NIRYAS.IN

শিক্ষাদান বাগানের মালির মতো

NIRYAS.IN

শিক্ষাদান বাগানের মালির মতো

মাধ্যমিক পরীক্ষা প্রস্তুতি

Madhyamik Life sci Model Answers-6/2

Madhyamik Life Sci Model Answers-6

মাধ্যমিক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছ? জীবনবিজ্ঞান বিষয়ে 90-এ 90 পাওয়ার স্বপ্ন দেখছ? তাহলে তোমার এই প্রস্তুতিকে এক ধাপ এগিয়ে নিতে আমরা নিয়ে এসেছি মাধ্যমিক (জীবন বিজ্ঞান) (Madhyamik Life Sci Model Answers-6) (উত্তরসহ)। নতুন ও আপডেটেড সিলেবাস অনুযায়ী তৈরি এই মডেল প্রশ্নপত্রটিতে রয়েছে 15টি MCQ (ব্যাখ্যা সহ), 21টি অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, 24 নম্বরের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং 30 নম্বরের রচনাধর্মী প্রশ্ন সহ প্রতিটি বিভাগের নির্ভুল ও সম্পূর্ণ সমাধান। প্রতিটি উত্তরের সাথে উৎস উল্লেখ করা হয়েছে, যাতে ছাত্রছাত্রীরা সহজেই মূল পাঠ্যবইয়ের সাথে মিলিয়ে নিতে পারে।


➣ Join : Our Telegram Channel

➣ Join : Our Whats App Group


Madhyamik Life Sci Model Answers-6

Madhyamik Life Sci Model Answers
Madhyamik Life Sci Model Answers

Life Science(জীবন বিজ্ঞান)

(Part-2)

⟽ Previous Part

বিভাগ – ঘ: রচনাধর্মী (5×6=30)

4.1 প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ চিত্র সহ, গুরুত্ব

প্রতিবর্ত ক্রিয়া: কোনো উদ্দীপনার প্রভাবে মস্তিষ্কের চিন্তা ছাড়া সুষুম্নাকাণ্ড দ্বারা পরিচালিত দ্রুত, স্বয়ংক্রিয়, অনৈচ্ছিক সাড়াকে প্রতিবর্ত ক্রিয়া বলে। যেমন – পায়ে কাঁটা ফুটলে পা তুলে নেওয়া, চোখে আলো পড়লে তারা ছোট হওয়া। আবিষ্কারক মার্শাল হল।

প্রতিবর্ত চাপ: যে নির্দিষ্ট পথে প্রতিবর্ত ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে প্রতিবর্ত চাপ বলে। 5টি অংশ:
i) গ্রাহক: ত্বক, চোখ, কানের সংবেদী কোষ উদ্দীপনা গ্রহণ করে।
ii) সংজ্ঞাবহ নিউরন: গ্রাহক থেকে উদ্দীপনা সুষুম্নাকাণ্ডে নিয়ে যায়।
iii) সমন্বয় কেন্দ্র – সুষুম্নাকাণ্ড: ইন্টার নিউরন দ্বারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
iv) আজ্ঞাবহ নিউরন: আদেশ কারকে নিয়ে যায়।
v) কারক: পেশি বা গ্রন্থি সাড়া দেয়।

চিত্র: হাতে সূঁচ ফুটলে → ত্বকের গ্রাহক → সংজ্ঞাবহ নিউরন → সুষুম্না → আজ্ঞাবহ নিউরন → হাতের পেশি সংকোচন → হাত সরে যায়। একই সাথে কিছু সংকেত মস্তিষ্কে যায়, তাই আমরা ব্যথা বুঝি।

গুরুত্ব: i) বিপদ থেকে দ্রুত রক্ষা, 0.1 সেকেন্ডে কাজ হয়। ii) মস্তিষ্কের উপর চাপ কমায়। iii) দেহের ভারসাম্য, অঙ্গবিন্যাস, হৃদস্পন্দন, শ্বাসের মতো অনৈচ্ছিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। iv) অভ্যাস গঠনে সাহায্য করে।

