Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
“Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions” বা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর অন্তর্ধান রহস্য ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এক দীর্ঘ অমীমাংসিত অধ্যায়। 1945 সালের 18 আগস্টের পর থেকে একাধিক তদন্ত কমিশন, ভিন্নমুখী রিপোর্ট এবং নানা দ্বন্দ্বে ভরা তত্ত্বের জটাজালে এই ঘটনাটি আজও ধোঁয়াশায় ঢাকা। তাইহোকুর বিমান দুর্ঘটনা থেকে শুরু করে সম্প্রতি প্রকাশিত গুপ্ত ফাইলের তথ্য—আট দশক পার হয়ে গেলেও নেতাজির উধাও হয়ে যাওয়া ভারতীয় ইতিহাসে এক গভীর ও আবেগঘন প্রশ্নচিহ্ন হয়ে রয়েছে।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions

⟽ Previous Post : _ভারত ও বাংলার বিজ্ঞানী: জগদীশ চন্দ্র বসু, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, মেঘনাদ সাহা
নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু অন্তর্ধান রহস্য: ফাইল, কমিশন আর যে প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি
তুমি যখন 18 আগস্টের কথা বলো, তখন একজন বৃদ্ধ বাঙালি থেমে যায়। তার চোখে জল আসে। সে বলে, নেতাজি আর ফিরলেন না। 1945 সালের 18 আগস্টের পর ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হঠাৎ করে উধাও হয়ে গেলেন। সরকার বলল, তিনি প্লেন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তার ভাইয়ের ছেলে বলল, না, তিনি বেঁচে আছেন। একজন সাধুকে দেখিয়ে বলা হলো, এই সাধুই নেতাজি। জাপানের এক মন্দিরে রাখা ছাই নিয়ে বলা হলো, এই ছাই তার নয়। 70 বছর ধরে ফাইল বন্ধ ছিল। 2015 সালে, সেই ফাইল খুলল। ফাইল খুলে যা বের হলো, তা রহস্য কমালো না, বরং বাড়িয়ে দিল। নেতাজি অন্তর্ধান রহস্য, স্বাধীন ভারতের সবচেয়ে দীর্ঘ রহস্য।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
মূল ঘটনা: 1945 সালের 17 থেকে 18 আগস্ট
1945 সালের 15 আগস্ট, জাপান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মসমর্পণ করল। নেতাজি তখন সাইগনে ছিলেন। তিনি জানতেন ব্রিটিশরা তাকে ছাড়বে না। তার সামনে দুটি পথ ছিল। এক, রাশিয়ায় পালানো। দুই, জাপানের বিমানে করে মাঞ্চুরিয়া হয়ে টোকিও যাওয়া।
তিনি দ্বিতীয় পথ বেছে নিলেন।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
17 আগস্ট, 1945, নেতাজি সাইগন ত্যাগ করেন একটি মিতসুবিশি Ki-21 হেভি বোমার বিমানে। তার সাথে ছিলেন তার সহকারী কর্নেল হাবিবুর রহমান এবং জাপানি লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুনামাসা শিদেই। পরিকল্পনা ছিল, তুরানে থেকে হেইটো, তারপর তাইহোকু, তারপর দাইরেন, তারপর টোকিও।
18 আগস্ট, বিকেলে, তাইহোকুর মাতসুয়ামা এয়ারড্রোম থেকে ওড়ার কিছুক্ষণ পর, বিমানটির সমস্যা দেখা দেয়। প্রপেলারের একটি পাখা খুলে পড়ে, বিমানটি নাক ডুবিয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
জাপানি সরকারের 1956 সালের গোপন রিপোর্টে লেখা আছে, বিমানটি 20 মিটার উপরে ওঠার পর বাম দিকের তিন পাখার প্রপেলারের একটি পাখা ভেঙে ইঞ্জিন খুলে পড়ে। বিমানটি ভারসাম্য হারিয়ে রানওয়ের পাশের গাদায় আছড়ে পড়ে এবং মুহূর্তে আগুনে ঢেকে যায়। নেতাজি আগুনে মোড়া অবস্থায় বিমান থেকে বেরিয়ে আসেন। তার সারা শরীরে তৃতীয় ডিগ্রির পোড়া লাগে। তাকে নানমন মিলিটারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে তিনি সেই রাতেই মারা যান বলে দাবি করা হয়।
