Madhyamik Life Sci Model Answers-4/2
Madhyamik Life Sci Model Answers-4
মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছ? জীবনবিজ্ঞান বিষয়ে 90-এ 90 পাওয়ার স্বপ্ন দেখছ? তাহলে তোমার এই প্রস্তুতিকে এক ধাপ এগিয়ে নিতে আমরা নিয়ে এসেছি মাধ্যমিক (জীবন বিজ্ঞান) (Madhyamik Life Sci Model Answers-4) (উত্তরসহ)। নতুন ও আপডেটেড সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি এই মডেল প্রশ্নপত্রটিতে রয়েছে 15টি MCQ (ব্যাখ্যা সহ), 21টি অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, 24 নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং 30 নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন সহ প্রতিটি বিভাগের নির্ভুল ও সম্পূর্ণ সমাধান। প্রতিটি উত্তরের সাথে উৎস উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা সহজেই মূল পাঠ্যবইয়ের সাথে মিলিয়ে নিতে পারে।
Madhyamik Life Sci Model Answers-4

Life Science(জীবন বিজ্ঞান)
(Part-2)
বিভাগ – ঘ: রচনাধর্মী (5×6=30)
4.1 প্রতিবর্ত চাপ কী? চিত্র সহ, গুরুত্ব
প্রতিবর্ত ক্রিয়া: মস্তিষ্কের অজান্তে, স্বয়ংক্রিয়, দ্রুত সাড়া দেওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলে। যেমন – গরম জিনিসে হাত লাগলে হাত সরিয়ে নেওয়া।
প্রতিবর্ত চাপ: প্রতিবর্ত ক্রিয়া যে নির্দিষ্ট পথে সম্পন্ন হয়, তাকে প্রতিবর্ত চাপ বলে। এর 5টি অংশ:
1. গ্রাহক: ত্বকের তাপ গ্রাহক উদ্দীপনা গ্রহণ করে।
2. সংজ্ঞাবহ নিউরন: উদ্দীপনা গ্রাহক থেকে সুষুম্নাকাণ্ডে নিয়ে যায়।
3. সুষুম্নাকাণ্ড (সমন্বয় কেন্দ্র): এখানে ইন্টারনিউরন সংকেত বিশ্লেষণ করে, মস্তিষ্কে যাওয়ার আগেই সিদ্ধান্ত নেয়।
4. আজ্ঞাবহ নিউরন: সুষুম্না থেকে আদেশ পেশিতে নিয়ে যায়।
5. কারক বা Effector: পেশি সংকুচিত হয়ে হাত সরিয়ে আনে।
গুরুত্ব: i) বিপদ থেকে দ্রুত রক্ষা করে, মস্তিষ্কে যাওয়ার আগেই কাজ হয়। ii) মস্তিষ্কের উপর চাপ কমায়। iii) দেহের ভারসাম্য, অঙ্গবিন্যাস রক্ষা করে। iv) হৃদস্পন্দন, শ্বাসের মতো স্বয়ংক্রিয় কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
Madhyamik Life Sci Model Answers-4
4.2 মানব মস্তিষ্কের অগ্র, মধ্য ও পশ্চাৎ মস্তিষ্কের কাজ
অগ্র মস্তিষ্ক:
i) গুরুমস্তিষ্ক বা সেরিব্রাম: সবচেয়ে বড় অংশ। চিন্তা, বুদ্ধি, স্মৃতি, যুক্তি, বাকশক্তি, সৃজনশীলতা, ঐচ্ছিক চলন (হাত-পা নাড়া) নিয়ন্ত্রণ করে। বাম গোলার্ধ যুক্তি, ডান গোলার্ধ সৃজনশীলতা।
ii) থ্যালামাস: সংবেদন কেন্দ্র বা রিলে স্টেশন। ব্যথা, তাপ, চাপ, দৃষ্টি, শ্রবণের অনুভূতি গ্রহণ করে সেরিব্রামে পাঠায়।
iii) হাইপোথ্যালামাস: ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ঘুম, তাপমাত্রা (37°C), আবেগ, ভালোবাসা, রাগ নিয়ন্ত্রণ করে। এটি অন্তঃক্ষরা তন্ত্রের প্রধান নিয়ন্ত্রক – পিটুইটারি থেকে হরমোন ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