Madhyamik Life Sci Model Answers-6

4.2 ট্রপিক চলন কত প্রকার? উদাহরণ সহ

ট্রপিক চলন হল উদ্দীপকের গতিপথ অনুযায়ী উদ্ভিদের অঙ্গের স্থায়ী বক্র চলন, অক্সিন হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। 5 প্রকার:

i) ফটোট্রপিজম – আলোর প্রভাবে: কাণ্ড আলোর দিকে বাঁকে – পজিটিভ ফটোট্রপিজম, মূল আলোর বিপরীতে – নেগেটিভ। পরীক্ষা: অন্ধকার বাক্সে টবে গাছ রাখলে কাণ্ড ছিদ্রের আলোর দিকে বাঁকে। অক্সিন ছায়ার দিকে বেশি জমে বেশি বৃদ্ধি।

ii) জিওট্রপিজম – মাধ্যাকর্ষণ প্রভাবে: মূল মাধ্যাকর্ষণের দিকে নিচে যায় – পজিটিভ জিও, কাণ্ড বিপরীতে উপরে যায় – নেগেটিভ জিও। টব শুইয়ে রাখলে প্রমাণ হয়। ক্লিনোস্ট্যাট যন্ত্রে ঘোরালে কাজ করে না।

iii) হাইড্রোট্রপিজম – জলের প্রভাবে: মূল জলের উৎসের দিকে বাঁকে – পজিটিভ। শুকনো মাটিতে জলের পাত্র রাখলে মূল সেদিকে যায়।

iv) কেমোট্রপিজম – রাসায়নিকের প্রভাবে: পরাগনালি ডিম্বকের দিকে রাসায়নিক আকর্ষণে যায়, ছত্রাকের হাইফা রাসায়নিকের দিকে যায়।

v) থিগমোট্রপিজম – স্পর্শের প্রভাবে: দুর্বল কাণ্ডযুক্ত উদ্ভিদ (মটরশুঁটির আকর্ষ) কোনো অবলম্বন স্পর্শ করলে তাকে জড়িয়ে ধরে উপরে ওঠে – পজিটিভ থিগমো।

4.3 কোষ বিভাজন কী? মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য

কোষ বিভাজন: একটি মাতৃকোষ থেকে অপত্য কোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়াকে কোষ বিভাজন বলে। জীবের বৃদ্ধি, জনন ও বংশগতি রক্ষার জন্য অপরিহার্য। 2 প্রকার – মাইটোসিস ও মিয়োসিস।
মাইটোসিস মিয়োসিস
1. কোথায়: দেহকোষে ঘটে জনন মাতৃকোষে (শুক্রাশয়, ডিম্বাশয়) ঘটে
2. বিভাজন সংখ্যা: একবার, ক্যারিওকাইনেসিস একবার দুবার – মিয়োসিস-I ও II
3. কোষ সংখ্যা: 1টি থেকে 2টি কোষ তৈরি 1টি থেকে 4টি কোষ তৈরি
4. ক্রোমোজোম: মাতৃকোষ ও অপত্য কোষে সমান (2n→2n), সম বিভাজন মাতৃকোষ 2n থেকে অপত্য n, অর্ধেক, হ্রাস বিভাজন
5. ক্রসিং ওভার: হয় না, প্রকরণ হয় না, হুবহু বংশধর প্রোফেজ-I এর প্যাকাইটিনে ক্রসিং ওভার ও কায়াজমা হয়, প্রকরণ সৃষ্টি হয়
6. গুরুত্ব: বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ, অযৌন জনন ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা, যৌন জনন, বিবর্তন

➣[ডাউনলোড করুন]: মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান মডেল উত্তরপত্র (PDF)

4.4 মানব পুরুষ জননতন্ত্র চিত্র সহ
পুরুষ জননতন্ত্রে থাকে:
i) শুক্রাশয়: দুটি, অন্ডথলিতে থাকে, দেহের বাইরে ঠান্ডায় থাকে। সেমিনিফেরাস নালিকায় শুক্রাণু তৈরি হয় ও লেডিগ কোষ টেস্টোস্টেরন তৈরি করে। তাপমাত্রা 2°C কম থাকে যা শুক্রাণুর জন্য জরুরি।

ii) এপিডিডাইমিস: শুক্রাশয়ের পিছনে কুণ্ডলীকৃত নালি, শুক্রাণু পরিণত ও সঞ্চিত হয়, 18 ঘণ্টা থাকে।

iii) শুক্রনালী বা ভাস ডিফারেন্স: এপিডিডাইমিস থেকে বীর্য মূত্রনালিতে নিয়ে যায়।

iv) সহকারী গ্রন্থি: সেমিনাল ভেসিকল (ফ্রুকটোজ দিয়ে শুক্রাণুকে শক্তি দেয়, বীর্যের 60%), প্রস্টেট গ্রন্থি (ক্ষারীয় তরল, শুক্রাণুকে সচল রাখে), কাউপার গ্রন্থি (পিচ্ছিলকারক)।

