Madhyamik Life sci Model Answers-5/2
Madhyamik Life Sci Model Answers-5
মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছ? জীবনবিজ্ঞান বিষয়ে 90-এ 90 পাওয়ার স্বপ্ন দেখছ? তাহলে তোমার এই প্রস্তুতিকে এক ধাপ এগিয়ে নিতে আমরা নিয়ে এসেছি মাধ্যমিক (জীবন বিজ্ঞান) (Madhyamik Life Sci Model Answers-5) (উত্তরসহ)। নতুন ও আপডেটেড সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি এই মডেল প্রশ্নপত্রটিতে রয়েছে 15টি MCQ (ব্যাখ্যা সহ), 21টি অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, 24 নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং 30 নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন সহ প্রতিটি বিভাগের নির্ভুল ও সম্পূর্ণ সমাধান। প্রতিটি উত্তরের সাথে উৎস উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা সহজেই মূল পাঠ্যবইয়ের সাথে মিলিয়ে নিতে পারে।
Madhyamik Life Sci Model Answers-5

Life Science(জীবন বিজ্ঞান)
(Part-2)
বিভাগ – ঘ: রচনাধর্মী (5×6=30)
4.1 মানবদেহে 5টি হরমোনের কাজ
i) থাইরক্সিন (T4) – থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে: এটি আয়োডিনযুক্ত হরমোন। কাজ: দেহের বিপাক হার বা BMR নিয়ন্ত্রণ করে, বৃদ্ধি ও বিকাশে সাহায্য করে, কোষে $O_2$ ব্যবহার বাড়ায়। কম হলে মিক্সিডিমা, গলগণ্ড, বেশি হলে গ্রেভস রোগ হয়।
ii) ইনসুলিন – অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে: প্রধান কাজ রক্তে গ্লুকোজ কমানো। রক্তের গ্লুকোজকে যকৃৎ ও পেশিতে গ্লাইকোজেন রূপে জমা করে (গ্লাইকোজেনেসিস), কোষে গ্লুকোজ প্রবেশে সাহায্য করে, প্রোটিন ও ফ্যাট সংশ্লেষ বাড়ায়। কম হলে ডায়াবেটিস মেলিটাস হয়।
iii) অ্যাড্রেনালিন – অ্যাড্রিনাল মেডুলা থেকে: একে জরুরিকালীন বা Fight-Flight-Fright হরমোন বলে। ভয়, রাগ, উত্তেজনায় ক্ষরিত হয়। হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, শ্বাসহার বাড়ায়, চোখের তারা বড় করে, লোম খাড়া করে, রক্তে গ্লুকোজ বাড়িয়ে দ্রুত শক্তি দেয়।
iv) টেস্টোস্টেরন – শুক্রাশয়ের লেডিগ কোষ থেকে: প্রধান পুরুষ হরমোন। কাজ: শুক্রাণু উৎপাদন, পুরুষের গৌণ যৌন লক্ষণ – দাড়ি-গোঁফ, গলার স্বর ভারী, পেশি বৃদ্ধি, হাড় মোটা হওয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
v) ইস্ট্রোজেন – ডিম্বাশয়ের গ্রাফিয়ান ফলিকল থেকে: প্রধান স্ত্রী হরমোন। কাজ: ডিম্বাণু পরিণতি, জরায়ুর বৃদ্ধি, ঋতুচক্র নিয়ন্ত্রণ, স্ত্রীর গৌণ লক্ষণ – স্তন বৃদ্ধি, সরু কোমর, নরম ত্বক তৈরি। প্রোজেস্টেরনের সাথে গর্ভাবস্থা রক্ষা করে।
Madhyamik Life Sci Model Answers-5
4.2 স্নায়বিক সমন্বয় কী? সাইন্যাপস কীভাবে কাজ করে