মধ্য মস্তিষ্ক: দৃষ্টি ও শ্রবণ সংক্রান্ত প্রতিবর্ত ক্রিয়া, যেমন – হঠাৎ জোরে শব্দে চমকে ওঠা, আলো কম-বেশিতে চোখের তারা ছোট-বড় হওয়া।
পশ্চাৎ মস্তিষ্ক:
i) লঘুমস্তিষ্ক বা সেরিবেলাম: দেহের ভারসাম্য রক্ষা, হাঁটা, সাইকেল চালানো, পেশির সূক্ষ্ম সমন্বয় নিয়ন্ত্রণ করে।
ii) পনস: সেরিব্রাম ও সেরিবেলাম এবং মেডুলার মধ্যে সংযোগ সেতু, শ্বাসের ছন্দ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য।
iii) সুষুম্নাশীর্ষক বা মেডুলা অবলংগাটা: একে প্রাণকেন্দ্র বলে। হৃদস্পন্দন, শ্বাসক্রিয়া, রক্তচাপ, গলাধঃকরণ, লালা ক্ষরণ, বমি – সব অনৈচ্ছিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
4.3 মাইটোসিস কোষ বিভাজনের দশা চিত্র সহ
মাইটোসিস দেহকোষে ঘটে, 2n থেকে 2n তৈরি হয়। 4টি দশা:
1. প্রোফেজ: সবচেয়ে দীর্ঘ। ক্রোমাটিন জালিকা ঘন, ছোট হয়ে ক্রোমোজোম গঠন করে। প্রতিটি ক্রোমোজোমে 2টি ক্রোমাটিড থাকে। নিউক্লিয় পর্দা ও নিউক্লিওলাস ধীরে ধীরে লুপ্ত হয়। সেন্ট্রিওল দুই মেরুতে গিয়ে বেমতন্তু বা স্পিন্ডল গঠন শুরু করে।
2. মেটাফেজ: ক্রোমোজোমগুলি সবচেয়ে বেশি ঘন ও মোটা হয়, বিষুব অঞ্চলে বা মেটাফেজ প্লেটে সাজে। প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ার বেমতন্তুর সাথে যুক্ত হয়। এই দশায় ক্রোমোজোম গণনা করা সবচেয়ে সহজ।
3. অ্যানাফেজ: সেন্ট্রোমিয়ার দুভাগ হয়ে যায়। সিস্টার ক্রোমাটিড আলাদা হয়ে বেমতন্তুর সংকোচনে বিপরীত মেরুর দিকে যেতে থাকে। V, L, J আকৃতি দেখায়।
4. টেলোফেজ: এটি প্রোফেজের বিপরীত। ক্রোমোজোমগুলি দুই মেরুতে পৌঁছে পাতলা হয়ে ক্রোমাটিন জালিকায় পরিণত হয়। দুই মেরুতে নিউক্লিয় পর্দা ও নিউক্লিওলাস আবার ফিরে আসে। বেম লুপ্ত হয়। এরপর সাইটোকাইনেসিস ঘটে – কোষ পর্দা ভিতরে ঢুকে দুটি অপত্য কোষ (2n) তৈরি হয়। গুরুত্ব – বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ, অযৌন জনন।
4.4 ফুলের গঠন চিত্র সহ, পরাগযোগ ও প্রকারভেদ
ফুলের গঠন: ফুল হল সপুষ্পক উদ্ভিদের জনন অঙ্গ। পুষ্পাক্ষের উপর 4টি স্তবক থাকে:
i) বৃতি: সবচেয়ে বাইরে সবুজ বৃত্যংশ, কুঁড়ি অবস্থায় ফুলকে রক্ষা করে।
ii) দলমণ্ডল: রঙিন পাপড়ি, পতঙ্গকে আকর্ষণ করে।
iii) পুংকেশরচক্র: পুং জনন অঙ্গ। পুংদণ্ড ও পরাগধানী নিয়ে গঠিত, পরাগরেণু তৈরি করে।
iv) গর্ভপত্রচক্র: স্ত্রী জনন অঙ্গ। গর্ভমুণ্ড, গর্ভদণ্ড ও ডিম্বাশয় নিয়ে গঠিত, ডিম্বাশয়ে ডিম্বক থাকে।
পরাগযোগ: পরাগধানী থেকে পরাগরেণু একই ফুলের বা অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগযোগ বলে। এটি নিষেকের পূর্বশর্ত।
প্রকারভেদ:
A. স্বপরাগযোগ: একই ফুলে বা একই গাছের দুটি ফুলের মধ্যে পরাগযোগ। বাহকের দরকার হয় না। সুবিধা – নিশ্চিত, কিন্তু প্রকরণ হয় না, বংশ দুর্বল হয়। যেমন – ধান, গম।
B. ইতর পরাগযোগ: একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন গাছের ফুলের মধ্যে পরাগযোগ। বাহক লাগে:
i) বায়ু দ্বারা – অ্যানিমোফিলি (ধান)
ii) জল দ্বারা – হাইড্রোফিলি (পাতা ঝাঁঝি)
iii) পতঙ্গ দ্বারা – এন্টোমোফিলি (আম, জবা, সূর্যমুখী)
