NIRYAS.IN

শিক্ষাদান বাগানের মালির মতো

NIRYAS.IN

শিক্ষাদান বাগানের মালির মতো

প্রবন্ধ নির্যাস

Artificial Intelligence – Will It Surpass Human Brain?

Artificial Intelligence – Will It Surpass the Human Brain?

সভ্যতার অগ্রযাত্রায় মানুষের সবচেয়ে বিস্ময়কর আবিষ্কার হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI)। যে মস্তিষ্ক একদিন আগুন জ্বালিয়েছিল, আজ সে তৈরি করেছে এমন এক প্রযুক্তি যা ভাবতে ও সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তবে প্রযুক্তির এই দ্রুত উৎকর্ষ এবং “Artificial Intelligence – Will It Surpass the Human Brain?”—এই গভীর প্রশ্ন আজ মানুষের মনে নতুন দোলাচল তৈরি করেছে। যে যন্ত্র মানুষের হাতে গড়া, সে কি সত্যিই একদিন তার স্রষ্টাকে ছাড়িয়ে যাবে? সম্ভাবনা ও আশঙ্কার এই ভারসাম্যের ওপরই নির্ভর করছে মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ।


➣ Join : Our Telegram Channel

➣ Join : Our Whats App Group


Artificial Intelligence – Will It Surpass the Human Brain?

Artificial Intelligence - Will It Surpass the Human Brain?
Artificial Intelligence – Will It Surpass the Human Brain?

⟽ Previous Post : নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু অন্তর্ধান রহস্য: ফাইল, কমিশন আর যে প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: মানুষের মস্তিষ্ককে ছাড়িয়ে যাবে কি ?

মানুষের মস্তিষ্ককে বলা হয় প্রকৃতির সবচেয়ে বিস্ময়কর সৃষ্টি। প্রায় একশো চল্লিশ কোটি নিউরন আর তাদের মধ্যে অসংখ্য সংযোগ নিয়ে গড়ে ওঠা এই তিন পাউন্ড ওজনের অঙ্গটি একই সঙ্গে দেখে, শোনে, ভাবে, স্বপ্ন দেখে, ভালোবাসে, ভুল করে এবং ভুল থেকে শেখে। অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের তৈরি একটি প্রযুক্তি, যা কম্পিউটারকে তথ্য বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিতে, ভাষা বুঝতে, ছবি চিনতে এবং সমস্যা সমাধান করতে শেখায়। প্রশ্নটি তাই খুব স্বাভাবিক, যে যন্ত্র মানুষের হাতে তৈরি, সেই যন্ত্র কি একদিন তার স্রষ্টাকেই ছাড়িয়ে যাবে? এই প্রশ্নের উত্তর এক কথায় দেওয়া যায় না, কারণ বুদ্ধিমত্তা কোনো একটিমাত্র ক্ষমতার নাম নয়। গণিতের হিসাব, তথ্য মনে রাখা বা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যন্ত্র ইতিমধ্যেই মানুষকে ছাড়িয়ে গেছে, কিন্তু বোঝাপড়া, অনুভূতি, মূল্যবোধ এবং জীবনের জটিল প্রেক্ষাপট বোঝার ক্ষেত্রে মানুষ এখনও অনেক এগিয়ে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাফল্য ও সীমাবদ্ধতা বুঝতে হলে আমাদের এই দুই ধরনের বুদ্ধিমত্তাকে পাশাপাশি রেখে দেখতে হবে, কোনো একটিকে ছোট না করে।

➣মাধ্যমিক 2027 – সব বিষয়ের মডেল প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পড়তে ক্লিক/টাচ করুন