রিপোর্টে আরও লেখা আছে, প্রায় 3 টায় তিনি তাইপে আর্মি হাসপাতালের নানমন শাখায় ভর্তি হন এবং প্রায় 7 টায় তার মৃত্যু হয়। 22 আগস্ট, তাকে তাইপে মিউনিসিপ্যাল শ্মশানে দাহ করা হয়। তার ছাই, টোকিওর রেনকোজি মন্দিরে, রাখা হয়।
জাপান এই মৃত্যুর খবর আমেরিকাকে এক মাসের মধ্যেই জানিয়ে দিয়েছিল। জাপান আনুষ্ঠানিকভাবে নেতাজির মৃত্যুর খবর তাইপে বিমান দুর্ঘটনার এক মাস পরেই নিশ্চিত করেছিল। জাপানের প্রতিবেদনে বলা হয়, বোস গ্যাসোলিনে ভিজে আগুনে ঢাকা অবস্থায় বিমান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং তার সহকারী হাবিবুর রহমানও বেরিয়ে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন।
এই হলো সরকারি গল্প।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
তিনটি কমিশন, তিনটি ভিন্ন সিদ্ধান্ত
স্বাধীন ভারতে, সরকার, এই মৃত্যু নিয়ে, তিনটি তদন্ত কমিশন বসায়।
- প্রথম, শাহ নওয়াজ কমিটি, 1956 সালে। এই কমিটি সিদ্ধান্ত দেয় সুভাষ চন্দ্র বসু 18 আগস্ট, 1945 সালে, তাইহোকু, এখন তাইপে, তাইওয়ানে, প্লেন দুর্ঘটনায় আহত হয়ে মারা গেছেন। এই কমিটি আরও বলে, নেতাজির ছাই জাপানের রেনকোজি মন্দিরে রাখা আছে। কিন্তু এই কমিটিতে, নেতাজির বড় ভাই সুরেশ চন্দ্র বসু, ভিন্নমত দেন। তিনি প্লেন দুর্ঘটনার তত্ত্ব, প্রত্যাখ্যান করেন।
- দ্বিতীয়, জি ডি খোসলা কমিশন, 1970 থেকে 1974। এই কমিশন, শাহ নওয়াজ কমিটির সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে। কমিশন বলে, প্লেন দুর্ঘটনা ঘটেছিল এবং নেতাজি 18 আগস্ট, 1945 সালে, তাইহোকুতে পোড়ার আঘাতে মারা গিয়েছিলেন। এই কমিশন, নেতাজি বেঁচে আছেন বা লুকিয়ে আছেন এমন দাবিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয়।
- তৃতীয়, বিচারপতি মুখার্জি কমিশন, 1999 থেকে 2005। এই কমিশন, আগের দুটি কমিশনের সিদ্ধান্তকে উল্টে দেয়। এই কমিশন সিদ্ধান্ত দেয়, নেতাজি মারা গেছেন, কিন্তু প্লেন দুর্ঘটনায়, যেমনটা দাবি করা হয়েছে, তাতে মারা যাননি। কমিশন আরও বলে, জাপানের রেনকোজি মন্দিরে সংরক্ষিত ছাই নেতাজির নয়। তবে, এই কমিশন স্বীকার করে কোনো চূড়ান্ত প্রমাণের অভাবে একটি নির্দিষ্ট উত্তর দেওয়া সম্ভব হয়নি।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
মুখার্জি কমিশনের সবচেয়ে বড় যুক্তি ছিল, তাইহোকু বিমানবন্দরে 18 আগস্ট, 1945 সালে কোনো প্লেন দুর্ঘটনার প্রমাণ নেই। কমিশন বলে, মেডিকেল সার্টিফিকেট, শ্মশানের সার্টিফিকেট, প্লেন দুর্ঘটনার রেকর্ড, কিছুই পাওয়া যায়নি।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
তাইওয়ানের রেকর্ড, এই প্রশ্নকে আরও জটিল করে। তাইওয়ানের পরিবহন মন্ত্রী, গবেষকদের ইমেইলে জানান 1945 সালের 14 আগস্ট থেকে 25 অক্টোবর পর্যন্ত রেকর্ড পর্যালোচনা করে পুরনো মাতসুয়ামা বিমানবন্দরে বোসকে বহনকারী কোনো বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাইওয়ানের রেকর্ড বলছে, সেই সময়ের একমাত্র বড় দুর্ঘটনা ছিল সেপ্টেম্বর 1945 সালে, তাইপে থেকে 200 নটিক্যাল মাইল দূরে, মুক্তিপ্রাপ্ত যুদ্ধবন্দীদের বহনকারী একটি USC-47 পরিবহন বিমানের, যা বোসের সাথে কোনো সম্পর্ক নেই।
1956 সালে, তাইওয়ান পুলিশের একটি রিপোর্টে বলা হয়, ভারতীয় জাতীয় নেতা বোস যে তাইওয়ানে মারা গেছেন তা প্রমাণ করা ব্যর্থ হয়েছে।