স্নায়বিক সমন্বয়: স্নায়ুতন্ত্র দ্বারা পরিবেশ থেকে উদ্দীপনা গ্রহণ করে দেহের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ ও কাজের সমন্বয় করাকে স্নায়বিক সমন্বয় বলে। এটি তড়িৎ সংকেতের মাধ্যমে ঘটে, দ্রুত ও স্বল্পস্থায়ী। যেমন – চোখে ধুলো পড়লে চোখ বন্ধ হওয়া।
সাইন্যাপস কীভাবে কাজ করে:
দুটি নিউরনের সংযোগস্থলকে সাইন্যাপস বলে। একটি নিউরনের অ্যাক্সন প্রান্তের সাইন্যাপটিক নব ও পরের নিউরনের ডেনড্রাইটের মধ্যে 20nm ফাঁক থাকে, একে সাইন্যাপটিক ক্লেফট বলে।
পদ্ধতি: i) উদ্দীপনা যখন প্রি-সাইন্যাপটিক নবে আসে, তখন $Ca^{2+}$ আয়ন ভিতরে ঢোকে। ii) $Ca^{2+}$ এর প্রভাবে সাইন্যাপটিক ভেসিকল ফেটে অ্যাসিটাইলকোলিন নামক নিউরোট্রান্সমিটার সাইন্যাপটিক ক্লেফটে ক্ষরিত হয়। iii) এই রাসায়নিক পদার্থ পোস্ট-সাইন্যাপটিক পর্দার রিসেপ্টরের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন তড়িৎ সংকেত তৈরি করে। iv) এরপর নিউরোট্রান্সমিটার কোলিনএস্টারেজ উৎসেচক দ্বারা ভেঙে যায়। এটি একমুখী পরিবহন – ডেনড্রাইট → কোষদেহ → অ্যাক্সন দিকেই যায়, উল্টো যায় না।
4.3 মিয়োসিস কী? মিয়োসিস I ও II এর পার্থক্য, গুরুত্ব
মিয়োসিস: জনন মাতৃকোষে (2n) যে বিভাজনে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক (n) হয়ে 4টি অপত্য কোষ তৈরি হয়, তাকে মিয়োসিস বলে। যৌন জননের আগে ঘটে।
পার্থক্য:
মিয়োসিস-I (হ্রাস বিভাজন):
i) সমসংস্থ ক্রোমোজোম আলাদা হয়, ক্রোমোজোম সংখ্যা 2n থেকে n হয়।
ii) প্রোফেজ-I দীর্ঘ, 5 উপদশা – লেপ্টোটিন, জাইগোটিন, প্যাকাইটিনে ক্রসিং ওভার হয়, কায়াজমা গঠিত হয়।
iii) মেটাফেজ-I তে বাইভ্যালেন্ট বিষুব অঞ্চলে সাজে।
iv) 2টি কোষ তৈরি হয়।
মিয়োসিস-II (সম বিভাজন, মাইটোসিসের মতো):
i) সিস্টার ক্রোমাটিড আলাদা হয়, ক্রোমোজোম সংখ্যা একই থাকে (n থেকে n)।
ii) প্রোফেজ-II ছোট, ক্রসিং ওভার হয় না।
iii) মেটাফেজ-II তে ক্রোমোজোম এককভাবে বিষুব অঞ্চলে সাজে।
iv) 4টি হ্যাপ্লয়েড কোষ তৈরি হয়।
গুরুত্ব: i) প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখে। ii) ক্রসিং ওভারে প্রকরণ সৃষ্টি করে বিবর্তনে সাহায্য করে। iii) যৌন জননের ভিত্তি।
➣[ডাউনলোড করুন]: মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান মডেল উত্তরপত্র (PDF)
4.4 অযৌন জনন কাকে বলে? উদ্ভিদের অযৌন জননের পদ্ধতি
অযৌন জনন: যে জনন প্রক্রিয়ায় একটি মাত্র জনক অংশ নেয়, গ্যামেট ও নিষেক ছাড়া মাইটোসিস বিভাজনে হুবহু মাতৃজীবের মতো অপত্য সৃষ্টি হয়, তাকে অযৌন জনন বলে। দ্রুত হয়, প্রকরণ নেই।
পদ্ধতি:
i) খন্ডীভবন: স্পাইরোগাইরা শৈবালের ফিলামেন্ট ভেঙে প্রতিটি খণ্ড থেকে নতুন শৈবাল হয়।
ii) কোরকোদগম: হাইড্রার দেহে কুঁড়ি বা কোরক তৈরি হয়ে নতুন হাইড্রা হয়।
iii) রেণু উৎপাদন: ফার্ন, মস, ছত্রাক রেণুর মাধ্যমে বংশবিস্তার করে।
iv) পুনরুৎপাদন: প্ল্যানেরিয়া কেটে গেলে প্রতিটি খণ্ড থেকে নতুন প্রাণী হয়।
v) অঙ্গজ জনন (Vegetative propagation):