➣দেখুন : SLST Geography Mega Preparation

➣দেখুন: আপার প্রাইমারি TET পরীক্ষা সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারণা নতুন নয়। বহু শতাব্দী আগে মানুষ যন্ত্রকে মানুষের মতো ভাবতে শেখানোর স্বপ্ন দেখেছিল। গ্রিক পুরাণে ধাতুর তৈরি রোবটের গল্প আছে, আবার উনবিংশ শতকে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে আধুনিক কম্পিউটারের পূর্বসূরি বলা হয়। কিন্তু আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জন্ম ধরা হয় উনিশশো ছাপ্পান্ন সালে আমেরিকার ডার্টমাউথ সম্মেলন থেকে, যেখানে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে এই শব্দটি ব্যবহার করেন। এরপর দীর্ঘ সময় ধরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কখনও আশা জাগিয়েছে, কখনও হতাশ করেছে। একসময় বিজ্ঞানীরা ভেবেছিলেন নিয়ম লিখে দিলেই কম্পিউটার মানুষের মতো ভাববে, কিন্তু বাস্তব জীবন এত সরল নিয়মে চলে না। ভাষার সূক্ষ্ম অর্থ, মুখের অভিব্যক্তি, পরিস্থিতির পরিবর্তন, এসব নিয়মে বাঁধা যায় না। পরবর্তীকালে মেশিন লার্নিং এবং ডিপ লার্নিং আসার পর ছবিটি বদলে যায়। এখন আর যন্ত্রকে প্রতিটি নিয়ম শিখিয়ে দিতে হয় না, বরং বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সে নিজেই ধরন খুঁজে নিতে শেখে। কোটি কোটি ছবি দেখে সে বিড়াল চিনতে শেখে, লক্ষ লক্ষ বাক্য পড়ে সে ভাষার ছন্দ বুঝতে শেখে, হাজার হাজার দাবা খেলা বিশ্লেষণ করে সে নতুন চাল উদ্ভাবন করে। এই শেখার পদ্ধতিই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে আগের যেকোনো প্রযুক্তির চেয়ে শক্তিশালী করেছে।

আজকের পৃথিবীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এমনভাবে মিশে গেছে যে আমরা অনেক সময় টেরই পাই না। মোবাইল ফোনে কথা বললে যে সহকারী উত্তর দেয়, ইউটিউবে যে ভিডিওটি সামনে আসে, ইমেইলে যে স্প্যাম বার্তা আপনাআপনি আলাদা হয়ে যায়, হাসপাতালে যে এক্স-রে রিপোর্ট দ্রুত বিশ্লেষণ হয়, কৃষকের জমিতে যে আবহাওয়ার পূর্বাভাস পৌঁছায়, সবখানেই এর ছোঁয়া রয়েছে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ শনাক্ত করতে, নতুন ওষুধ আবিষ্কারে, চোখের রোগ নির্ণয়ে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে মানুষের চোখ যা ধরতে পারে না, যন্ত্রের চোখ তা ধরে ফেলছে। শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত শিক্ষক হিসেবে, প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য কণ্ঠস্বর ও দৃষ্টির সহায়ক হিসেবে, অন্ধকারে পথ দেখানো, বিপজ্জনক কারখানায় কাজ করা, মহাকাশে দূরবর্তী গ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করা, সব জায়गাতেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দিয়েছে। দাবা, গো, কুইজ প্রতিযোগিতার মতো নির্দিষ্ট খেলায় যন্ত্র বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে দিয়েছে। এক হাজার পাতার নথি কয়েক সেকেন্ডে পড়ে তার সারাংশ দেওয়া, বহু ভাষায় অনুবাদ করা, এসব কাজে যন্ত্রের গতি মানুষের কল্পনারও বাইরে।

Artificial Intelligence – Will It Surpass the Human Brain?

তবুও একথা মনে রাখা জরুরি যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখনও মূলত সংকীর্ণ বুদ্ধিমত্তা। অর্থাৎ একটি যন্ত্র একটি নির্দিষ্ট কাজে খুব ভালো হতে পারে, কিন্তু সেই জ্ঞান অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারে না। দাবায় জেতা যন্ত্র গাড়ি চালাতে জানে না, ছবি চেনা যন্ত্র কবিতার আবেগ বোঝে না। মানুষের মস্তিষ্ক একই সঙ্গে বহু কাজ করতে পারে এবং সম্পূর্ণ নতুন পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। একটি শিশু মাত্র কয়েকটি উদাহরণ দেখেই বিড়াল আর কুকুরের পার্থক্য শিখে যায়, কিন্তু যন্ত্রকে শিখতে হয় লাখ লাখ উদাহরণ। মানুষ একবার সাইকেল চালানো শিখলে সারা জীবন ভোলে না, বরং অন্য যানবাহন চালাতেও সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগায়। মানুষ ভুল করে, লজ্জা পায়, ক্ষমা চায়, হাসে, কাঁদে, স্বপ্ন দেখে। এই অভিজ্ঞতাগুলো শুধু তথ্যের সমষ্টি নয়, এগুলো জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বোধ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথ্য প্রক্রিয়া করতে পারে, কিন্তু সেই তথ্যের পেছনের অনুভূতি অনুভব করতে পারে না। সে কবিতা লিখতে পারে, কিন্তু কবিতা লিখে তার মন ভরে ওঠে না, সে ছবি আঁকতে পারে, কিন্তু ছবির সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয় না।