অন্যদিকে, বোস ফাইলস ইনফোর মতো ওয়েবসাইট, জাপানি ডাক্তার, ইন্টারপ্রেটার, তাইওয়ানি নার্স, সহ পাঁচজন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান প্রকাশ করে, যারা সবাই বলেছেন নেতাজি 18 আগস্ট, 1945 সালের রাতে, প্লেন দুর্ঘটনার পর মারা গেছেন।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
2015 সালের ডিক্লাসিফাইড ফাইল: যা জানা গেল
2015 সালের 14 অক্টোবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, নেতাজি পরিবারের সাথে বৈঠকে ঘোষণা করেন নেতাজি সংক্রান্ত ফাইল পর্যায়ক্রমে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
এরপর, 4 ডিসেম্বর, 2015 সালে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে প্রথম দফায় 33টি ফাইল জাতীয় আর্কাইভসে হস্তান্তর করা হয়। 23 জানুয়ারি, 2016 সালে, নেতাজির 119তম জন্মদিনে, প্রধানমন্ত্রী 100টি ফাইলের ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ করেন। এই ফাইলগুলোতে, 1956 থেকে 2013 পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আর বিদেশ মন্ত্রণালয়ের কাগজপত্র আছে।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
পশ্চিমবঙ্গ সরকার, 18 সেপ্টেম্বর, 2015 সালে, 64টি ফাইল প্রায় 12,744 পৃষ্ঠা প্রকাশ করে। এই ফাইলগুলোতে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য বের হয়। স্বাধীন ভারতেও নেতাজির পরিবারের উপর নজরদারি চলছিল। জওহরলাল নেহরুর আমলে গোয়েন্দা বিভাগ নেতাজির ভাইঝি-ভাইপোদের উপর গোপনে নজর রাখত।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এই ফাইল প্রকাশের সময় বলেন, এই ফাইলে এমন চিঠি আছে যেখানে কিছু মানুষ বলেছেন 1945 সালের পরেও, নেতাজি বেঁচে থাকতে পারেন।
কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার, মুখার্জি কমিশনের রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান করে। 2017 সালে, কেন্দ্র সংসদে জানায় বোস 1945 সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। 1 জুন, 2017 সালে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরটিআইয়ের জবাবে বলে বিভিন্ন কমিটির রিপোর্ট বিবেচনা করে সরকার এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
যে তত্ত্বগুলো আজও ঘোরে
এই রহস্যের চারপাশে, চারটি তত্ত্ব, ঘোরে।
- প্রথম তত্ত্ব, সরকারি তত্ত্ব। নেতাজি তাইহোকুতে প্লেন দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। এই তত্ত্বের পক্ষে জাপানি রিপোর্ট, শাহ নওয়াজ কমিটি, খোসলা কমিশন, আর হাবিবুর রহমানের, বয়ান আছে।
- দ্বিতীয় তত্ত্ব, মুখার্জি কমিশনের তত্ত্ব। প্লেন দুর্ঘটনা ঘটেইনি। নেতাজি অন্য কোনোভাবে রাশিয়ায় পালিয়ে গিয়েছিলেন। এই তত্ত্বের পক্ষে তাইওয়ানের রেকর্ডের অভাব আর সাক্ষীদের বয়ানের অসঙ্গতি দেখানো হয়।
- তৃতীয় তত্ত্ব, গুমনামি বাবা। উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায়, একজন সাধু, যার নাম ছিল গুমনামি বাবা তাকে অনেকে নেতাজি বলে দাবি করেন। মুখার্জি কমিশন এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে। কমিশন বলে গুমনামি বাবা নেতাজি নন।
- চতুর্থ তত্ত্ব, রাশিয়া তত্ত্ব। অনেকে বলেন, নেতাজি রাশিয়ায় বন্দি ছিলেন। স্ট্যালিনের আমলে তাকে মেরে ফেলা হয়। এই তত্ত্বের পক্ষে কোনো শক্ত প্রমাণ আজও পাওয়া যায়নি।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