v) লিঙ্গ: মৈথুন অঙ্গ, মূত্র ও বীর্য বহন করে। অগ্রভাগে গ্ল্যান্স।

কাজ: শুক্রাণু উৎপাদন, টেস্টোস্টেরন ক্ষরণ, স্ত্রী দেহে শুক্রাণু প্রবেশ করানো।

4.5 একসংকর ও দ্বিসংকর জননের পার্থক্য চেকার বোর্ড সহ
একসংকর জনন দ্বিসংকর জনন
1 জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য নিয়ে 2 জোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্য নিয়ে
F2 অনুপাত 3:1 (প্রকট:প্রচ্ছন্ন) F2 অনুপাত 9:3:3:1
সূত্র – পৃথকীকরণ সূত্র সূত্র – স্বাধীন বিন্যাস সূত্র
উদা: লম্বা TT x বেঁটে tt উদা: হলুদ গোল YYRR x সবুজ কুঁচকানো yyrr
চেকার বোর্ড:

একসংকর: Tt x Tt → গ্যামেট T, t x T, t → TT, Tt, Tt, tt = 3 লম্বা : 1 বেঁটে।

দ্বিসংকর: YyRr x YyRr → গ্যামেট YR, Yr, yR, yr x একই।
16 ঘরে:
9 টি Y_R_ = হলুদ গোল
3 টি Y_rr = হলুদ কুঁচকানো
3 টি yyR_ = সবুজ গোল
1 টি yyrr = সবুজ কুঁচকানো = 9:3:3:1 প্রমাণ করে বৈশিষ্ট্য স্বাধীনভাবে যায়।

Madhyamik Life Sci Model Answers-6

4.6 ঘোড়ার বিবর্তন ও মানব বিবর্তনের তুলনা, জীবাশ্মের গুরুত্ব

ঘোড়ার বিবর্তন: ইওহিপ্পাস (শিয়ালের মতো, 4 আঙুল, নিচু মুকুট দাঁত, জঙ্গল) → মেসোহিপ্পাস (ভেড়ার মতো, 3 আঙুল) → মেরিচিপ্পাস (গাধার মতো, 1 প্রধান আঙুল, উঁচু মুকুট দাঁত, তৃণভূমি) → প্লায়োহিপ্পাস → ইকুয়াস (আধুনিক ঘোড়া, 1 আঙুল খুর, দ্রুতগামী)। প্রবণতা – আকার বৃদ্ধি, পা লম্বা, আঙুল কমে খুর, মস্তিষ্ক বড়।

মানব বিবর্তন: ড্রায়োপিথেকাস (বানর মতো, গাছে) → রামাপিথেকাস → অস্ট্রালোপিথেকাস (প্রথম দ্বিপদ, মস্তিষ্ক 450cc) → হোমো হ্যাবিলিস (হাতিয়ার তৈরি, 700cc) → হোমো ইরেক্টাস (সোজা, আগুন, 900cc) → হোমো স্যাপিয়েন্স নিয়ান্ডারথাল (1300cc) → আধুনিক মানুষ (1400cc, বুদ্ধিমান, সংস্কৃতি)।

তুলনা: উভয়ই ধীরে ধীরে পরিবর্তন, তবে ঘোড়া দৌড়ানোর জন্য পায়ের অভিযোজন, মানুষ বুদ্ধি ও দ্বিপদ গমনের জন্য মস্তিষ্ক ও হাতের অভিযোজন।

জীবাশ্মের গুরুত্ব: i) বিবর্তনের প্রত্যক্ষ প্রমাণ। ii) লুপ্ত প্রাণী জানা যায়। iii) ভূতাত্ত্বিক সময় ও বয়স নির্ণয় (কার্বন ডেটিং)। iv) প্রাচীন পরিবেশ ও জলবায়ু জানা যায়।