মানুষের মস্তিষ্কের আরেকটি বড় শক্তি হলো সাধারণ জ্ঞান ও প্রেক্ষাপট বোঝা। আমরা যখন কারও সঙ্গে কথা বলি, তখন শুধু শব্দ শুনি না, তার কণ্ঠস্বর, মুখের ভাব, পরিস্থিতি, অতীত সম্পর্ক, সবকিছু মিলিয়ে অর্থ বুঝি। একটি বাক্য কখন রসিকতা, কখন অভিমান, কখন সান্ত্বনা, তা আমরা সহজেই ধরে ফেলি। যন্ত্রের পক্ষে এই সূক্ষ্ম পার্থক্য ধরা এখনও অত্যন্ত কঠিন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কেউ যদি বলে, বাহ, কী সুন্দর বৃষ্টি, আর বাইরে তখন ঝড় হচ্ছে, আমরা বুঝি সে ব্যঙ্গ করছে। কিন্তু যন্ত্র অনেক সময় সেই বাক্যকে আক্ষরিক অর্থেই নিয়ে নেয়। মানুষের নৈতিক বোধও একই রকম জটিল। কোনো পরিস্থিতিতে কী করা উচিত, কার ক্ষতি হবে, কার উপকার হবে, কোন মূল্যবোধকে প্রাধান্য দেওয়া উচিত, এসব প্রশ্নের উত্তর কোনো সূত্রে মেলে না। মানুষ সমাজ, সংস্কৃতি, ধর্ম, পরিবার, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে এই বোধ অর্জন করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে নৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে শেখানো গেলেও সে নিজে থেকে নৈতিক দায়িত্ব অনুভব করে না। সে নিয়ম মানে, কিন্তু বিবেকের তাড়না অনুভব করে না। এই পার্থক্যটাই মানুষ ও যন্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে গভীর ব্যবধান তৈরি করে।

➣দেখুন : SLST Bengali Preparation

➣দেখুন : SLST English Preparation

➣দেখুন : SLST History Preparation

➣দেখুন : SLST Sanskrit Preparation

➣দেখুন : SLST Education Preparation

➣দেখুন : SLST Philosophy Preparation

➣দেখুন : SLST Political Science Preparation

অনেকে ভয় পান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের সব চাকরি কেড়ে নেবে। এই ভয় একেবারে অমূলক নয়, তবে ইতিহাস বলে প্রযুক্তি যতবার এসেছে, ততবার কিছু পুরনো কাজ হারিয়ে গেছে, আবার নতুন নতুন কাজ তৈরি হয়েছে। যখন বাষ্পীয় ইঞ্জিন এলো, যখন বিদ্যুৎ এলো, যখন কম্পিউটার এলো, তখনও মানুষ একই ভয় পেয়েছিল। বাস্তবে দেখা গেছে, যন্ত্র পুনরাবৃত্তিমূলক, বিপজ্জনক ও ক্লান্তিকর কাজগুলো নিয়ে নিয়েছে, আর মানুষ সৃজনশীল, মানবিক ও সিদ্ধান্তমূলক কাজে বেশি মনোযোগ দিয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হিসাবরক্ষক, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, কল সেন্টারের কিছু কাজকে প্রভাবিত করতে পারে, কিন্তু শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, শিল্পী, গবেষক, উদ্যোক্তা, সমাজকর্মীর মতো পেশায় মানুষের উপস্থিতি অপরিহার্য থাকবে। তবে এটা সত্যি যে যারা নতুন প্রযুক্তি শিখবে না, তারা পিছিয়ে পড়বে। তাই ভবিষ্যতের প্রস্তুতি মানে যন্ত্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতা নয়, বরং যন্ত্রকে ব্যবহার করতে শেখা। যে চিকিৎসক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করতে জানবেন, তিনি আরও নির্ভুল রোগ নির্ণয় করতে পারবেন। যে শিক্ষক এই প্রযুক্তিকে সহায়ক হিসেবে নেবেন, তিনি প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য আরও ব্যক্তিগত পাঠ তৈরি করতে পারবেন।