উপসংহার
তথ্যসূত্র যা বলছে তা হলো এই রহস্যের একটি চূড়ান্ত বৈজ্ঞানিক উত্তর আজও নেই।
যা প্রমাণিত, তা হলো, 18 আগস্ট, 1945 এর পর নেতাজিকে প্রকাশ্যে আর কেউ দেখেনি। যা নথিভুক্ত তা হলো, জাপানি সরকার এক মাসের মধ্যে তার মৃত্যুর খবর আমেরিকাকে জানিয়েছিল। যা বিতর্কিত তা হলো, সেই মৃত্যু সত্যিই প্লেন দুর্ঘটনায় হয়েছিল কিনা।
2015 সালের ফাইল খোলার পর, মানুষ জানল সরকার নেতাজির পরিবারের উপর নজর রেখেছিল। মানুষ জানল, রেনকোজি মন্দিরের ছাইয়ের ডিএনএ টেস্ট আজও হয়নি। এই ডিএনএ টেস্ট হলেই হয়তো 80 বছরের এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে।
যতদিন এই ডিএনএ টেস্ট না হবে ততদিন প্রতিটি 18 আগস্টে একজন বৃদ্ধ বাঙালি আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকবে। আর সে বলবে, নেতাজি ফিরে আসেননি। আর এই না ফেরা ভারতের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় না মেটা প্রশ্ন হয়ে থাকবে।
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
📌 এক ক্লিকেই সব বিষয়ের সেরা প্রস্তুতি!
আপনার প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করতে Niryas.in-এ যুক্ত করা হয়েছে Academic, WBPSC, SSC, CTET, Static GK, মক টেস্ট ও ফ্রি PDF নোটস। এক জায়গা থেকেই সমস্ত বিষয়ের গাইড পেতে নিচের লিঙ্কে টাচ করুন
👇🏻
➣Niryas Online Preparation Portal – এক নজরে সমস্ত কিছু গাইড দেখতে ক্লিক/টাচ করুন
👇🏻
Competitive Exam Preparation | Study Materials & Practice Set
এক ছাতার তলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে আজই যুক্ত হন:
👇🏻
➣মাধ্যমিক 2027 – সব বিষয়ের মডেল প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র পড়তে ক্লিক/টাচ করুন
➣দেখুন : SLST Geography Mega Preparation
➣দেখুন: আপার প্রাইমারি TET পরীক্ষা সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
➣পড়ুন: ভারতের প্রধানমন্ত্রী’র গল্প
➣দেখুন : অঙ্গনওয়াড়ি পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
➣দেখুন : গ্রাম পঞ্চায়েত পরীক্ষা সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
➣দেখুন : WBP পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
➣দেখুন : ANM & GNM পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
Mystery of Netaji’s Disappearance – Some Unsolved Questions
➣দেখুন : WB KP পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
➣ দেখুন : প্রাথমিক TET পরীক্ষার মহা প্রস্তুতি
➣পড়ুন : কুইজ ক্যাপসুল নির্যাস
➣দেখুন: WB SCC Group C & D পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি
➣দেখুন : WBPSC Clerkship পরীক্ষার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি
➣দেখুন : SLST Life science Preparation
➣দেখুন : SLST Bengali Preparation
➣দেখুন : SLST English Preparation
➣দেখুন : SLST History Preparation
➣দেখুন : SLST Sanskrit Preparation
➣দেখুন : SLST Education Preparation
➣দেখুন : SLST Philosophy Preparation
➣দেখুন : SLST Political Science Preparation
Discover more from NIRYAS.IN
Subscribe to get the latest posts sent to your email.