– কন্দ – আলু চোখ থেকে
– বাল্ব – পেঁয়াজ, রসুন
– রানার – ঘাস, কচুরিপানা
– পাতা থেকে – পাথরকুচি পাতার খাঁজ থেকে
– কলম, জোড় কলম, শাখা কলম – আম, গোলাপে কৃত্রিমভাবে করা হয়।
4.5 মেন্ডেলের সূত্র ও গুরুত্ব
সূত্র 3টি:
i) প্রকটতার সূত্র: একজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যের মধ্যে একটি প্রকট ও একটি প্রচ্ছন্ন থাকে, F1 এ প্রকট প্রকাশ পায়।
ii) পৃথকীকরণ বা বিশুদ্ধতার সূত্র: গ্যামেট গঠনের সময় অ্যালিল জোড়া আলাদা হয়ে যায়, প্রতিটি গ্যামেটে একটি করে অ্যালিল যায়। যেমন Tt থেকে T ও t আলাদা। F2 তে 3:1 অনুপাত।
iii) স্বাধীন বিন্যাস সূত্র: দুই বা ততোধিক জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যের জিন গ্যামেট গঠনে স্বাধীনভাবে বিন্যস্ত হয়। F2 তে দ্বিসংকর জননে 9:3:3:1 অনুপাত।
গুরুত্ব: i) মেন্ডেলকে জিনতত্ত্বের জনক বলে, বংশগতির মূল ভিত্তি স্থাপন করেন। ii) কৃষিতে উন্নত বীজ, রোগ প্রতিরোধী ফসল তৈরিতে সাহায্য। iii) চিকিৎসায় বংশগত রোগ নির্ণয়। iv) বিবর্তন বুঝতে সাহায্য। v) প্রাণী প্রজননে উন্নত জাত তৈরিতে ব্যবহার।
4.6 ল্যামার্কের মতবাদ ও ডারউইনের সাথে পার্থক্য
ল্যামার্কের মতবাদ (1809, Philosophic Zoologique):
i) ব্যবহার ও অব্যবহারের সূত্র: যে অঙ্গ বেশি ব্যবহৃত হয় তা উন্নত ও বড় হয়, কম ব্যবহৃত অঙ্গ লুপ্ত হয়। যেমন – জিরাফ উঁচু গাছের পাতা খেতে বারবার গলা টানতো, তাই গলা লম্বা হলো, সাপ গর্তে থাকায় পা ব্যবহার না হওয়ায় পা লুপ্ত হলো।
ii) অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশগতি: পরিবেশের প্রভাবে অর্জিত বৈশিষ্ট্য পরবর্তী প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়।
ডারউইনের সাথে পার্থক্য:
ল্যামার্কবাদ ডারউইনবাদ
1. অর্জিত বৈশিষ্ট্য বংশগত হয় 1. অর্জিত বৈশিষ্ট্য বংশগত হয় না, শুধু প্রকরণ বংশগত
2. পরিবেশ সরাসরি জীবকে পরিবর্তন করে 2. পরিবেশ পরোক্ষভাবে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে পরিবর্তন করে
3. জীবের ইচ্ছা ও চেষ্টা বিবর্তনের কারণ 3. প্রাকৃতিক নির্বাচন ও যোগ্যতমের উদবর্তন কারণ
4. ব্যবহার ও অব্যবহার মূল কথা 4. প্রকরণ ও নির্বাচন মূল কথা
4.7 সুন্দরবনের উদ্ভিদের অভিযোজন – শ্বাসমূল, জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম, লবণ গ্রন্থি
সুন্দরবন লবণাক্ত, কর্দমাক্ত, অক্সিজেন কম মাটি, তাই ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদের বিশেষ অভিযোজন:
i) শ্বাসমূল বা নিউমাটোফোর: মাটি জলে ডুবে থাকে, বায়ু চলাচল নেই, তাই শ্বাসের জন্য কিছু মূল মাটি ভেদ করে উপরে উঠে আসে, একে শ্বাসমূল বলে। এর গায়ে ছোট ছোট ছিদ্র বা নিউমাটোথোড থাকে যা দিয়ে $O_2$ গ্রহণ করে। যেমন – সুন্দরী, গরান।
