কেমন হওয়া উচিত, বিশেষ করে নঈ তালিম ও বুনিয়াদি শিক্ষা নিয়ে তাঁর দর্শন।
- “The Dynamic University (1965); বিশ্ববিদ্যালয় শুধু ডিগ্রি দেওয়ার জায়গা নয়, জাতি গঠনের কারখানা – এই ধারণা নিয়ে লেখা।
এর বাইরেও তিনি উর্দুতে বহু শিশুতোষ বই, অর্থনীতির প্রবন্ধ এবং গালিবের অনুবাদ করেছেন।
Discover more from NIRYAS.IN
Subscribe to get the latest posts sent to your email.