iv) প্রাণী দ্বারা – জুফিলি (শিমুল – বাদুড়, পাখি)
ইতর পরাগযোগে প্রকরণ, উন্নত বীজ ও বিবর্তন ঘটে।
➣[ডাউনলোড করুন]: মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান মডেল উত্তরপত্র (PDF)
4.5 থ্যালাসেমিয়া – কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার
থ্যালাসেমিয়া কী? থ্যালাসেমিয়া হল একটি অটোজোমাল প্রচ্ছন্ন বংশগত রক্তের রোগ, যেখানে হিমোগ্লোবিনের গ্লোবিন শৃঙ্খল ঠিকমতো তৈরি হয় না।
কারণ: 11 নং ক্রোমোজোমে বিটা গ্লোবিন ও 16 নং ক্রোমোজোমে আলফা গ্লোবিন জিন থাকে। এই জিনের মিউটেশনে আলফা/বিটা শৃঙ্খল কম তৈরি হয়। পিতা ও মাতা উভয়ই বাহক হলে 25% সন্তান আক্রান্ত হতে পারে। এটি ম্যালেরিয়া প্রবণ অঞ্চলে বেশি।
লক্ষণ: i) তীব্র রক্তাল্পতা, দুর্বলতা, শ্বাসকষ্ট, বৃদ্ধি ব্যাহত। ii) জন্ডিস, প্লীহা ও যকৃৎ বড় হয়ে যাওয়া। iii) মুখের হাড়ের বিকৃতি, নাক চ্যাপ্টা, কপাল উঁচু। iv) বারবার রক্ত দিতে হয়, ফলে দেহে আয়রন জমে হৃদপিণ্ড ও যকৃতের ক্ষতি।
প্রতিকার ও প্রতিরোধ: i) নিয়মিত রক্ত সঞ্চালন (Blood transfusion)। ii) আয়রন চিলেশন থেরাপি – ডেসফেরিঅক্সামিন দিয়ে অতিরিক্ত আয়রন বের করা। iii) অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন (Bone marrow transplant) – স্থায়ী চিকিৎসা। iv) জিন থেরাপি – ভবিষ্যৎ চিকিৎসা। v) বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া স্ক্রিনিং (Hb ইলেকট্রোফোরেসিস) বাধ্যতামূলক। vi) জনসচেতনতা – দুই বাহকের মধ্যে বিয়ে এড়ানো।
4.6 জীবাশ্ম, গুরুত্ব ও ঘোড়ার বিবর্তন
জীবাশ্ম: বহু লক্ষ বছর আগের প্রাচীন জীবের প্রস্তরীভূত দেহ, ছাপ বা চিহ্নকে জীবাশ্ম বলে। যেমন – ডাইনোসরের হাড়, পাথরে পাতার ছাপ, অ্যাম্বারে পতঙ্গ।
গুরুত্ব: i) বিবর্তনের প্রত্যক্ষ প্রমাণ দেয়। ii) প্রাচীন পরিবেশ ও জলবায়ু জানা যায়। iii) ভূতাত্ত্বিক সময় নির্ণয় ও পৃথিবীর বয়স জানা যায়। iv) লুপ্ত প্রাণী সম্পর্কে জানা যায়। v) প্রাণীদের মধ্যে সম্পর্ক ও যোগসূত্র প্রমাণ করে।
ঘোড়ার বিবর্তন: ঘোড়ার বিবর্তন বিবর্তনের অন্যতম সেরা উদাহরণ, ইওসিন থেকে বর্তমান।
i) ইওহিপ্পাস: 60 মিলিয়ন বছর আগে, শিয়ালের মতো ছোট (30 সেমি), সামনে 4টি ও পিছনে 3টি আঙুল, নিচু মুকুটযুক্ত দাঁত, জঙ্গলে নরম পাতা খেত।
ii) মেসোহিপ্পাস: 35 মিলিয়ন বছর আগে, ভেড়ার সমান, 3টি আঙুল, পা লম্বা।
iii) মেরিচিপ্পাস: 15 মিলিয়ন বছর আগে, গাধার সমান, 1টি প্রধান আঙুল, উঁচু মুকুটযুক্ত দাঁত, তৃণভূমিতে ঘাস খেত।
iv) ইকুয়াস: আধুনিক ঘোড়া, 1টি আঙুল খুরে পরিণত, পা অত্যন্ত লম্বা, দ্রুত দৌড়াতে পারে, মস্তিষ্ক উন্নত। পরিবর্তন – আকার বৃদ্ধি, পা লম্বা, আঙুল কমে খুর, দাঁত শক্ত।
4.7 অভিযোজন কাকে বলে? উট ও ক্যাকটাসের অভিযোজন
অভিযোজন: পরিবেশে টিকে থাকার ও ভালোভাবে বাঁচার জন্য জীবের দেহে যে বিশেষ গঠনগত, শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত স্থায়ী পরিবর্তন ঘটে, তাকে অভিযোজন বলে।
উটের মরু অভিযোজন:
i) কুঁজে ফ্যাট সঞ্চয়: জল নয়, চর্বি জমা থাকে, যা থেকে জল ও শক্তি পায়।