ii) জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম বা Vivipary: লবণাক্ত জলে বীজ পড়লে অঙ্কুরিত হতে পারে না, পচে যায়। তাই মাতৃগাছে ফল থাকা অবস্থাতেই বীজ অঙ্কুরিত হয়ে একটি লম্বা ভ্রূণমূল (হাইপোকটাইল) তৈরি করে। ফল থেকে খসে কাদায় গেঁথে যায় এবং দ্রুত নতুন চারা হয়। যেমন – রাইজোফোরা।
iii) লবণ গ্রন্থি: অতিরিক্ত লবণ সহ্য করার জন্য পাতায় লবণ গ্রন্থি থাকে যা অতিরিক্ত লবণ বাইরে বের করে দেয়, পাতার উপর সাদা লবণের স্তর দেখা যায়। যেমন – সুন্দরী, কেওড়া। এছাড়া পুরু কিউটিকল, রসালো পাতা, ঠেসমূল ও অধিমূল দেহকে দৃঢ় করে।
Madhyamik Life Sci Model Answers-5
4.8 নাইট্রোজেন চক্রের বিভিন্ন ধাপ চিত্র সহ
নাইট্রোজেন চক্র – 5টি ধাপ:
i) স্থিতিকরণ: বায়ুর $N_2$ কে $NH_3$ তে পরিণত করা। জৈবিক – রাইজোবিয়াম, অ্যাজোটোব্যাকটর, নস্টক দ্বারা। অজৈব – বজ্রপাতে $N_2+O_2\rightarrow NO$, শিল্প – হেবার পদ্ধতিতে সার।
ii) অ্যামোনিফিকেশন: মৃত উদ্ভিদ ও প্রাণী পচে ব্যাকটেরিয়া দ্বারা $NH_3$ তৈরি।
iii) নাইট্রিফিকেশন: $NH_3\rightarrow NO_2^-$ নাইট্রোসোমোনাস দ্বারা, $NO_2^-\rightarrow NO_3^-$ নাইট্রোব্যাকটর দ্বারা। এটি উদ্ভিদের গ্রহণযোগ্য রূপ।
iv) আত্তীকরণ: উদ্ভিদ $NO_3^-$ গ্রহণ করে প্রোটিন, ক্লোরোফিল তৈরি করে, প্রাণী তা খায়।
v) ডিনাইট্রিফিকেশন: সিউডোমোনাস, থায়োব্যাসিলাস $NO_3^-$ কে আবার $N_2$ তে পরিণত করে বায়ুমণ্ডলে ফেরত পাঠায়। চক্র সম্পূর্ণ হয়।
চিত্র: বায়ুমণ্ডল $N_2$ → (রাইজোবিয়াম) → $NH_3$ → (নাইট্রোসোমোনাস) → $NO_2^-$ → (নাইট্রোব্যাকটর) → $NO_3^-$ → উদ্ভিদ → প্রাণী → মৃত্যু → $NH_3$ → (সিউডোমোনাস) → $N_2$ বায়ুতে।
4.9 পরিবেশ দূষণ, জল দূষণের কারণ ও প্রতিকার
দূষণ: পরিবেশে ক্ষতিকর পদার্থের মাত্রাতিরিক্ত উপস্থিতিতে পরিবেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট ও জীবের ক্ষতিকে দূষণ বলে।
জল দূষণের কারণ:
i) কলকারখানার বর্জ্য: রাসায়নিক, ভারী ধাতু (পারদ, সীসা), রং, তেল সরাসরি নদীতে ফেলা।
ii) কৃষি বর্জ্য: কীটনাশক DDT, রাসায়নিক সার জলে মিশে ইউট্রোফিকেশন ও জৈব বিবর্ধন ঘটায়।
iii) পয়ঃপ্রণালী ও গৃহস্থালি বর্জ্য: মলমূত্র, ডিটারজেন্ট, প্লাস্টিক নদীতে ফেলা, BOD বাড়ে।
iv) তেল নিঃসরণ: জাহাজ থেকে তেল পড়ে সমুদ্র দূষণ, জলজ প্রাণী মরে।
v) ভূগর্ভস্থ দূষণ: আর্সেনিক (মালদা, মুর্শিদাবাদে ব্ল্যাকফুট ডিজিজ), ফ্লোরাইড।
প্রতিকার:
i) কলকারখানার বর্জ্য ETP (Effluent Treatment Plant) দিয়ে শোধন করে ফেলা।
ii) জৈব সার, জৈব কীটনাশক ব্যবহার, রাসায়নিক কমানো।
iii) জনসচেতনতা, গঙ্গা অ্যাকশন প্ল্যান, নমামি গঙ্গে প্রকল্প।
iv) কঠোর আইন প্রয়োগ, প্লাস্টিক বর্জন।
v) বেশি গাছ লাগানো, জলাশয় পরিষ্কার, পানীয় জল ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে খাওয়া।
Discover more from NIRYAS.IN
Subscribe to get the latest posts sent to your email.