4.7 পরিবেশ দূষণে জীবের অভিযোজন – রুই, পায়রা, উট, ক্যাকটাস

i) রুই মাছ – জলজ অভিযোজন: দেহ মাকু আকৃতি, স্রোত কাটতে সুবিধা। পাখনা – জোড় ও বিজোড় পাখনা সাঁতারে, ভারসাম্যে সাহায্য। আঁশ ও পিচ্ছিল ত্বক জল প্রতিরোধ কমায়। ফুলকা দিয়ে শ্বাস, পটকা দিয়ে প্লবতা রক্ষা, পার্শ্বরেখা জলের চাপ বোঝে।

ii) পায়রা – বায়বীয়: দেহ হালকা, মাকু আকৃতি, পালকযুক্ত। অস্থি ফাঁপা, বায়ুপূর্ণ। সামনের পা ডানায় পরিণত, বক্ষ পেশি শক্তিশালী। 9টি বায়ুথলি দেহ হালকা ও $O_2$ সঞ্চয় করে। দৃষ্টি প্রখর, হৃদপিণ্ড শক্তিশালী।

iii) উট – মরু: কুঁজে চর্বি সঞ্চয় (জলের উৎস), চওড়া প্যাড বালিতে ডোবে না, কম ঘাম, ডিম্বাকার RBC জলশূন্যতা সহ্য করে, নাক বন্ধ করতে পারে, লম্বা চোখের পাতা।

iv) ক্যাকটাস – মরু উদ্ভিদ: পাতা কাঁটায় পরিণত, বাষ্পমোচন বন্ধ। কাণ্ড রসালো, ফাইলোক্ল্যাড, জল সঞ্চয় ও সালোকসংশ্লেষ করে। পুরু কিউটিকল, পত্ররন্ধ্র রাতে খোলে (CAM)। মূল গভীর ও বিস্তৃত।

Madhyamik Life Sci Model Answers-6

4.8 সুন্দরবনের সমস্যা ও সমাধান, বাঘ সংরক্ষণ

সমস্যা:
i) সমুদ্র জলস্তর বৃদ্ধি ও জলবায়ু পরিবর্তনে দ্বীপ ডুবে যাওয়া।
ii) লবণাক্ততা বৃদ্ধি, মিষ্টি জলের অভাব।
iii) চোরাশিকার, কাঠ চুরি, মাছের মীন ধরা, বাঘ-মানুষ দ্বন্দ্ব।
iv) কলকারখানা ও তেলের দূষণ, প্লাস্টিক।
v) জনসংখ্যা বৃদ্ধি, বাঁধ ভাঙন।

সমাধান:
i) ম্যানগ্রোভ পুনর্রোপণ, JFM (Joint Forest Management) – স্থানীয়দের নিয়ে বন রক্ষা।
ii) বাঁধ মজবুত, বিকল্প জীবিকা – মৌমাছি পালন, ইকো-ট্যুরিজম।
iii) জনসচেতনতা, সৌর আলো, বায়ো-টয়লেট।

বাঘ সংরক্ষণে করণীয়: i) ব্যাঘ্র প্রকল্প (1973), সুন্দরবন টাইগার রিজার্ভ ঘোষণা। ii) ক্যামেরা ট্র্যাপিং, রেডিও কলার দিয়ে বাঘ গণনা। iii) শিকার কঠোরভাবে বন্ধ, শাস্তি। iv) বাঘের করিডোর রক্ষা, শিকার প্রাণী (হরিণ) বৃদ্ধি। v) মানুষকে ক্ষতিপূরণ, সচেতনতা, নাইলনের জাল দিয়ে গ্রাম ঘেরা।

4.9 জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব, হটস্পট, ভারতের হটস্পট

জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব:
i) খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, ওষুধ (সর্পগন্ধা, নিম) সরবরাহ।
ii) বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য, পরাগযোগ, $O_2$ উৎপাদন, জলচক্র রক্ষা।
iii) জিন ভাণ্ডার – উন্নত জাত তৈরিতে ব্যবহার।
iv) অর্থনৈতিক – ইকো-ট্যুরিজম, কাঠ, মাছ।
v) সাংস্কৃতিক ও নৈতিক মূল্য, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণ।

হটস্পট কী? যে অঞ্চলে 1500 এর বেশি এন্ডেমিক সংবহনকারী উদ্ভিদ থাকে এবং 70% বাসস্থান ধ্বংস হয়ে গেছে, তাকে হটস্পট বলে। পৃথিবীতে 36টি হটস্পট।

ভারতের 4টি হটস্পট:
i) পশ্চিমঘাট ও শ্রীলঙ্কা – সিংহলেজ বানর, নীলগিরি তাহর।
ii) পূর্ব হিমালয় – রেড পান্ডা, সোনালি বানর।
iii) ইন্দো-বার্মা অঞ্চল – উত্তর-পূর্ব ভারত, অরুণাচল।
iv) সুন্দাল্যান্ড – নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, আন্দামান।

➣ Next set


Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You cannot copy content of this page

Discover more from NIRYAS.IN

Subscribe now to keep reading and get access to the full archive.

Continue reading