Artificial Intelligence – Will It Surpass the Human Brain?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ঝুঁকিগুলোও আমাদের গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। যন্ত্র যে তথ্য দিয়ে শেখে, সেই তথ্যে যদি পক্ষপাত থাকে, তাহলে যন্ত্রের সিদ্ধান্তেও পক্ষপাত থেকে যাবে। যেমন, যদি কোনো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অতীতের বৈষম্যমূলক তথ্য ব্যবহার করা হয়, তাহলে যন্ত্রও সেই বৈষম্যকে পুনরাবৃত্তি করতে পারে। ভুল তথ্য ও মিথ্যা ছবি, ভিডিও তৈরি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা এখন অনেক সহজ হয়ে গেছে। একে বলা হয় ডিপফেক। কারও কণ্ঠস্বর নকল করে প্রতারণা করা, কারও মুখ বসিয়ে ভুয়া ভিডিও বানানো, এসব এখন বড় সামাজিক সমস্যা। এছাড়া তথ্যের গোপনীয়তা, নজরদারি, সাইবার নিরাপত্তা, যুদ্ধে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের ব্যবহার, এসব প্রশ্ন নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক চলছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে নিয়ন্ত্রণ ছাড়া ছেড়ে দিলে বিপদ হতে পারে। তাই প্রয়োজন স্বচ্ছ নিয়ম, নৈতিক নির্দেশিকা এবং মানুষের তত্ত্বাবধান। যন্ত্রকে সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া যাবে, কিন্তু চূড়ান্ত দায়িত্ব মানুষের হাতেই থাকতে হবে। বিশেষ করে চিকিৎসা, বিচার, শিক্ষা, প্রতিরক্ষার মতো সংবেদনশীল ক্ষেত্রে মানুষের বিচারবুদ্ধিকে সরিয়ে দেওয়া উচিত নয়।

➣দেখুন: WB SCC Group C & D পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣ দেখুন : Central TET – CTET

➣দেখুন : WBPSC Clerkship পরীক্ষার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি

ভবিষ্যতের দিকে তাকালে দুটি সম্ভাব্য ছবি দেখা যায়। একটি হলো কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা, যেখানে যন্ত্র মানুষের মতো যেকোনো বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ করতে পারবে। বিজ্ঞানীরা এখনও এই স্তরে পৌঁছাতে পারেননি এবং কবে পৌঁছানো যাবে, তা নিয়েও মতভেদ রয়েছে। অন্যটি হলো মানব ও যন্ত্রের সহযোগিতা, যেখানে যন্ত্র মানুষের স্মৃতি, গতি ও হিসাবের ক্ষমতা বাড়িয়ে দেবে, আর মানুষ দেবে কল্পনা, সহমর্মিতা ও মূল্যবোধ। ইতিহাসে মানুষ সবসময় হাতিয়ার ব্যবহার করে এগিয়ে গেছে। পাথরের হাতিয়ার থেকে চাকা, চাকা থেকে বিদ্যুৎ, বিদ্যুৎ থেকে কম্পিউটার, প্রতিবারই হাতিয়ার মানুষকে শক্তিশালী করেছে, মানুষকে অপ্রয়োজনীয় করেনি। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকেও সেই দৃষ্টিতে দেখা উচিত। প্রশ্নটি তাই হওয়া উচিত নয় যে যন্ত্র মানুষকে ছাড়িয়ে যাবে কি না, বরং প্রশ্নটি হওয়া উচিত, মানুষ যন্ত্রকে কীভাবে ব্যবহার করবে, যাতে তা মানবতার কল্যাণে আসে।

Artificial Intelligence – Will It Surpass the Human Brain?

বাংলাদেশ ও ভারতের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এক বিরাট সুযোগ। কৃষিতে ফসলের রোগ আগাম শনাক্ত করা, বন্যার পূর্বাভাস দেওয়া, গ্রামের মানুষের জন্য বাংলায় স্বাস্থ্য পরামর্শ দেওয়া, শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় পড়াশোনার সুযোগ করে দেওয়া, এসব ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিরাট পরিবর্তন আনতে পারে। তবে তার জন্য প্রয়োজন স্থানীয় ভাষায় তথ্য, সাশ্রয়ী ইন্টারনেট, দক্ষ শিক্ষক ও গবেষক এবং দায়িত্বশীল নীতিমালা। শুধু বিদেশ থেকে প্রযুক্তি আমদানি করলেই হবে না, নিজেদের সমস্যা, সংস্কৃতি ও ভাষাকে বুঝে প্রযুক্তিকে খাপ খাওয়াতে হবে। তরুণদের উচিত শুধু প্রযুক্তি ব্যবহার করা নয়, প্রযুক্তির পেছনের বিজ্ঞান, গণিত, নৈতিকতা ও সমাজবিজ্ঞান বোঝা। কারণ ভবিষ্যতে তারাই সিদ্ধান্ত নেবে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোন পথে যাবে। যে জাতি শুধু ব্যবহারকারী হয়ে থাকবে, সে পিছিয়ে থাকবে। যে জাতি উদ্ভাবক হবে, সে নেতৃত্ব দেবে।

➣দেখুন : অঙ্গনওয়াড়ি পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣দেখুন : গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষা সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣দেখুন : WBP পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣দেখুন : ANM & GNM পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣দেখুন : WB KP পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