ii) পায়ের চওড়া প্যাড: বালিতে ডুবে যায় না।
iii) কম ঘাম: ঘাম কম হয়, জল বাঁচে। iv) ডিম্বাকার RBC জলশূন্যতা সহ্য করে।
v) নাকের পর্দা ও লম্বা চোখের পাতা: বালি ঢুকতে দেয় না। vi) পাকস্থলীতে জল সঞ্চয়।
ক্যাকটাসের অভিযোজন: i) পাতা কাঁটায় পরিণত, বাষ্পমোচন বন্ধ। ii) কাণ্ড রসালো, ফাইলোক্ল্যাড, জল সঞ্চয় ও সালোকসংশ্লেষ করে। iii) পুরু কিউটিকল ও মোম। iv) পত্ররন্ধ্র রাতে খোলে – CAM উদ্ভিদ। v) মূল গভীর ও বিস্তৃত।
Madhyamik Life Sci Model Answers-4
4.8 জৈব বৈচিত্র্যের হটস্পট, ভারতের হটস্পট, বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ
হটস্পট কী? যে অঞ্চলে প্রচুর এন্ডেমিক প্রজাতি (যা অন্য কোথাও নেই) থাকে এবং 70% এর বেশি বন ধ্বংস হয়ে গেছে, বিপন্ন অবস্থায় আছে, তাকে হটস্পট বলে। নরম্যান মায়ার্স 1988 সালে ধারণা দেন। পৃথিবীতে 36টি হটস্পট আছে।
ভারতের হটস্পট 4টি:
i) পশ্চিমঘাট ও শ্রীলঙ্কা: কেরল, কর্ণাটক, সিংহলেজ বানর, নীলগিরি।
ii) পূর্ব হিমালয়: অরুণাচল, সিকিম, রেড পান্ডা।
iii) ইন্দো-বার্মা: উত্তর-পূর্ব ভারত, মণিপুর।
iv) সুন্দাল্যান্ড: আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ।
বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভ: UNESCO কর্তৃক ঘোষিত এমন সংরক্ষিত অঞ্চল যেখানে জীববৈচিত্র্য ও মানুষের সহাবস্থান ও টেকসই উন্নয়ন ঘটে। 3টি জোন থাকে – কোর জোন (কোনো মানুষ ঢুকতে পারে না), বাফার জোন (গবেষণা), ট্রানজিশন জোন (মানুষ বাস করে)। ভারতে 18টি, যেমন – সুন্দরবন, নীলগিরি, নন্দাদেবী। সুন্দরবন বায়োস্ফিয়ার রিজার্ভে রয়েল বেঙ্গল টাইগার সংরক্ষিত।
4.9 ক্যান্সার, কারণ, প্রতিকার ও ডায়াবেটিসের কারণ
ক্যান্সার কী? কোষের অনিয়ন্ত্রিত, অস্বাভাবিক বৃদ্ধিতে যে ম্যালিগন্যান্ট টিউমার সৃষ্টি হয়, তাকে ক্যান্সার বলে। কোষগুলি প্রোটো-অনকোজিন সক্রিয় হয়ে অনকোজিনে পরিণত হলে ক্যান্সার হয়, মেটাস্ট্যাসিসের মাধ্যমে শরীরে ছড়ায়।
কারণ: i) ধূমপান, গুটখা, তামাক, মদ। ii) রাসায়নিক – অ্যাসবেস্টস, বেনজিন। iii) বিকিরণ – UV রশ্মি, X-ray। iv) ভাইরাস – HPV, হেপাটাইটিস B। v) বংশগতি ও অনিয়মিত জীবনযাপন, ফাস্টফুড।
প্রতিকার ও প্রতিরোধ: i) প্রাথমিক অবস্থায় নির্ণয় (বায়োপসি)। ii) কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, সার্জারি। iii) ধূমপান, তামাক বর্জন। iv) শাকসবজি, ফল বেশি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যুক্ত খাবার। v) নিয়মিত ব্যায়াম, HPV ও হেপাটাইটিস টিকা। vi) অতিরিক্ত রোদ এড়ানো।
ডায়াবেটিসের কারণ: i) অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে ইনসুলিন কম ক্ষরণ (Type 1)। ii) ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স – কোষ ইনসুলিনকে সাড়া দেয় না (Type 2)। iii) স্থূলতা, বংশগতি, অনিয়মিত খাদ্য, মানসিক চাপ, কম পরিশ্রম।
Discover more from NIRYAS.IN
Subscribe to get the latest posts sent to your email.