সবশেষে বলা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানুষের মস্তিষ্কের প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং তার প্রতিফলন। মানুষের বুদ্ধিমত্তা, কৌতূহল ও সৃজনশীলতা থেকেই এর জন্ম। যন্ত্র দ্রুত হিসাব করতে পারে, বিপুল তথ্য মনে রাখতে পারে, নির্দিষ্ট কাজে মানুষকে হারাতে পারে, কিন্তু জীবনকে অনুভব করা, ভালোবাসা, স্বপ্ন দেখা, মূল্যবোধের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া, এসব এখনও মানুষের একান্ত সম্পদ। ভবিষ্যতে যন্ত্র আরও শক্তিশালী হবে, এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু মানুষের কাজ হবে সেই শক্তিকে মানবিক মূল্যবোধ দিয়ে পরিচালনা করা। আমরা যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ভয় না পেয়ে, তাকে বুঝে, দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করি, তাহলে তা মানবসভ্যতার অগ্রগতির সবচেয়ে বড় সহায়ক হয়ে উঠবে।

তথ্যসূত্র

  1. Turing, A. M. (1950). Computing Machinery and Intelligence. Mind, 59(236), 433-460.
  2. McCarthy, J., Minsky, M. L., Rochester, N., & Shannon, C. E. (1955). A Proposal for the Dartmouth Summer Research Project on Artificial Intelligence.
  3. Russell, S. & Norvig, P. (2020). Artificial Intelligence: A Modern Approach. 4th Edition, Pearson.
  4. Goodfellow, I., Bengio, Y. & Courville, A. (2016). Deep Learning. MIT Press.
  5. LeCun, Y., Bengio, Y. & Hinton, G. (2015). Deep Learning. Nature, 521, 436-444.
  6. UNESCO (2021). Recommendation on the Ethics of Artificial Intelligence. Paris: UNESCO.
  7. World Economic Forum (2023). Future of Jobs Report 2023. Geneva: WEF.
  8. Stanford University (2024). Artificial Intelligence Index Report 2024. Stanford HAI.
  9. MIT Technology Review — Artificial Intelligence সংক্রান্ত বিভিন্ন বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন।
  10. Nature এবং Science জার্নালে প্রকাশিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং ও চিকিৎসা-প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণাপত্রসমূহ।
  11. Bostrom, N. (2014). Superintelligence: Paths, Dangers, Strategies. Oxford University Press.
  12. Harari, Y. N. (2018). 21 Lessons for the 21st Century. Jonathan Cape.

➣Read in English


📌 এক ক্লিকেই সব বিষয়ের সেরা প্রস্তুতি!

আপনার প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করতে Niryas.in-এ যুক্ত করা হয়েছে Academic, WBPSC, SSC, CTET, Static GK, মক টেস্ট ও ফ্রি PDF নোটস। এক জায়গা থেকেই সমস্ত বিষয়ের গাইড পেতে নিচের লিঙ্কে টাচ করুন

                                     👇🏻

​➣Niryas Online Preparation Portal – এক নজরে সমস্ত কিছু গাইড দেখতে ক্লিক/টাচ করুন

                                    👇🏻

Competitive Exam Preparation | Study Materials & Practice Set

এক ছাতার তলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে আজই যুক্ত হন:

             👉  ➣লিংকে ক্লিক করুন

                                       👇🏻

➣মাধ্যমিক 2027 – সব বিষয়ের মডেল প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পড়তে ক্লিক/টাচ করুন

➣দেখুন : SLST Geography Mega Preparation

➣দেখুন: আপার প্রাইমারি TET পরীক্ষা সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣পড়ুন: ভারতের প্রধানমন্ত্রী’র গল্প 

➣দেখুন : অঙ্গনওয়াড়ি পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣দেখুন : গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষা সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣দেখুন : WBP পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣দেখুন : ANM & GNM পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣দেখুন : WB KP পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣ দেখুন : প্রাথমিক TET পরীক্ষার মহা প্রস্তুতি

➣পড়ুন : স্ট্যাটিক GK নির্যাস

➣পড়ুন : কুইজ ক্যাপসুল নির্যাস

➣দেখুন: WB SCC Group C & D পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি

➣ দেখুন : Central TET – CTET

➣দেখুন : WBPSC Clerkship পরীক্ষার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি

➣দেখুন : SLST Life science Preparation

➣দেখুন : SLST Bengali Preparation

➣দেখুন : SLST English Preparation

➣দেখুন : SLST History Preparation

➣দেখুন : SLST Sanskrit Preparation

➣দেখুন : SLST Education Preparation

➣দেখুন : SLST Philosophy Preparation

➣দেখুন : SLST Political Science Preparation

 

 


Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page

Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading